প্রবঞ্চক সময়- তুহিন মাহামুদ

সকালের সংবাদ ডেস্ক;সকালের সংবাদ ডেস্ক;
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:১৮ অপরাহ্ণ, ২৫ জুলাই ২০১৯

প্রবঞ্চক সময়- তুহিন মাহামুদ

সংখ্যা লঘু,সংখ্যা গুরুর হিসেব কেন করো ভাই?
সবাই মোরা মানুষ ভবে মিলে-মিশে থাকতে চাই।
একই মোদের আবাসভূমি এই মাটিতে জন্ম তাই
হিন্দু,বৌদ্ধ,মুসলিম,খৃষ্টান ভেদাভেদ কেন চাই?
সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মোরা বিবেক বুদ্ধি দিছে শাঁই মনুষ্যত্ববোধের অপমান তবে কেন করি সবাই।

শাদা-কালো,উঁচু-নিচু জাত ভেদাভেদ সব ভুলে
এসো সবে দেশ গড়ি অহিংসার ধ্বনি তুলে।
এই দেশেতে জন্ম আমার পিতামহ ঘুমিয়ে আছে
সম্প্রীতির বন্ধনে ছিলো তাঁরা সবে মিলেমিশে ।
বিশ্ব খুঁজে পাবে তুমি এমন দেশটি কোথায় আছে?
সকল ধর্মের সম্মান জাগে বঙ্গ মাতার ললাট জুড়ে।

চারিদিক জ্বলে উঠছে প্রতিহিংসার অনলে
ধর্ষন,খুঁন,লুট,গুম বেড়ে চলছে দিনে দিনে।
দূর্নীতি আর ঘুষের রাজ্যে মানুষ গুলো উঠছে জেগে
পশুত্ব আজ জেগে উঠছে মনুষ্যত্বের জায়গা জুড়ে|
পিতার বাহুতে কণ্যা কাঁদে ঘৃণা আর লজ্জাতে
সম্ভ্রম তাঁর লুট হচ্ছে জন্মদাতা পিতার হাতে|

শিক্ষক নামের ভন্ড গুলো ছাত্রীর বাহু চেপে ধরে
হায়নার মত রক্ত চুষে সমাজটাকে কলঙ্কিত করে।
ভাইয়ের হাতে ভাই খুঁন মা কাঁদে নীরবে
বাবার লাশ পরে থাকে পুত্রের দেয়া আঘাতে।
বোনের চোখে ঝরছে জল ভূঁগছে মা বৃদ্ধাশ্রমে,
ছেলে তাহার চাকরি করে কাটছে দিন মহা সুখে।

ধর্মের দোহাই দিয়ে ভন্ড লুফছে অর্থ নিজস্বার্থে
তাঁরাাই আবার দাঙ্গা সৃষ্টি করছে যুগে যুগে।
মানুষ হত্যার মহাপাপী সমাজ করে বন্দনা
সমাজসেবক সেজে আবার গড়ে তুলে আস্তানা।
এই জগতের তারাই বাদশা গরীব মরে ধুঁকে ধুঁকে
রাজনীতির যাতাকলে ঘুরছে সমাজ দূর্বিপাকে।

জেগে ওঠো তরুণ সমাজ এবার তোমরা গড়বে দিন
চেয়ে আছে তোমা পানে আঘাত হানবে লক্ষ বীর।
দূর্নীতি আর থাকবে নাকো জ্বলবে মশাল শিক্ষালয়ে
সততা আর জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়বে চতুর্দিকে।
ভন্ডরা সব লেজ গুটিয়ে মুখ লুকাবে অন্ধকারে
তোমারা কেবল ছুটবে সবে আলোর পথে দলে দলে।

আপনার মতামত লিখুন :