ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

কুমিল্লায় পুলিশ কনস্টেবল কর্তৃক প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯ ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা, বুড়িচং প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার উপজেলা শশীদল ইউনিয়ন এর আশাবাড়ী গ্রামের প্রবাসী জনাব মোঃ তোতা মিয়ার (৫০) স্ত্রী মোসাঃবকুল আক্তার (৪৫) কে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর থানার পুলিশ কনস্টেবল মোঃ খোরশেদ আলম (২৮) পিতা মোঃ মফিজুল ইসলাম(৬০) মাতা মোসাঃ রহিমা বেগম (৫০) পুলিশ কনস্টেবল এর স্ত্রী মোসাঃ লিজা আক্তার (২২) দ্বারা কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠে। বকুল আক্তারের স্বামী সৌদি আরবের প্রবাসী। তার সন্তান মোঃরিপন মিয়া (২২) বাদী হয়ে ব্রাহ্মণপাড়ায় থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে শামস্উদ্দীন মোহাম্মদ ইলিয়াছ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সাপেক্ষে মোঃ মফিজুল ইসলামকে আটক করেন।

ঘটনার বিবরনে জানা যায় মোসাঃ বকুল আক্তার গত ২১-০৬-২০১৯ তারিখ রোজ শুক্রবার মাগরিবের আজানের পর পর বাড়ির আশে পাশে মুরগি ও অন্যান্য গৃহ পালিত পশু পাখি খুঁজাখুজি করছিল। এমন অবস্থায় তার বাড়ির পাশের মফিজুল ইসলাম সম্পর্কে চাচা শশুর ঘরে জগড়া কলহ চলছিল। কনস্টেবল মোঃ খোরশেদ আলম এ সময় পরিবারের সাথে পুলিশের পোশাক পরনের অবস্থায় বাক বিতান্দা করছিল। ডিউটি অবস্থায় খনিকের জন্য সে তার বাড়িতে চলে আসে। মোসাঃ বকুল আক্তার তাদের জগড়া থামিয়ে পরের দিন সকালে সমাধান করতে বলে। এক সময় কথার জের ধরে বকুল আক্তারের সাথে খারাপ আচরণ শুরু হয়। পরে বকুল আক্তার ভয়ে ঘরে চলে আসে। এক পর্যায়ে আসামিরা বকুল আক্তারের সাথে অকারন বশত জগড়ায় জরিয়ে পরে। পুলিশ কনস্টেবল তার বাবা মা ও স্ত্রীকে নিয়ে ঘর থেকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বকুল আক্তারকে কুপিয়ে জখম করে। স্হানীয় লোকজন জানায় তখন সে পুলিশ কনস্টেবল মাদকাসক্ত ছিল। সে প্রায়ই পোশাক পরনের অবস্থায় ছুটিতে বাড়ি চলে আসে এবং এলাকার মানুষের সাথে পুলিশের ক্ষমতা দেখায়। স্হানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় বকুল আক্তারকে কুমিল্লা মেডিকেল হসপিটালে ভর্তি করেন। নিজেকে নির্দোষ প্রমান পুলিশ কনস্টেবল তাড়াহুড়া করে নিজ কর্মস্হলে চলে যায়। যাওয়ার সময় ভুল করে তার পুলিশের দেয়া জুতা ফেলে সেন্ডল জুতা পরে চলে যায়। পুলিশ তদন্ত অফিসার তার আসার প্রমান স্বরূপ জুতা ও প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী উদ্ধার করে। পুলিশ কনস্টেবল এর বাবা মফিজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। তাকে জিজ্ঞেসা বাদে ২৩ ই জুন রবিবার ১২ টার সময় জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

ব্রাহ্মণপাড়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান কবির সকালের সংবাদকে বলেন, হত্যাচেষ্টার অভিযোগে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাদী হয়ে তার ছেলে রিপন থানায় মামলা করেছেন। এবং একজন আসামিকে জেল হাজতে পাঠানো হয়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

কুমিল্লায় পুলিশ কনস্টেবল কর্তৃক প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা!

