ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকার সেচ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও বহাল পিডি নুরুল ইসলাম Logo দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগ ঘিরে ২৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পরিকল্পনা! Logo মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় Logo ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ Logo অভিযোগের পাহাড় পেরিয়েও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি Logo সওজে পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সিন্ডিকেটের দূর্নীতির সাম্রাজ্য Logo ঠিকাদারের মুখোশে ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে কোটি টাকা লুটের অভিযোগ Logo জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: সালাম

সিএএ নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে জাতিসংঘ, দিল্লির কড়া প্রতিক্রিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২০ ২১৩ বার পড়া হয়েছে

সিএএ নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে জাতিসংঘ, দিল্লির কড়া প্রতিক্রিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

আইন (সিএএ) নিয়ে কোনও বিদেশি পক্ষের হস্তক্ষেপ করার অধিকার থাকতে পারে না। এমনটাই জানিয়েছে ভারত। সিএএ’র আইনি বৈধতা নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে যেসব মামলা চলছে, তাতে তৃতীয় পক্ষের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল। এজন্য নজিরবিহীনভাবে ভারতের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে তারা।

তবে ভারত বলছে, সিএএ দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং ভারতের সার্বভৌমত্বের সঙ্গে জড়িত কোনও বিষয়েই হস্তক্ষেপের অধিকার নেই বিদেশি পক্ষের। সিএএ’র বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আন্দোলনের কারণে এমনিতেই বেশ চাপের মধ্যে রয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের মামলাগুলোতে তৃতীয় পক্ষ হওয়ার আবেদন দাখিল করে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল।

বিষয়টি জানার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এটি আইন প্রণয়নকারী সংসদের সার্বভৌম অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, ভারতের সার্বভৌমত্বের সঙ্গে জড়িত কোনও বিষয়ের সঙ্গে বিদেশি পক্ষের হস্তক্ষেপ করার অধিকার থাকতে পারে না।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশভাগের মতো দুঃখজনক ঘটনা থেকে উদ্ভূত মানবাধিকার বিষয়গুলোর প্রতি আমাদের দীর্ঘকালীন প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এই আইন। মোদী সরকারের আরও দাবি, এই আইনবলে অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টিও সহজ হবে এবং তা ‘সাংবিধানিকভাবে বৈধ।’

উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে সিএএ পাস হয়। এরপর সিএএ’র আইনি বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে জানুয়ারিতে ১৪৩টি আবেদন জমা পড়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। ওই আবেদনকারীর মধ্যে কংগ্রেস, ডিএমকে, ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগসহ বিভিন্ন বাম দল রয়েছে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ তোলে ওই দলগুলো। তবে মোদি সরকার তা নাকচ করে দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সিএএ নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে জাতিসংঘ, দিল্লির কড়া প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় : ০৮:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

আইন (সিএএ) নিয়ে কোনও বিদেশি পক্ষের হস্তক্ষেপ করার অধিকার থাকতে পারে না। এমনটাই জানিয়েছে ভারত। সিএএ’র আইনি বৈধতা নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে যেসব মামলা চলছে, তাতে তৃতীয় পক্ষের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল। এজন্য নজিরবিহীনভাবে ভারতের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে তারা।

তবে ভারত বলছে, সিএএ দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং ভারতের সার্বভৌমত্বের সঙ্গে জড়িত কোনও বিষয়েই হস্তক্ষেপের অধিকার নেই বিদেশি পক্ষের। সিএএ’র বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আন্দোলনের কারণে এমনিতেই বেশ চাপের মধ্যে রয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের মামলাগুলোতে তৃতীয় পক্ষ হওয়ার আবেদন দাখিল করে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল।

বিষয়টি জানার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এটি আইন প্রণয়নকারী সংসদের সার্বভৌম অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, ভারতের সার্বভৌমত্বের সঙ্গে জড়িত কোনও বিষয়ের সঙ্গে বিদেশি পক্ষের হস্তক্ষেপ করার অধিকার থাকতে পারে না।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশভাগের মতো দুঃখজনক ঘটনা থেকে উদ্ভূত মানবাধিকার বিষয়গুলোর প্রতি আমাদের দীর্ঘকালীন প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এই আইন। মোদী সরকারের আরও দাবি, এই আইনবলে অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টিও সহজ হবে এবং তা ‘সাংবিধানিকভাবে বৈধ।’

উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে সিএএ পাস হয়। এরপর সিএএ’র আইনি বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে জানুয়ারিতে ১৪৩টি আবেদন জমা পড়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। ওই আবেদনকারীর মধ্যে কংগ্রেস, ডিএমকে, ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগসহ বিভিন্ন বাম দল রয়েছে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ তোলে ওই দলগুলো। তবে মোদি সরকার তা নাকচ করে দিয়েছে।