ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গণপূর্তের ইএম শাখা সার্কেল ৪: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তৈমুর আলমের দূর্নীতির কীর্তি! Logo সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন জাহাঙ্গীর শিকদার Logo প্রকল্প বণ্টনে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে গণপূর্ত সচিব নজরুলকে নিয়ে বিতর্কের ঝড়! Logo শিক্ষা প্রকৌশলে দুর্নীতির অভিযোগ: কোটি টাকার চুক্তিতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহজাহান আলী Logo কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে সীমাহীন ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ Logo বটিয়াঘাটায় বিএনপি প্রার্থীর উঠান বৈঠক: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তার আশ্বাস Logo গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার কবির ও ক্যাশিয়ার এনামুল হকের বিরুদ্ধে কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ|| পর্ব – Logo বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অর্থ অপব্যবহার: এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি ইস্যুতে হাইকোর্টে যাচ্ছে আইনজীদের সংগঠন  Logo বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের জ্যেষ্ঠ নেতার পদোন্নতি সহ পিআরএল: রয়েছে শত কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ! Logo দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ এর জন্মদিন আজ

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ভয়, ওসিসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯ ২৫৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক;

থানায় ডেকে নিয়ে মারধর ও ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগে নগরের পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়াসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন মো. মিজানুর রহমান নামের এক ব্যবসায়ী।

বুধবার (২২ মে) চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মো. সফি উদ্দিনের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত মামলা গ্রহণ করে তদন্তের জন্য নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাসান মাহমুদ চৌধুরী। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া, নগরীর জিইসি মোড় এলাকার বাসিন্দা রোকন উদ্দিন, ইয়াছিন আরাফাত, রোকন, সোহেল, ফুয়াদ ও হাসান।

মামলার বাদী মিজানুর রহমান নগরীর হালিশহরের বাসিন্দা ও নৌবাহিনীর তালিকাভুক্ত ঠিকাদার বলে জানা গেছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান পার্টিকেল পয়েন্ট নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ঠিকাদারী মালামাল নগদে ক্রয় করতেন। কিন্তু সরবরাহকৃত মালামালের গুণগত মান খারাপ হওয়ায় এক বছর আগেই তিনি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য ক্রয় বন্ধ করে দেন।

গত ২৫ এপ্রিল আসামি রোকন উদ্দিন, ইয়াছিন আরাফাত, রোকন, সোহেল, ফুয়াদ ও হাসান পরস্পর জোগ-সাজোশে নগরের জিইসি মোড় এবি ব্যাংকের সামনে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। অস্ত্রধরে বিকাশের মাধ্যমেও বিভিন্ন অঙ্কের টাকা আদায় করেন। এভাবে মোট ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা নেয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়- তাদের কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে মিজানুর যান পাঁচলাইশ থানায় মামলা করতে। কিন্তু ওসি মামলা না নিয়ে আপস-মিমাংসার মাধ্যমে টাকা উদ্ধারের প্রস্তাব দেন।

১৪ মে পূর্বনির্ধারিত বৈঠকের জন্য থানায় গেলে ওসি ও অভিযুক্তরা মিলে তাকে মারধর করে এবং ইয়াবা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। এরপর জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়া হয়। থানায় বিচার না পাওয়ায় বাদী আদালতের আশ্রয় নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ভয়, ওসিসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ১০:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক;

থানায় ডেকে নিয়ে মারধর ও ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগে নগরের পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়াসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন মো. মিজানুর রহমান নামের এক ব্যবসায়ী।

বুধবার (২২ মে) চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মো. সফি উদ্দিনের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত মামলা গ্রহণ করে তদন্তের জন্য নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাসান মাহমুদ চৌধুরী। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া, নগরীর জিইসি মোড় এলাকার বাসিন্দা রোকন উদ্দিন, ইয়াছিন আরাফাত, রোকন, সোহেল, ফুয়াদ ও হাসান।

মামলার বাদী মিজানুর রহমান নগরীর হালিশহরের বাসিন্দা ও নৌবাহিনীর তালিকাভুক্ত ঠিকাদার বলে জানা গেছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান পার্টিকেল পয়েন্ট নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ঠিকাদারী মালামাল নগদে ক্রয় করতেন। কিন্তু সরবরাহকৃত মালামালের গুণগত মান খারাপ হওয়ায় এক বছর আগেই তিনি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য ক্রয় বন্ধ করে দেন।

গত ২৫ এপ্রিল আসামি রোকন উদ্দিন, ইয়াছিন আরাফাত, রোকন, সোহেল, ফুয়াদ ও হাসান পরস্পর জোগ-সাজোশে নগরের জিইসি মোড় এবি ব্যাংকের সামনে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। অস্ত্রধরে বিকাশের মাধ্যমেও বিভিন্ন অঙ্কের টাকা আদায় করেন। এভাবে মোট ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা নেয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়- তাদের কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে মিজানুর যান পাঁচলাইশ থানায় মামলা করতে। কিন্তু ওসি মামলা না নিয়ে আপস-মিমাংসার মাধ্যমে টাকা উদ্ধারের প্রস্তাব দেন।

১৪ মে পূর্বনির্ধারিত বৈঠকের জন্য থানায় গেলে ওসি ও অভিযুক্তরা মিলে তাকে মারধর করে এবং ইয়াবা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। এরপর জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়া হয়। থানায় বিচার না পাওয়ায় বাদী আদালতের আশ্রয় নেন।