ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিআরটিসিতে দুর্নীতির বরপুত্র চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা Logo শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় Logo বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ–চেক কেলেঙ্কারি! Logo ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস্ ক্রাইম রিপোর্টাস সোসাইটির কম্বল ও খাবার বিতরন Logo বাংলাদেশে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন Logo নাগরিক শোকসভা কাল: সঙ্গে আনতে হবে আমন্ত্রণপত্র Logo উত্তরায় হোটেলে চাঁদা চাওয়ায় সাংবাদিককে গণধোলাই Logo ৩০ লক্ষ টাকায় বনানী ক্লাবের সদস্য হওয়া দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কমিশনার জাকিরের পুনর্বাসন Logo চমেকে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করল দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন Logo তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক-সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

সুন্দরবনের করমজল ইকোট্যুরিজম স্পটে আদায়কৃত রাজস্ব কর্মকর্তাদের পকেটে

বিশেষ প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ ৩৯৪ বার পড়া হয়েছে

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জাধীন করমজল হরিণ ও কুমিরের প্রজনন লালন-পালন ও ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রে চলছে সীমাহীন অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ চুরির হিড়িক পড়েছে। করমজল নিষিদ্ধ এলাকায় সরকারি রেভিনিউ নিয়ে পাশ দিয়ে পর্যটক প্রবেশের নিয়ম থাকলেও অনুমতি রশিদ না দিয়ে পুরো টাকা বন বিভাগের কর্মকর্তাদের পকেটে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকারি ফি বাবদ সেখানে টাকা নিয়ে ঠিকই পর্যটক প্রবেশ করানো হচ্ছে তবে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব থেকে।

তাছাড়া সংরক্ষিত বন এলাকায় কোনো স্থাপনা বা দোকানপাট করা নিষিদ্ধ থাকলেও সেখানে বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকসের দোকান, মুদিখানা, বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুড, মধুর দোকান, ডাবের দোকান বসতে দিয়ে দোকান থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করা হচ্ছে। এতে সংরক্ষিত বনের পরিবেশ দূষণ হচ্ছে।

ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র থাকা হরিণের ঘাস এবং ফুট টেইল মেরামতে সরকারি বাজেট থাকলেও বাজেট থাকলেও বনের কাঠ অবৈধভাবে বিক্রি করে তা করা হচ্ছে। এই কেন্দ্রে থাকা হরিণ, কুমির, কচ্ছপ প্রজনন কেন্দ্রের ব্যয় মেটানোর জন্য সরকারি বাজেট থাকলেও তা সিংহভাগ আত্মসাতের ঘটনা ঘটায় তাদের সঠিক তদারকি হচ্ছে না বলে পর্যটক সূত্রে অভিযোগ রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় এই ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রের দায়িত্বে জনৈক ফরেস্টার আজাদ দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ একাধারে কর্মরত থাকায় চরম অব্যবস্থাপনা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে পরিবেশবিদগন মনে করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সুন্দরবনের করমজল ইকোট্যুরিজম স্পটে আদায়কৃত রাজস্ব কর্মকর্তাদের পকেটে

আপডেট সময় : ১২:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২২

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জাধীন করমজল হরিণ ও কুমিরের প্রজনন লালন-পালন ও ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রে চলছে সীমাহীন অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ চুরির হিড়িক পড়েছে। করমজল নিষিদ্ধ এলাকায় সরকারি রেভিনিউ নিয়ে পাশ দিয়ে পর্যটক প্রবেশের নিয়ম থাকলেও অনুমতি রশিদ না দিয়ে পুরো টাকা বন বিভাগের কর্মকর্তাদের পকেটে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকারি ফি বাবদ সেখানে টাকা নিয়ে ঠিকই পর্যটক প্রবেশ করানো হচ্ছে তবে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব থেকে।

তাছাড়া সংরক্ষিত বন এলাকায় কোনো স্থাপনা বা দোকানপাট করা নিষিদ্ধ থাকলেও সেখানে বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকসের দোকান, মুদিখানা, বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুড, মধুর দোকান, ডাবের দোকান বসতে দিয়ে দোকান থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করা হচ্ছে। এতে সংরক্ষিত বনের পরিবেশ দূষণ হচ্ছে।

ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র থাকা হরিণের ঘাস এবং ফুট টেইল মেরামতে সরকারি বাজেট থাকলেও বাজেট থাকলেও বনের কাঠ অবৈধভাবে বিক্রি করে তা করা হচ্ছে। এই কেন্দ্রে থাকা হরিণ, কুমির, কচ্ছপ প্রজনন কেন্দ্রের ব্যয় মেটানোর জন্য সরকারি বাজেট থাকলেও তা সিংহভাগ আত্মসাতের ঘটনা ঘটায় তাদের সঠিক তদারকি হচ্ছে না বলে পর্যটক সূত্রে অভিযোগ রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় এই ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রের দায়িত্বে জনৈক ফরেস্টার আজাদ দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ একাধারে কর্মরত থাকায় চরম অব্যবস্থাপনা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে পরিবেশবিদগন মনে করেন।