ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ১৭ মার্চ ও ২৬ মার্চের আহ্বায়কসহ তিনজনকে প্রত্যাহারের আহ্বান কুবি শিক্ষক সমিতির Logo সিলেটে সাইবার ট্রাইব্যুনালে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের Logo ড. ইউনূসের মামলা পর্যবেক্ষণ করছে জাতিসংঘ Logo কাভার্ডভ্যান ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ছাত্র নিহত, আহত ৩ Logo রাজশাহীতে যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫ Logo এবার ঢাবি অধ্যাপক নাদিরের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ  Logo সন্দ্বীপ থানার ওসির পিপিএম পদক লাভ Logo মালয়েশিয়ায় ১৩৪ বাংলাদেশি গ্রেফতার Logo শাবির ছাত্রীহলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্থাপন, কমবে চুরি ও বহিরাগত প্রবেশ, বাড়বে নিরাপত্তা Logo গণতন্ত্র মঞ্চের কর্মসূচিতে হামলার নিন্দা ১২ দলীয় জোটের




মা-মেয়েকে অচেতন করে মেয়েকে ধর্ষণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ ১১৫ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নে নিজ মেয়েকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে মাদকাসক্ত শহীদ উল্যা (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতারকৃত শহীদ উল্যাকে আজ রবিবার দুপুরে কারাগারে প্রেরণ ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আজ দুপুরে ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত শহীদ উল্যা অর্জুনতলা ইউনিয়নের নাজিরনগর গ্রামের আশ্রাফ আলীর ছেলে। ভিকটিম ছিলোনীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শহীদ উল্যা এক মেয়ে ও তিন ছেলের জনক। স্থানীয় ছিলোনীয়া বাজারে তার একটি চা দোকান আছে। গত দুই মাস থেকে প্রতিদিন রাতে সেই চা দোকান বন্ধ করে এসে পরিবারের লোকজনের সাথে রাতের খাওয়া শেষ করতো। কিন্তু এর মধ্যে প্রায় রাতে সবার অজান্তে তার স্ত্রী আমেনা খাতুন ও মেয়ের (১৪) খাওয়ার মধ্যে সে নেশা বা ঘুমের ওষধ মিশিয়ে দিতো। পরে তারা ঘুমিয়ে গেলে ঘুমের মধ্যে মেয়েকে (১৪) ধর্ষণ করতো শহীদ উল্যা।

কয়েক দিন আগে ঘটনা টের পেয়ে ভিকটিম তার মাকে বিষয়টি জানায়। এর সূত্র ধরে গত কয়েকদিন আগে শহীদ আসার আগে তারা রাতের খাওয়া শেষ করে শুয়ে যেতো এবং আমেনা মেয়েকে পাহারা দিত। এক পর্যায়ে গত দু’দিন আগে শহীদ তার মেয়ের রুমে গিয়ে ঘুমের মধ্যে ভিকটিমকে ধর্ষণ করার সময় তাকে হাতেনাতে ধরে পেলে আমেনা। পরে বিষয়টি কাউকে বললে তাদের মা-মেয়েকে হত্যা করার হুমকি দেয় শহীদ। কিন্তু এরমধ্যে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায় ভিকটিমের।

পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে শনিবার বিকেলে ভিকটিম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্রধরে ওই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ ছিলোনীয়া বাজারে অভিযান চালিয়ে শহীদ উল্যাকে গ্রেপ্তার করে। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, শহীদ উল্যা একজন মাদকাসক্ত ও জুয়াড়ি।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে মেয়েকে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছে গ্রেফতারকৃত শহীদ উল্যা। গ্রেপ্তারকৃত শহীদ উল্যাকে দুপুরে কারাগারে প্রেরণ ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




মা-মেয়েকে অচেতন করে মেয়েকে ধর্ষণ

আপডেট সময় : ০৫:২৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নে নিজ মেয়েকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে মাদকাসক্ত শহীদ উল্যা (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতারকৃত শহীদ উল্যাকে আজ রবিবার দুপুরে কারাগারে প্রেরণ ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আজ দুপুরে ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত শহীদ উল্যা অর্জুনতলা ইউনিয়নের নাজিরনগর গ্রামের আশ্রাফ আলীর ছেলে। ভিকটিম ছিলোনীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শহীদ উল্যা এক মেয়ে ও তিন ছেলের জনক। স্থানীয় ছিলোনীয়া বাজারে তার একটি চা দোকান আছে। গত দুই মাস থেকে প্রতিদিন রাতে সেই চা দোকান বন্ধ করে এসে পরিবারের লোকজনের সাথে রাতের খাওয়া শেষ করতো। কিন্তু এর মধ্যে প্রায় রাতে সবার অজান্তে তার স্ত্রী আমেনা খাতুন ও মেয়ের (১৪) খাওয়ার মধ্যে সে নেশা বা ঘুমের ওষধ মিশিয়ে দিতো। পরে তারা ঘুমিয়ে গেলে ঘুমের মধ্যে মেয়েকে (১৪) ধর্ষণ করতো শহীদ উল্যা।

কয়েক দিন আগে ঘটনা টের পেয়ে ভিকটিম তার মাকে বিষয়টি জানায়। এর সূত্র ধরে গত কয়েকদিন আগে শহীদ আসার আগে তারা রাতের খাওয়া শেষ করে শুয়ে যেতো এবং আমেনা মেয়েকে পাহারা দিত। এক পর্যায়ে গত দু’দিন আগে শহীদ তার মেয়ের রুমে গিয়ে ঘুমের মধ্যে ভিকটিমকে ধর্ষণ করার সময় তাকে হাতেনাতে ধরে পেলে আমেনা। পরে বিষয়টি কাউকে বললে তাদের মা-মেয়েকে হত্যা করার হুমকি দেয় শহীদ। কিন্তু এরমধ্যে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায় ভিকটিমের।

পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে শনিবার বিকেলে ভিকটিম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্রধরে ওই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ ছিলোনীয়া বাজারে অভিযান চালিয়ে শহীদ উল্যাকে গ্রেপ্তার করে। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, শহীদ উল্যা একজন মাদকাসক্ত ও জুয়াড়ি।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে মেয়েকে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছে গ্রেফতারকৃত শহীদ উল্যা। গ্রেপ্তারকৃত শহীদ উল্যাকে দুপুরে কারাগারে প্রেরণ ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।