ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আবাসিক হল ছাড়ছে শাবি শিক্ষার্থীরা Logo নিরাপত্তার স্বার্থে শাবি শিক্ষার্থীদের আইডিকার্ড সাথে রাখার আহবান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের Logo জনস্বাস্থ্যের প্রধান সাধুর যত অসাধু কর্ম: দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ! Logo বিআইডব্লিউটিএ বন্দর শাখা যুগ্ম পরিচালক আলমগীরের দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য  Logo রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটনকে হয়রানিমূলক মামলায় বএিমইউজরে নিন্দা ও প্রতিবাদ Logo শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখতে হবেঃ ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী Logo ‘কানামাছি শিশুসাহিত্য পুরস্কার ২০২৪’ পেলেন লেখক Logo মধ্যরাতে শাবি ছাত্রলীগের ‘ তুমি কে, আমি কে- বাঙ্গালী, বাঙ্গালী’ শ্লোগানে উত্তাল ক্যাম্পাস Logo আম নিয়ে কষ্টগাঁথা Logo ঘুমান্ত বিবেক মাতাল আবেগ’ – আকাশমণি




ব্রিটিশ ট্যাংকার আটক করেছে ইরান, উত্তেজনা চরমে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫০:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯ ১২৪ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক; 
হরমুজ প্রণালীতে ব্রিটিশ পতাকাবাহী একটি ট্যাংকার আটক করেছে ইরানের রেভ্যুলেশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। তেহরানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন লঙ্ঘন করায় শুক্রবার ব্রিটিশ ওই ট্যাংকারটি আটক করে তারা। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দফতরও তাদের ট্যাংকার আটকের খবর নিশ্চিত করেছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এই পথে ট্যাংকার আটকের এমন ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাজ্য বলছে, পারস্য উপসাগরে ইরান তাদের দুটি জাহাজ আটক করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরমি হান্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, দ্রুত যদি এই সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে ‘মারাত্মক ফল’ ভোগ করতে হবে ইরানকে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরমি হান্ট বলেছেন, ‌‘আমরা এটা খুব স্পষ্ট করে বলছি, যদি খুব দ্রুত এই পরিস্থিতির সমাধান না হয় তাহলে এর মারাত্মক ফল ভোগ করতে হবে। আমরা কোনো সামরিক উপায় খুঁজছি না, আমরা এই পরিস্থিতির উত্তরণে কূটনৈতিক পথের কথা বলছি।’

ট্যাংকার আটকের ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাজ্যের মন্ত্রিসভা দুবার জরুরি বৈঠক করেছে। ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার এক মুখপাত্র বিবিসিকে জানান, ‌‘সরকার ইরানের এমন অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এর মাধ্যমে ইরান আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে কার্যক্রম চলানোর স্বাধীনতাকে চ্যালেঞ্জ করেছে।’

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের হরমুজগান প্রদেশের বন্দর ও সামুদ্রিক যান চলাচল বিষয়ক সংস্থার অনুরোধে ‘স্টেনা ইমরো’ নামের একটি ব্রিটিশ তেল ট্যাংকার আটক করা হয়েছে। ট্যাংকারটি উপকূলে আনা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে। এটিতে তল্লাশি চালানো হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের প্রতি সম্মান না দেখানোয় ইরানের ওই সংস্থা তেল ট্যাংকারটিকে আটকের অনুরোধ জানায়। তারই প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালী থেকে ২৩ ক্রু’সহ ট্যাংকারটি আটক করে তারা।

এর আগে গত ৪ জুলাই যুক্তরাজ্য নিয়ন্ত্রিত জিব্রাল্টার প্রণালী থেকে ইরানি তেলবাহী সুপার ট্যাংকার গ্রেস-ওয়ান আটক করে যুক্তরাজ্যের রয়্যাল নৌবাহিনী। ইতোমধ্যেই জাহাজের সব ক্রুকে মুক্তি দিলেও জাহাজটির বিষয়ে এখনও তদন্ত চালাচ্ছে জিব্রাল্টার কর্তৃপক্ষ।

পারস্য উপসাগরে টহলরত মার্কিন রণতরি ইউএসএস-বক্সার ইরানের একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলে গত বৃহস্পতিবার দাবি করেছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরান ট্রাম্পের ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। গত শুক্রবার মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান করার পরপরই তেহরানের ব্রিটিশ ট্যাংকার আটক করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ব্রিটিশ ট্যাংকার আটক করেছে ইরান, উত্তেজনা চরমে

আপডেট সময় : ১০:৫০:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক; 
হরমুজ প্রণালীতে ব্রিটিশ পতাকাবাহী একটি ট্যাংকার আটক করেছে ইরানের রেভ্যুলেশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। তেহরানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন লঙ্ঘন করায় শুক্রবার ব্রিটিশ ওই ট্যাংকারটি আটক করে তারা। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দফতরও তাদের ট্যাংকার আটকের খবর নিশ্চিত করেছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এই পথে ট্যাংকার আটকের এমন ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাজ্য বলছে, পারস্য উপসাগরে ইরান তাদের দুটি জাহাজ আটক করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরমি হান্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, দ্রুত যদি এই সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে ‘মারাত্মক ফল’ ভোগ করতে হবে ইরানকে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরমি হান্ট বলেছেন, ‌‘আমরা এটা খুব স্পষ্ট করে বলছি, যদি খুব দ্রুত এই পরিস্থিতির সমাধান না হয় তাহলে এর মারাত্মক ফল ভোগ করতে হবে। আমরা কোনো সামরিক উপায় খুঁজছি না, আমরা এই পরিস্থিতির উত্তরণে কূটনৈতিক পথের কথা বলছি।’

ট্যাংকার আটকের ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাজ্যের মন্ত্রিসভা দুবার জরুরি বৈঠক করেছে। ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার এক মুখপাত্র বিবিসিকে জানান, ‌‘সরকার ইরানের এমন অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এর মাধ্যমে ইরান আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে কার্যক্রম চলানোর স্বাধীনতাকে চ্যালেঞ্জ করেছে।’

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের হরমুজগান প্রদেশের বন্দর ও সামুদ্রিক যান চলাচল বিষয়ক সংস্থার অনুরোধে ‘স্টেনা ইমরো’ নামের একটি ব্রিটিশ তেল ট্যাংকার আটক করা হয়েছে। ট্যাংকারটি উপকূলে আনা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে। এটিতে তল্লাশি চালানো হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের প্রতি সম্মান না দেখানোয় ইরানের ওই সংস্থা তেল ট্যাংকারটিকে আটকের অনুরোধ জানায়। তারই প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালী থেকে ২৩ ক্রু’সহ ট্যাংকারটি আটক করে তারা।

এর আগে গত ৪ জুলাই যুক্তরাজ্য নিয়ন্ত্রিত জিব্রাল্টার প্রণালী থেকে ইরানি তেলবাহী সুপার ট্যাংকার গ্রেস-ওয়ান আটক করে যুক্তরাজ্যের রয়্যাল নৌবাহিনী। ইতোমধ্যেই জাহাজের সব ক্রুকে মুক্তি দিলেও জাহাজটির বিষয়ে এখনও তদন্ত চালাচ্ছে জিব্রাল্টার কর্তৃপক্ষ।

পারস্য উপসাগরে টহলরত মার্কিন রণতরি ইউএসএস-বক্সার ইরানের একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলে গত বৃহস্পতিবার দাবি করেছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরান ট্রাম্পের ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। গত শুক্রবার মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান করার পরপরই তেহরানের ব্রিটিশ ট্যাংকার আটক করে।