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯

কুমিল্লা, বুড়িচং প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার উপজেলা শশীদল ইউনিয়ন এর আশাবাড়ী গ্রামের প্রবাসী জনাব মোঃ তোতা মিয়ার (৫০) স্ত্রী মোসাঃবকুল আক্তার (৪৫) কে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর থানার পুলিশ কনস্টেবল মোঃ খোরশেদ আলম (২৮) পিতা মোঃ মফিজুল ইসলাম(৬০) মাতা মোসাঃ রহিমা বেগম (৫০) পুলিশ কনস্টেবল এর স্ত্রী মোসাঃ লিজা আক্তার (২২) দ্বারা কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠে। বকুল আক্তারের স্বামী সৌদি আরবের প্রবাসী। তার সন্তান মোঃরিপন মিয়া (২২) বাদী হয়ে ব্রাহ্মণপাড়ায় থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে শামস্উদ্দীন মোহাম্মদ ইলিয়াছ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সাপেক্ষে মোঃ মফিজুল ইসলামকে আটক করেন।

ঘটনার বিবরনে জানা যায় মোসাঃ বকুল আক্তার গত ২১-০৬-২০১৯ তারিখ রোজ শুক্রবার মাগরিবের আজানের পর পর বাড়ির আশে পাশে মুরগি ও অন্যান্য গৃহ পালিত পশু পাখি খুঁজাখুজি করছিল। এমন অবস্থায় তার বাড়ির পাশের মফিজুল ইসলাম সম্পর্কে চাচা শশুর ঘরে জগড়া কলহ চলছিল। কনস্টেবল মোঃ খোরশেদ আলম এ সময় পরিবারের সাথে পুলিশের পোশাক পরনের অবস্থায় বাক বিতান্দা করছিল। ডিউটি অবস্থায় খনিকের জন্য সে তার বাড়িতে চলে আসে। মোসাঃ বকুল আক্তার তাদের জগড়া থামিয়ে পরের দিন সকালে সমাধান করতে বলে। এক সময় কথার জের ধরে বকুল আক্তারের সাথে খারাপ আচরণ শুরু হয়। পরে বকুল আক্তার ভয়ে ঘরে চলে আসে। এক পর্যায়ে আসামিরা বকুল আক্তারের সাথে অকারন বশত জগড়ায় জরিয়ে পরে। পুলিশ কনস্টেবল তার বাবা মা ও স্ত্রীকে নিয়ে ঘর থেকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বকুল আক্তারকে কুপিয়ে জখম করে। স্হানীয় লোকজন জানায় তখন সে পুলিশ কনস্টেবল মাদকাসক্ত ছিল। সে প্রায়ই পোশাক পরনের অবস্থায় ছুটিতে বাড়ি চলে আসে এবং এলাকার মানুষের সাথে পুলিশের ক্ষমতা দেখায়। স্হানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় বকুল আক্তারকে কুমিল্লা মেডিকেল হসপিটালে ভর্তি করেন। নিজেকে নির্দোষ প্রমান পুলিশ কনস্টেবল তাড়াহুড়া করে নিজ কর্মস্হলে চলে যায়। যাওয়ার সময় ভুল করে তার পুলিশের দেয়া জুতা ফেলে সেন্ডল জুতা পরে চলে যায়। পুলিশ তদন্ত অফিসার তার আসার প্রমান স্বরূপ জুতা ও প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী উদ্ধার করে। পুলিশ কনস্টেবল এর বাবা মফিজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। তাকে জিজ্ঞেসা বাদে ২৩ ই জুন রবিবার ১২ টার সময় জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

ব্রাহ্মণপাড়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান কবির সকালের সংবাদকে বলেন, হত্যাচেষ্টার অভিযোগে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাদী হয়ে তার ছেলে রিপন থানায় মামলা করেছেন। এবং একজন আসামিকে জেল হাজতে পাঠানো হয়ে।