ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লঞ্চ থেকে মেঘনায় লাফ দেওয়া যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার, প্রশংসায় নৌ পুলিশের তৎপরতা Logo স্থানীয় কৃষকদের থেকে ভাড়ায় জমি নিয়ে সাইন বোর্ড: প্লট বানিজ্যের নামে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী কর্তৃপক্ষ’র প্রতারণা Logo “নৌ-খাতের সিমুলেটর বাণিজ্যের লুটেরা সিন্ডিকেট সাব্বির মাদানি” Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ত্রাসের রাজত্ব! নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও দূর্নীতির অভিযোগ Logo ‘শিশু হাসপাতালে উপ-পরিচালক নেছার উদ্দীন সিন্ডিকেটের দুর্নীতি ও লুটপাট’ Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি Logo মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা: রাজধানীর বিএনপিতে কোন পথে যাচ্ছে নেতৃত্ব? Logo অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি Logo পথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি Logo সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

মা-মেয়েকে অচেতন করে মেয়েকে ধর্ষণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ ৩১৬ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নে নিজ মেয়েকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে মাদকাসক্ত শহীদ উল্যা (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতারকৃত শহীদ উল্যাকে আজ রবিবার দুপুরে কারাগারে প্রেরণ ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আজ দুপুরে ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত শহীদ উল্যা অর্জুনতলা ইউনিয়নের নাজিরনগর গ্রামের আশ্রাফ আলীর ছেলে। ভিকটিম ছিলোনীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শহীদ উল্যা এক মেয়ে ও তিন ছেলের জনক। স্থানীয় ছিলোনীয়া বাজারে তার একটি চা দোকান আছে। গত দুই মাস থেকে প্রতিদিন রাতে সেই চা দোকান বন্ধ করে এসে পরিবারের লোকজনের সাথে রাতের খাওয়া শেষ করতো। কিন্তু এর মধ্যে প্রায় রাতে সবার অজান্তে তার স্ত্রী আমেনা খাতুন ও মেয়ের (১৪) খাওয়ার মধ্যে সে নেশা বা ঘুমের ওষধ মিশিয়ে দিতো। পরে তারা ঘুমিয়ে গেলে ঘুমের মধ্যে মেয়েকে (১৪) ধর্ষণ করতো শহীদ উল্যা।

কয়েক দিন আগে ঘটনা টের পেয়ে ভিকটিম তার মাকে বিষয়টি জানায়। এর সূত্র ধরে গত কয়েকদিন আগে শহীদ আসার আগে তারা রাতের খাওয়া শেষ করে শুয়ে যেতো এবং আমেনা মেয়েকে পাহারা দিত। এক পর্যায়ে গত দু’দিন আগে শহীদ তার মেয়ের রুমে গিয়ে ঘুমের মধ্যে ভিকটিমকে ধর্ষণ করার সময় তাকে হাতেনাতে ধরে পেলে আমেনা। পরে বিষয়টি কাউকে বললে তাদের মা-মেয়েকে হত্যা করার হুমকি দেয় শহীদ। কিন্তু এরমধ্যে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায় ভিকটিমের।

পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে শনিবার বিকেলে ভিকটিম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্রধরে ওই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ ছিলোনীয়া বাজারে অভিযান চালিয়ে শহীদ উল্যাকে গ্রেপ্তার করে। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, শহীদ উল্যা একজন মাদকাসক্ত ও জুয়াড়ি।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে মেয়েকে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছে গ্রেফতারকৃত শহীদ উল্যা। গ্রেপ্তারকৃত শহীদ উল্যাকে দুপুরে কারাগারে প্রেরণ ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মা-মেয়েকে অচেতন করে মেয়েকে ধর্ষণ

আপডেট সময় : ০৫:২৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নে নিজ মেয়েকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে মাদকাসক্ত শহীদ উল্যা (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতারকৃত শহীদ উল্যাকে আজ রবিবার দুপুরে কারাগারে প্রেরণ ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আজ দুপুরে ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত শহীদ উল্যা অর্জুনতলা ইউনিয়নের নাজিরনগর গ্রামের আশ্রাফ আলীর ছেলে। ভিকটিম ছিলোনীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শহীদ উল্যা এক মেয়ে ও তিন ছেলের জনক। স্থানীয় ছিলোনীয়া বাজারে তার একটি চা দোকান আছে। গত দুই মাস থেকে প্রতিদিন রাতে সেই চা দোকান বন্ধ করে এসে পরিবারের লোকজনের সাথে রাতের খাওয়া শেষ করতো। কিন্তু এর মধ্যে প্রায় রাতে সবার অজান্তে তার স্ত্রী আমেনা খাতুন ও মেয়ের (১৪) খাওয়ার মধ্যে সে নেশা বা ঘুমের ওষধ মিশিয়ে দিতো। পরে তারা ঘুমিয়ে গেলে ঘুমের মধ্যে মেয়েকে (১৪) ধর্ষণ করতো শহীদ উল্যা।

কয়েক দিন আগে ঘটনা টের পেয়ে ভিকটিম তার মাকে বিষয়টি জানায়। এর সূত্র ধরে গত কয়েকদিন আগে শহীদ আসার আগে তারা রাতের খাওয়া শেষ করে শুয়ে যেতো এবং আমেনা মেয়েকে পাহারা দিত। এক পর্যায়ে গত দু’দিন আগে শহীদ তার মেয়ের রুমে গিয়ে ঘুমের মধ্যে ভিকটিমকে ধর্ষণ করার সময় তাকে হাতেনাতে ধরে পেলে আমেনা। পরে বিষয়টি কাউকে বললে তাদের মা-মেয়েকে হত্যা করার হুমকি দেয় শহীদ। কিন্তু এরমধ্যে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায় ভিকটিমের।

পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে শনিবার বিকেলে ভিকটিম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্রধরে ওই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ ছিলোনীয়া বাজারে অভিযান চালিয়ে শহীদ উল্যাকে গ্রেপ্তার করে। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, শহীদ উল্যা একজন মাদকাসক্ত ও জুয়াড়ি।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে মেয়েকে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছে গ্রেফতারকৃত শহীদ উল্যা। গ্রেপ্তারকৃত শহীদ উল্যাকে দুপুরে কারাগারে প্রেরণ ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।