ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

কুবিতে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

প্রতিনিধি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৩ ২৮৪ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস – ২০২৩ পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে র‍্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

র‍্যালী শেষে বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক এ এফ এম আবদুল মঈন। পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ শেষে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মবিষয়ক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন , ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান, প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ছাত্র উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচনা সভায় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও আমরা এই দিবসটি উদযাপন করছি। ৭-ই মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণের পর নিরস্ত্র বাঙালী জাতি যুদ্ধে নেমে পরেন। কিন্ত সে যুদ্ধ চলাকালীন বঙ্গবন্ধু ছিলেন জেলে বন্দী এবং তাকে তখন ফাঁসি দেওয়ার কথা বলা হলেও তিনি বলেন যে তারপরেও তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতাই চান। বঙ্গবন্ধুর এই যে দেশপ্রেম সেটিকে নিজেরা ধারণ করাই এই দিবসে জরুরি।

আলোচনা সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন তার বক্তব্যে বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে যারা দেখেছেন তারা তার ভয়াবহতা সম্পর্কে জানবেন আশা করি, বঙ্গবন্ধুর ফিরে আসার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলো বাংলার মানুষেরা। কিন্তু ফিরে আসার পর পরাজিত শক্তির সাহায্যের ফলে গুটিকয়েক অবাধ্য সৈন্য তাকে হত্যা করে। যার ফলে সময় স্বল্পতার জন্য বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন করে যেতে পারেননি। এখন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

কুবিতে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

আপডেট সময় : ০২:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৩

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস – ২০২৩ পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে র‍্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

র‍্যালী শেষে বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক এ এফ এম আবদুল মঈন। পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ শেষে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মবিষয়ক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন , ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান, প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ছাত্র উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচনা সভায় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও আমরা এই দিবসটি উদযাপন করছি। ৭-ই মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণের পর নিরস্ত্র বাঙালী জাতি যুদ্ধে নেমে পরেন। কিন্ত সে যুদ্ধ চলাকালীন বঙ্গবন্ধু ছিলেন জেলে বন্দী এবং তাকে তখন ফাঁসি দেওয়ার কথা বলা হলেও তিনি বলেন যে তারপরেও তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতাই চান। বঙ্গবন্ধুর এই যে দেশপ্রেম সেটিকে নিজেরা ধারণ করাই এই দিবসে জরুরি।

আলোচনা সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন তার বক্তব্যে বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে যারা দেখেছেন তারা তার ভয়াবহতা সম্পর্কে জানবেন আশা করি, বঙ্গবন্ধুর ফিরে আসার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলো বাংলার মানুষেরা। কিন্তু ফিরে আসার পর পরাজিত শক্তির সাহায্যের ফলে গুটিকয়েক অবাধ্য সৈন্য তাকে হত্যা করে। যার ফলে সময় স্বল্পতার জন্য বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন করে যেতে পারেননি। এখন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।