• ২৯শে জুলাই ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৪ই শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

জামায়াতের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারের সঙ্গে কারাগারে দেখা করলেন আইনজীবীরা

সকালের সংবাদ ডেস্ক;
প্রকাশিত নভেম্বর ১, ২০১৯, ১৫:০৩ অপরাহ্ণ
জামায়াতের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারের সঙ্গে কারাগারে দেখা করলেন আইনজীবীরা

অনলাইন প্রতিবেদনঃ
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকার রায় আসার পর কারাগারে এসে তার সঙ্গে দেখা করে গেলেন আইনজীবীরা।

পাঁচজন আইনজীবীর একটি দল শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে এসে আজহারের সঙ্গে দেখা করেন।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের জেলার বিকাশ রায়হান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তারা ১৫ মিনিটের মত ছিলেন। আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করার বিষয়ে তাদের কথা হয়েছে এবং আজহারুল ইসলাম তাতে সম্মতি দিয়েছেন বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

তবে পরিবারের কেউ রায়ের পর এই জামায়াত নেতার সঙ্গে দেখা করতে আসেননি বলে জেলার বিকাশ রায়হান জানান।

একাত্তর সালে হত্যা, গণহত্যা, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোসহ তিন অভিযোগে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামকে ফাঁসির দণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আজহার। এই আপিলের ওপর উভয়পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয় গত ১০ জুলাই। মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন আপিল বিভাগ।প্রসিকিউশনের আনা নয় ধরনের ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধের মধ্যে পাঁচটি এবং পরিকল্পনা-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি (ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) প্রমাণিত হয় তার বিরুদ্ধে।

এর মধ্যে মৃত্যুদণ্ডের রায় আসে রংপুর অঞ্চলে গণহত্যা চালিয়ে অন্তত ১৪০০ লোককে হত্যা এবং ১৪ জনকে খুনের অপরাধে।

এ ছাড়া ওই অঞ্চলের বহু নারীকে রংপুর টাউন হলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন কেন্দ্রে ধর্ষণের জন্য তুলে দেয়ার অভিযোগে আজহারকে ২৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এ ছাড়া অপহরণ ও আটকে রেখে নির্যাতনের আরেকটি ঘটনায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়। ট্রাইব্যুনালের এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি খালাস চেয়ে আপিল করেন জামায়াতে ইসলামীর এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল।

এর মধ্যে মৃত্যুদণ্ডের রায় আসে রংপুর অঞ্চলে গণহত্যা চালিয়ে অন্তত ১৪০০ লোককে হত্যা এবং ১৪ জনকে খুনের অপরাধে।

এ ছাড়া ওই অঞ্চলের বহু নারীকে রংপুর টাউন হলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন কেন্দ্রে ধর্ষণের জন্য তুলে দেয়ার অভিযোগে আজহারকে ২৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এ ছাড়া অপহরণ ও আটকে রেখে নির্যাতনের আরেকটি ঘটনায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়। ট্রাইব্যুনালের এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি খালাস চেয়ে আপিল করেন জামায়াতে ইসলামীর এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল।

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:০৪
  • ১২:০৮
  • ৪:৪৩
  • ৬:৪৯
  • ৮:১১
  • ৫:২৪
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!