ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo টাটা মটরস বাংলাদেশে উদ্বোধন করলো টাটা যোদ্ধা Logo আশা শিক্ষা কর্মসূচী কর্তৃক অভিভাবক মতবিনিময় সভা Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত Logo শাবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ Logo সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিনুরের সীমাহীন সম্পদ ও অনিয়ম -পর্ব-০১ Logo তামাক সেবনের আলাদা কক্ষ বানালেন গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী: রয়েছে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ! Logo দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: কালবে সর্বোচ্চ পদ দখলে রেখেছে আগস্টিন! Logo আইআইএফসি ও মার্কটেল বাংলাদেশ’র মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী Logo সর্বজনীন পেনশন প্রত্যাহারে শাবি শিক্ষক সমিতি মৌন মিছিল ও কালোব্যাজ ধারণ




মাশরাফী পুরো দলকে আগলে রেখেছেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০১৯ ১০০ বার পড়া হয়েছে

আফতাফ আহমেদ স্পেসালঃ

অবাক লাগে মাশরাফীর যে রেকর্ড তা মানুষ এত সহজে কীভাবে ভুলে যায়! কীভাবে ভুলে যায় এই ছেলেটা কতগুলো বছর পায়ে কত কত স্ক্রু নিয়ে পারফরম করে যাচ্ছেন। এতগুলো মেজর অপারেশনের পরও মাশরাফী খেলছেন এটাই তো বিস্ময়। আমি নিজেই তো দেখেছি কত ক্রিকেটার সামান্য ইনজুরির পর আর সাহস পাননি। খেলা থেকে সরে গেছেন। দেশকে সার্ভিস দেননি আর। মাশরাফী এখানে মূর্তিমান ব্যতিক্রম। প্রচণ্ড সাহসী।

 

আমাদের আসলে চরিত্র বদল করতে হবে। মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা বলেছেন এটা তার শেষ বিশ্বকাপ, কিন্তু এই টুর্নামেন্টের পরও দেশের হয়ে ওয়ানডে খেলে যেতে চান। চলমান বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স খুব ভালো হচ্ছে না। তাই নিয়ে দেখছি লোকে কত কথা বলছে। আবার এই যে আরও খেলতে চান জানানোর পরও তা নিয়ে যার যা মনে আসছে তাই বলে দিচ্ছেন। সবাই এই মানুষটার অবদানের কথা ভুলে যাচ্ছেন। তামিম ইকবালের সমালোচনা যেমন দুঃখজনক, ঠিক তেমন করে এই সময়ে মাশরাফীর সমালোচনাও দুঃখজনক। বলছিলাম, আমাদের এই চরিত্রটা বদলাতে হবে।

ভাবতেও অবাক লাগে মাশরাফীর যে রেকর্ড তা মানুষ এত সহজে কীভাবে ভুলে যায়! কীভাবে ভুলে যায় এই ছেলেটা কতগুলো বছর পায়ে কত কত স্ক্রু নিয়ে পারফরম করে যাচ্ছেন। এতগুলো মেজর অপারেশনের পরও মাশরাফী খেলছেন এটাই তো বিস্ময়। আমি নিজেই তো দেখেছি কত ক্রিকেটার সামান্য ইনজুরির পর আর সাহস পাননি। খেলা থেকে সরে গেছেন। দেশকে সার্ভিস দেননি আর। মাশরাফী এখানে মূর্তিমান ব্যতিক্রম। প্রচণ্ড সাহসী।

পেশাদার দিক দিয়ে চিন্তা করলেও ব্যাপারটা ভিন্ন। এখন মাশরাফীর ফর্মটা ভালো যাচ্ছে না। বিশ্বকাপের পরও যদি তিনি দেশের পক্ষে খেলে যেতে চান তাহলে আমার মতে তাকে ফিটনেস নিয়ে আরও কিছুটা কাজ করতে হবে। কিন্তু সবকিছুর পরও ঠিক এই সময়ে মাশরাফীর সমালোচনা মেনে নেওয়া যায় না।

মাশরাফী এমন একজন ক্যাপ্টেন যে মাঠ ও মাঠের বাইরে দীর্ঘদিন ধরে দলকে খুব চমৎকারভাবে গুছিয়ে রেখেছেন। এই যে বাংলাদেশ দলের বদলে যাওয়া তা তো তার নেতৃত্বে। একজন অধিনায়ক দলকে গড়তেও পারেন আবার ধ্বংস করেও দিতে পারেন। কোচের ব্যাপারেও একই কথা। মাশরাফী এখানে ইতিবাচক ব্যাপারের উজ্জ্বলতম উদাহরণ। তিনি যেভাবে দলটাকে আগলে রেখেছেন তেমনটা তো আমি বর্তমান বিশ্বের অনেক অধিনায়কের মধ্যেই দেখি না।

