ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

শ্রীলঙ্কা ফেরত ১১ শ্রমিকের কোনও ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ২৯৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক |
শ্রীলঙ্কা থেকে বাংলাদেশে ফেরত আসা ১১ জন শ্রমিকের এখন পর্যন্ত কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড পাওয়া যায়নি। তবে তাদের বিষয়ে আরও খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপির) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগে (সিটিটিসি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম শনিবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সিটিটিসি প্রধান বলেন, ‘শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলায় ইনসাফ আহমেদ ইব্রাহিম এর নাম আসায় দেশটির সরকার তার মালিকানাধীন কলসাস মেটাল ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেয়। বন্ধ করার পর ওই ফ্যাক্টরিতে কর্মরত কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ফ্যাক্টরিতে কর্মরত ১১ জন বাংলাদেশির ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাদেরকে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দূতাবাসে হস্তান্তর করলে তাদেরকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সেখানে আরও অন্যান্য দেশের শ্রমিকরা ছিল তাদেরও ফেরত পাঠানো হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মূলত ওই ১১ জন বাংলাদেশি টুরিস্ট ভিসা নিয়ে শ্রীলঙ্কায় গিয়ে নিম্ন বেতনে কলসাস মেটাল ফ্যাক্টরিতে কাজ করত। তারা ওই ফ্যাক্টরিতে তামার তৈজসপত্র তৈরি করত। এরা ছিল একেবারে সাধারণ শ্রমিক। ফ্যাক্টরির মালিকের সঙ্গে তাদের কোন যোগাযোগ ছিল না। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।’

সিটিটিসি প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশে ফেরত আসার পর আমরা তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলার সাথে সম্পৃক্ততার কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক ঝুঁকির প্রেক্ষিতে আমাদের দেশ ঝুঁকিতে থাকলেও কোনো হামলার আশঙ্কা নেই। আমাদের দেশে কোনো হুমকি বা হামলার কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে নেই।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেসব নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন রয়েছে, তারা নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার ঘটনায় অনুপ্রাণিত হতে পারে। তবে বর্তমানে এসব জঙ্গি সংগঠনের কোন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটানোর শক্তি বা সামর্থ্য নেই। আমরা সজাগ ও তৎপর রয়েছি।’

দেশবাসীকে অনুরোধ জানিয়ে সিটিটিসি প্রধান বলেন, ‘আপনারা চারপাশে চোখ-কান খোলা রেখে সন্দেহভাজন কোন কিছু দেখলে আমাদের জানান।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

শ্রীলঙ্কা ফেরত ১১ শ্রমিকের কোনও ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই

আপডেট সময় : ০৪:৪০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক |
শ্রীলঙ্কা থেকে বাংলাদেশে ফেরত আসা ১১ জন শ্রমিকের এখন পর্যন্ত কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড পাওয়া যায়নি। তবে তাদের বিষয়ে আরও খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপির) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগে (সিটিটিসি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম শনিবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সিটিটিসি প্রধান বলেন, ‘শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলায় ইনসাফ আহমেদ ইব্রাহিম এর নাম আসায় দেশটির সরকার তার মালিকানাধীন কলসাস মেটাল ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেয়। বন্ধ করার পর ওই ফ্যাক্টরিতে কর্মরত কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ফ্যাক্টরিতে কর্মরত ১১ জন বাংলাদেশির ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাদেরকে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দূতাবাসে হস্তান্তর করলে তাদেরকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সেখানে আরও অন্যান্য দেশের শ্রমিকরা ছিল তাদেরও ফেরত পাঠানো হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মূলত ওই ১১ জন বাংলাদেশি টুরিস্ট ভিসা নিয়ে শ্রীলঙ্কায় গিয়ে নিম্ন বেতনে কলসাস মেটাল ফ্যাক্টরিতে কাজ করত। তারা ওই ফ্যাক্টরিতে তামার তৈজসপত্র তৈরি করত। এরা ছিল একেবারে সাধারণ শ্রমিক। ফ্যাক্টরির মালিকের সঙ্গে তাদের কোন যোগাযোগ ছিল না। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।’

সিটিটিসি প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশে ফেরত আসার পর আমরা তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলার সাথে সম্পৃক্ততার কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক ঝুঁকির প্রেক্ষিতে আমাদের দেশ ঝুঁকিতে থাকলেও কোনো হামলার আশঙ্কা নেই। আমাদের দেশে কোনো হুমকি বা হামলার কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে নেই।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেসব নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন রয়েছে, তারা নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার ঘটনায় অনুপ্রাণিত হতে পারে। তবে বর্তমানে এসব জঙ্গি সংগঠনের কোন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটানোর শক্তি বা সামর্থ্য নেই। আমরা সজাগ ও তৎপর রয়েছি।’

দেশবাসীকে অনুরোধ জানিয়ে সিটিটিসি প্রধান বলেন, ‘আপনারা চারপাশে চোখ-কান খোলা রেখে সন্দেহভাজন কোন কিছু দেখলে আমাদের জানান।’