বিএমপি’র তিন পুলিশের ত্রাসের রাজত্ব, নারী নির্যাতনের অভিযোগ!

সকালের সংবাদ ডেস্ক;সকালের সংবাদ ডেস্ক;
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:৪১ অপরাহ্ণ, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বিশেষ প্রতিবেদক| বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার এস আই সমিরণ মন্ডল সহ আরও দুজন এএসআই এর বিরুদ্ধে মাদক দিয়ে দুই নারীকে ফাসানো এবং ব্যাপক শারীরিক নির্যাতনের লিখিত অভিযোগ করেছেন এক ভুক্তভোগী। ভুক্তভোগী মামুন হাওলাদার গত ৬ সেপ্টেম্বর বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবর এক লিখিত অভিযোগে লেখেন তার স্ত্রী সূচনা বেগমকে ও বোন রেহেনা কে এসআই সমিরণ মন্ডল, বিধান ও সুমসহ অজ্ঞাত দুজন কনস্টেবল ৪৭ পিচ ইয়াবা দিয়ে ধরিয়ে মামলা দেয়। তার স্ত্রী ও বোনের নামে কোন ধরনের মাদক সেবন,বাণিজ্যের অভিযোগ নেই। তবুও মূল আসামি যাকে খুজে চলেছে পুলিশ (মামুন) তাকে না পেয়ে এ কাজ করেছে পুলিশের অভিযুক্ত সদস্যরা। এসময় তাদের ছাড়াতে দুই লাখ টাকাও চায় পুলিশ, এমনটাই লিখিত অভিযোগে লিখেছেন ভুক্তভোগী। তিনি আরও লেখেন এ অভিযান সম্পূর্ণ নারী পুলিশ সদস্য ছাড়া পরিচালনা করা হয় এবং পুরুষরাই মামলার আসামী নারীদের বিভিন্নস্থানে তল্লাশী করেন। এমনকি স্পর্শকাতর যায়গাও তল্লাশির নামে হাত দেন বলে অভিযোগ রয়েছে । ভয়ঙ্কর বিষয় হল, লিখিত অভিযোগটি সাক্ষর করে সাংবাদিকদের কপি দিয়ে আরেক কপি ঘরে রেখেছিলেন মামুন। সকালে তার পুলিশ কমিশনার এর কার্যালয়ে যাবার কথা ছিল। অথচ রাতেই বিষয়টি টের পেয়ে অভিযুক্তরা দ্রুত ধরে নিয়ে যায় ভুক্তভোগী মামুনকে।

এবিষয়ে মামুন ধরা পড়ার আগে সাংবাদিকদের একটি ভিডিও বক্তব্য দিয়েছিলেন যাতে, ওই একই অভিযোগ করে বিচার চান মামুন।

এ বিষয়ে বক্তব্য দেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার । তিনি প্রতিবেদককে জানান ” বিএমপি তথা পুলিশ বাহিনী একটি ঐতিহ্যবাহী সংস্থা। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ এর কোন সদস্য সে যেই হোক কোন অপরাধে লিপ্ত হলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। সমিরণ মন্ডল সহ বাকিদের অভিযোগ এর বিষয়টি এই জানলাম, অবশ্যই তদন্ত করে দোষী সাব্যস্ত হলে ব্যাবস্থা গ্রহন করবো।
……

আপনার মতামত লিখুন :