কিছুকাল আগেও মাশরাফীর কোনো সমালোচনা আমরা শুনিনি। কিন্তু রাজনীতিতে যাওয়ার পর, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর হয়তো বিষয়টা বদলে গেছে। আমি দাড়ি রেখেছি বলে এখন অনেকে আমাকে চিনতে পারেন না। আমার সামনেই আমি কাউকে কাউকে বলতে শুনিছি, ‘ও এখন রাজনীতিতে চলে গেছে। মন এখন ওদিকে। খেলায় কি আর মন আছে?’ তাদের দাবি, খেলায় মন নেই।

এটা ঠিক, সবাইকে আপনি এক দাঁড়িপাল্লায় মাপতে পারবেন না। কেউ কেউ বলবে, রাজনীতিতে চলে গেছে। মাশরাফীর আর খেলার দরকার নেই। এই কথাগুলো যারা বলবে তাদের মুখ আপনি বন্ধ করতে পারবেন না। তারা যেকোনো অবস্থায় তা বলবে। কিন্তু তার এই রাজনীতিতে আসা এবং খেলা চালিয়ে যাওয়াকে মানুষ ভিন্ন ভিন্ন ভাবে দেখবে তাও অস্বীকার করার উপায় নেই। চলমান বিশ্বকাপে পেসাররা ভালো করছেন। সেখানে মাশরাফীর পারফরম্যান্স যদি আরেকটু ভালো হতো তাহলে কথাগুলো আসত না। পারফরম্যান্সের এই ঘাটতির সুযোগটাই নিচ্ছে অনেকে।

কিন্তু সাবেক ক্রিকেটার হিসেবে আমার একটা ব্যাপার খুব খারাপ লাগে। এই যে ক্রিকেটাররা ভালো করলে তাদের সবাই মাথায় তুলে নেয়। আবার একটু খারাপ হলেই তাদের মাটিতে নামিয়ে ফেলে। এমনটা কেন?

ধরুন, সাকিব আল হাসানের কথা। খুব ভাগ্য ভালো যে সাকিব অসাধারণ পারফরম করছেন বিশ্বকাপে। তা না হলে কী হতে পারত ভাবলে গা শিউরে ওঠে। কারণ, বিশ্বকাপের আগে তার সমালোচনা চলছিল। বিশ্বকাপ দলের ফটোসেশনে ছিলেন না। তা নিয়ে কত কথা। আরও অনেক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। দুর্দান্ত পারফরম করছেন বলে সাকিব তো হিসেবে বেঁচে গেছেন।

মাশরাফীর ব্যাপারে বলতে চাই, তিনি একজন কিংবদন্তি। ২০ বছর ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে তিনি যে সার্ভিস দিয়ে আসছেন তা আপনি মুহূর্তের মধ্যে ভুলে যেতে পারেন না। এটা অন্যায়। তামিমকে নিয়ে কথা বলছেন। এমনকি মুশফিকুর রহিমকে নিয়েও। মুশফিককে নিয়ে কীভাবে কথা ওঠে? যখন নিয়মিত পারফরম করতে পারবেন না তখন ওরা নিজেরাই সরে যাবেন। কিন্তু এখন এসব কেন?

এটা সবার বোঝা উচিত, খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা টুর্নামেন্ট চলছে। আমাদের বাংলাদেশ দল সেমিফাইনালে খেলার আশা এখনো বাঁচিয়ে রেখেছে। মাশরাফীর নেতৃত্বে তারা অসাধারণ খেলছেন। এখন চলমান আসর থেকে তো কেউ মাশরাফীকে টেনে নামিয়ে আনতে পারবেন না। যদি আপনাদের এত সমালোচনা, নিন্দা-মন্দ করতে মন চায় তাহলে একটু অপেক্ষা করুন। বিশ্বকাপ শেষ হতে দিন। এখন যা চলছে তাতে পরের ম্যাচে বল করতে গিয়ে মাশরাফীর মনে যদি সেটা ঘুরতে থাকে এবং বোলিং ভালো না হয় তাহলে ক্ষতিটা কার? এই দেশের ১৬/১৭ কোটি মানুষের ক্ষতি। এটা আমাদের পুরো বাংলাদেশের ক্ষতি।

