ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

২৪ জুনের মধ্যে ঋণখেলাপিদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০১৯ ২৮৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক;
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী গত ২০ বছরে ব্যাংকের ঋণখেলাপি ও অর্থপাচারকারীদের তালিকা প্রস্তুতের পাশাপাশি ওই সময়ে ব্যাংকিং খাতে কী পরিমাণ অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে তা নির্ণয়ে একটি শক্তিশালী কমিশন গঠনের বিষয়ে জানাতে বাংলাদেশ ব্যাংককে ২৪ জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ঋণখেলাপিদের তালিকা দাখিলেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

এর আগেও গত ২০ বছরে ব্যাংকের ঋণখেলাপি ও অর্থপাচারকারীদের তালিকা প্রস্তুত করে তা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিগত বছরগুলোতে ব্যাংকিং খাতে কী পরিমাণ অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে তা নির্ণয়ে একটি শক্তিশালী কমিশন গঠনে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন আদালত।

রুলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং এমডিকে জবাব দিতে বলা হয়েছিল।

কিন্তু ওইসব তালিকা দাখিল না করায় তার অগ্রগতি জানাতে আদেশ দেন হাইকোর্ট। এরপরও সে আদেশের বাস্তবায়ন না হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংককে ২৪ জুনের মধ্যে ওই তালিকা দাখিলের নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি ব্যাংকিং খাতে অর্থ আত্মসাৎ, ঋণ অনুমোদনে অনিয়ম, বিভিন্ন প্রাইভেট ও পাবলিক ব্যাংকে ঋণের ওপর সুদ মওকুফ-সংক্রান্ত বিষয় তদন্ত এবং তা বন্ধে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য কমিশন গঠন করার অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ ৫টি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছাড়াও নোটিশপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন- মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয় সচিব।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইআরপিবি) পক্ষে এ নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে ৭ দিনের মধ্যে ব্যাংকিং খাতে অনিয়মের বিষয় তদন্ত ও প্রতিরোধে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য ১৯৫৩ সালের ইনকোয়ারি কমিশন অ্যাক্টের অধীনে একটি কমিশন গঠনের অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু সে নোটিশের কোনো সদুত্তর না পেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত আদেশ দেন। রিটে একটি কমিশন গঠন করে ঋণখেলাপি ও অর্থ পাচারকারীদের তালিকা করতে নির্দেশ দেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

২৪ জুনের মধ্যে ঋণখেলাপিদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

আপডেট সময় : ০৭:২৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক;
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী গত ২০ বছরে ব্যাংকের ঋণখেলাপি ও অর্থপাচারকারীদের তালিকা প্রস্তুতের পাশাপাশি ওই সময়ে ব্যাংকিং খাতে কী পরিমাণ অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে তা নির্ণয়ে একটি শক্তিশালী কমিশন গঠনের বিষয়ে জানাতে বাংলাদেশ ব্যাংককে ২৪ জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ঋণখেলাপিদের তালিকা দাখিলেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

এর আগেও গত ২০ বছরে ব্যাংকের ঋণখেলাপি ও অর্থপাচারকারীদের তালিকা প্রস্তুত করে তা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিগত বছরগুলোতে ব্যাংকিং খাতে কী পরিমাণ অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে তা নির্ণয়ে একটি শক্তিশালী কমিশন গঠনে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন আদালত।

রুলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং এমডিকে জবাব দিতে বলা হয়েছিল।

কিন্তু ওইসব তালিকা দাখিল না করায় তার অগ্রগতি জানাতে আদেশ দেন হাইকোর্ট। এরপরও সে আদেশের বাস্তবায়ন না হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংককে ২৪ জুনের মধ্যে ওই তালিকা দাখিলের নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি ব্যাংকিং খাতে অর্থ আত্মসাৎ, ঋণ অনুমোদনে অনিয়ম, বিভিন্ন প্রাইভেট ও পাবলিক ব্যাংকে ঋণের ওপর সুদ মওকুফ-সংক্রান্ত বিষয় তদন্ত এবং তা বন্ধে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য কমিশন গঠন করার অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ ৫টি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছাড়াও নোটিশপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন- মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয় সচিব।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইআরপিবি) পক্ষে এ নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে ৭ দিনের মধ্যে ব্যাংকিং খাতে অনিয়মের বিষয় তদন্ত ও প্রতিরোধে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য ১৯৫৩ সালের ইনকোয়ারি কমিশন অ্যাক্টের অধীনে একটি কমিশন গঠনের অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু সে নোটিশের কোনো সদুত্তর না পেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত আদেশ দেন। রিটে একটি কমিশন গঠন করে ঋণখেলাপি ও অর্থ পাচারকারীদের তালিকা করতে নির্দেশ দেন আদালত।