ঢাকা ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ভয়, ওসিসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯ ৩০১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক;

থানায় ডেকে নিয়ে মারধর ও ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগে নগরের পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়াসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন মো. মিজানুর রহমান নামের এক ব্যবসায়ী।

বুধবার (২২ মে) চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মো. সফি উদ্দিনের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত মামলা গ্রহণ করে তদন্তের জন্য নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাসান মাহমুদ চৌধুরী। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া, নগরীর জিইসি মোড় এলাকার বাসিন্দা রোকন উদ্দিন, ইয়াছিন আরাফাত, রোকন, সোহেল, ফুয়াদ ও হাসান।

মামলার বাদী মিজানুর রহমান নগরীর হালিশহরের বাসিন্দা ও নৌবাহিনীর তালিকাভুক্ত ঠিকাদার বলে জানা গেছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান পার্টিকেল পয়েন্ট নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ঠিকাদারী মালামাল নগদে ক্রয় করতেন। কিন্তু সরবরাহকৃত মালামালের গুণগত মান খারাপ হওয়ায় এক বছর আগেই তিনি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য ক্রয় বন্ধ করে দেন।

গত ২৫ এপ্রিল আসামি রোকন উদ্দিন, ইয়াছিন আরাফাত, রোকন, সোহেল, ফুয়াদ ও হাসান পরস্পর জোগ-সাজোশে নগরের জিইসি মোড় এবি ব্যাংকের সামনে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। অস্ত্রধরে বিকাশের মাধ্যমেও বিভিন্ন অঙ্কের টাকা আদায় করেন। এভাবে মোট ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা নেয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়- তাদের কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে মিজানুর যান পাঁচলাইশ থানায় মামলা করতে। কিন্তু ওসি মামলা না নিয়ে আপস-মিমাংসার মাধ্যমে টাকা উদ্ধারের প্রস্তাব দেন।

১৪ মে পূর্বনির্ধারিত বৈঠকের জন্য থানায় গেলে ওসি ও অভিযুক্তরা মিলে তাকে মারধর করে এবং ইয়াবা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। এরপর জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়া হয়। থানায় বিচার না পাওয়ায় বাদী আদালতের আশ্রয় নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ভয়, ওসিসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ১০:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক;

থানায় ডেকে নিয়ে মারধর ও ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগে নগরের পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়াসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন মো. মিজানুর রহমান নামের এক ব্যবসায়ী।

বুধবার (২২ মে) চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মো. সফি উদ্দিনের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত মামলা গ্রহণ করে তদন্তের জন্য নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাসান মাহমুদ চৌধুরী। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া, নগরীর জিইসি মোড় এলাকার বাসিন্দা রোকন উদ্দিন, ইয়াছিন আরাফাত, রোকন, সোহেল, ফুয়াদ ও হাসান।

মামলার বাদী মিজানুর রহমান নগরীর হালিশহরের বাসিন্দা ও নৌবাহিনীর তালিকাভুক্ত ঠিকাদার বলে জানা গেছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান পার্টিকেল পয়েন্ট নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ঠিকাদারী মালামাল নগদে ক্রয় করতেন। কিন্তু সরবরাহকৃত মালামালের গুণগত মান খারাপ হওয়ায় এক বছর আগেই তিনি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য ক্রয় বন্ধ করে দেন।

গত ২৫ এপ্রিল আসামি রোকন উদ্দিন, ইয়াছিন আরাফাত, রোকন, সোহেল, ফুয়াদ ও হাসান পরস্পর জোগ-সাজোশে নগরের জিইসি মোড় এবি ব্যাংকের সামনে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। অস্ত্রধরে বিকাশের মাধ্যমেও বিভিন্ন অঙ্কের টাকা আদায় করেন। এভাবে মোট ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা নেয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়- তাদের কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে মিজানুর যান পাঁচলাইশ থানায় মামলা করতে। কিন্তু ওসি মামলা না নিয়ে আপস-মিমাংসার মাধ্যমে টাকা উদ্ধারের প্রস্তাব দেন।

১৪ মে পূর্বনির্ধারিত বৈঠকের জন্য থানায় গেলে ওসি ও অভিযুক্তরা মিলে তাকে মারধর করে এবং ইয়াবা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। এরপর জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়া হয়। থানায় বিচার না পাওয়ায় বাদী আদালতের আশ্রয় নেন।