তাই যখন-তখন এই যে সমালোচনা আর নানা কথার আঘাতে ক্রিকেটারদের বিদ্ধ করার প্রবণতা তা থেকে সবাইকে দূরে থাকার অনুরোধ করি আমি। এই চরিত্র বদলানো দরকার। খুব দরকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




মাশরাফী পুরো দলকে আগলে রেখেছেন

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০১৯

আফতাফ আহমেদ স্পেসালঃ

অবাক লাগে মাশরাফীর যে রেকর্ড তা মানুষ এত সহজে কীভাবে ভুলে যায়! কীভাবে ভুলে যায় এই ছেলেটা কতগুলো বছর পায়ে কত কত স্ক্রু নিয়ে পারফরম করে যাচ্ছেন। এতগুলো মেজর অপারেশনের পরও মাশরাফী খেলছেন এটাই তো বিস্ময়। আমি নিজেই তো দেখেছি কত ক্রিকেটার সামান্য ইনজুরির পর আর সাহস পাননি। খেলা থেকে সরে গেছেন। দেশকে সার্ভিস দেননি আর। মাশরাফী এখানে মূর্তিমান ব্যতিক্রম। প্রচণ্ড সাহসী।

 

আমাদের আসলে চরিত্র বদল করতে হবে। মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা বলেছেন এটা তার শেষ বিশ্বকাপ, কিন্তু এই টুর্নামেন্টের পরও দেশের হয়ে ওয়ানডে খেলে যেতে চান। চলমান বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স খুব ভালো হচ্ছে না। তাই নিয়ে দেখছি লোকে কত কথা বলছে। আবার এই যে আরও খেলতে চান জানানোর পরও তা নিয়ে যার যা মনে আসছে তাই বলে দিচ্ছেন। সবাই এই মানুষটার অবদানের কথা ভুলে যাচ্ছেন। তামিম ইকবালের সমালোচনা যেমন দুঃখজনক, ঠিক তেমন করে এই সময়ে মাশরাফীর সমালোচনাও দুঃখজনক। বলছিলাম, আমাদের এই চরিত্রটা বদলাতে হবে।

ভাবতেও অবাক লাগে মাশরাফীর যে রেকর্ড তা মানুষ এত সহজে কীভাবে ভুলে যায়! কীভাবে ভুলে যায় এই ছেলেটা কতগুলো বছর পায়ে কত কত স্ক্রু নিয়ে পারফরম করে যাচ্ছেন। এতগুলো মেজর অপারেশনের পরও মাশরাফী খেলছেন এটাই তো বিস্ময়। আমি নিজেই তো দেখেছি কত ক্রিকেটার সামান্য ইনজুরির পর আর সাহস পাননি। খেলা থেকে সরে গেছেন। দেশকে সার্ভিস দেননি আর। মাশরাফী এখানে মূর্তিমান ব্যতিক্রম। প্রচণ্ড সাহসী।

পেশাদার দিক দিয়ে চিন্তা করলেও ব্যাপারটা ভিন্ন। এখন মাশরাফীর ফর্মটা ভালো যাচ্ছে না। বিশ্বকাপের পরও যদি তিনি দেশের পক্ষে খেলে যেতে চান তাহলে আমার মতে তাকে ফিটনেস নিয়ে আরও কিছুটা কাজ করতে হবে। কিন্তু সবকিছুর পরও ঠিক এই সময়ে মাশরাফীর সমালোচনা মেনে নেওয়া যায় না।

মাশরাফী এমন একজন ক্যাপ্টেন যে মাঠ ও মাঠের বাইরে দীর্ঘদিন ধরে দলকে খুব চমৎকারভাবে গুছিয়ে রেখেছেন। এই যে বাংলাদেশ দলের বদলে যাওয়া তা তো তার নেতৃত্বে। একজন অধিনায়ক দলকে গড়তেও পারেন আবার ধ্বংস করেও দিতে পারেন। কোচের ব্যাপারেও একই কথা। মাশরাফী এখানে ইতিবাচক ব্যাপারের উজ্জ্বলতম উদাহরণ। তিনি যেভাবে দলটাকে আগলে রেখেছেন তেমনটা তো আমি বর্তমান বিশ্বের অনেক অধিনায়কের মধ্যেই দেখি না।

কিছুকাল আগেও মাশরাফীর কোনো সমালোচনা আমরা শুনিনি। কিন্তু রাজনীতিতে যাওয়ার পর, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর হয়তো বিষয়টা বদলে গেছে। আমি দাড়ি রেখেছি বলে এখন অনেকে আমাকে চিনতে পারেন না। আমার সামনেই আমি কাউকে কাউকে বলতে শুনিছি, ‘ও এখন রাজনীতিতে চলে গেছে। মন এখন ওদিকে। খেলায় কি আর মন আছে?’ তাদের দাবি, খেলায় মন নেই।

এটা ঠিক, সবাইকে আপনি এক দাঁড়িপাল্লায় মাপতে পারবেন না। কেউ কেউ বলবে, রাজনীতিতে চলে গেছে। মাশরাফীর আর খেলার দরকার নেই। এই কথাগুলো যারা বলবে তাদের মুখ আপনি বন্ধ করতে পারবেন না। তারা যেকোনো অবস্থায় তা বলবে। কিন্তু তার এই রাজনীতিতে আসা এবং খেলা চালিয়ে যাওয়াকে মানুষ ভিন্ন ভিন্ন ভাবে দেখবে তাও অস্বীকার করার উপায় নেই। চলমান বিশ্বকাপে পেসাররা ভালো করছেন। সেখানে মাশরাফীর পারফরম্যান্স যদি আরেকটু ভালো হতো তাহলে কথাগুলো আসত না। পারফরম্যান্সের এই ঘাটতির সুযোগটাই নিচ্ছে অনেকে।

কিন্তু সাবেক ক্রিকেটার হিসেবে আমার একটা ব্যাপার খুব খারাপ লাগে। এই যে ক্রিকেটাররা ভালো করলে তাদের সবাই মাথায় তুলে নেয়। আবার একটু খারাপ হলেই তাদের মাটিতে নামিয়ে ফেলে। এমনটা কেন?

ধরুন, সাকিব আল হাসানের কথা। খুব ভাগ্য ভালো যে সাকিব অসাধারণ পারফরম করছেন বিশ্বকাপে। তা না হলে কী হতে পারত ভাবলে গা শিউরে ওঠে। কারণ, বিশ্বকাপের আগে তার সমালোচনা চলছিল। বিশ্বকাপ দলের ফটোসেশনে ছিলেন না। তা নিয়ে কত কথা। আরও অনেক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। দুর্দান্ত পারফরম করছেন বলে সাকিব তো হিসেবে বেঁচে গেছেন।

মাশরাফীর ব্যাপারে বলতে চাই, তিনি একজন কিংবদন্তি। ২০ বছর ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে তিনি যে সার্ভিস দিয়ে আসছেন তা আপনি মুহূর্তের মধ্যে ভুলে যেতে পারেন না। এটা অন্যায়। তামিমকে নিয়ে কথা বলছেন। এমনকি মুশফিকুর রহিমকে নিয়েও। মুশফিককে নিয়ে কীভাবে কথা ওঠে? যখন নিয়মিত পারফরম করতে পারবেন না তখন ওরা নিজেরাই সরে যাবেন। কিন্তু এখন এসব কেন?

এটা সবার বোঝা উচিত, খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা টুর্নামেন্ট চলছে। আমাদের বাংলাদেশ দল সেমিফাইনালে খেলার আশা এখনো বাঁচিয়ে রেখেছে। মাশরাফীর নেতৃত্বে তারা অসাধারণ খেলছেন। এখন চলমান আসর থেকে তো কেউ মাশরাফীকে টেনে নামিয়ে আনতে পারবেন না। যদি আপনাদের এত সমালোচনা, নিন্দা-মন্দ করতে মন চায় তাহলে একটু অপেক্ষা করুন। বিশ্বকাপ শেষ হতে দিন। এখন যা চলছে তাতে পরের ম্যাচে বল করতে গিয়ে মাশরাফীর মনে যদি সেটা ঘুরতে থাকে এবং বোলিং ভালো না হয় তাহলে ক্ষতিটা কার? এই দেশের ১৬/১৭ কোটি মানুষের ক্ষতি। এটা আমাদের পুরো বাংলাদেশের ক্ষতি।

তাই যখন-তখন এই যে সমালোচনা আর নানা কথার আঘাতে ক্রিকেটারদের বিদ্ধ করার প্রবণতা তা থেকে সবাইকে দূরে থাকার অনুরোধ করি আমি। এই চরিত্র বদলানো দরকার। খুব দরকার।