ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ




ফুলপুরে কষ্টিপাথরের মূর্তি নিয়ে তোলপাড়!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৭:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০১৯ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি; ময়মনসিংহের ফুলপুরে কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার নিয়ে গত দু’দিন ধরে এলাকায় সর্বত্র আলোচনার ঝড় বইছে। উপজেলার বওলা গ্রামে নিজের পুকুর থেকে এ মূর্তিটি উদ্ধার করেন মতিউর রহমান নামে এক ব্যক্তি।

সূত্র জানায়, উপজেলার বওলা গ্রাম নিজের পুকুর খনন করার সময় শনিবার দুপুরে একটি পাথরের মূর্তি দেখতে পেয়ে বাড়িতে নিয়ে রাখেন মতিউর রহমান। যার দৈর্ঘ্য ৩১ ইঞ্চি, প্রস্থ ১৩ ইঞ্চি ও ওজন প্রায় ৪০ কেজি। পাথরে নিখুঁতভাবে খোদাই করা চার হাতবিশিষ্ট এ মূর্তিটির জাইলে আরও ১০টি মূর্তি রয়েছে।

এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সর্বত্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অসংখ্য মানুষ দেখতে এসে মতিউর রহমানের বাড়িতে ভিড় করেন। খবর পেয়ে পুলিশ মূর্তিটি উদ্ধার করে থানায় আনে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের মুরব্বিদের দাবি, এটি একটি মহামূল্যবান বিষ্ণু মূর্তি। যা জানতে জনমনে কৌতূহলের কোনো শেষ নেই। এ নিয়ে গত ২ দিন ধরে সর্বত্রই আলোচনার ঝড় বইছে।

প্রতিবেশী মোছাদ্দিক হোসাইন জানান, সুতারনাল বা বড়দিঘী নামে পরিচিত এ পুকুরটি নিয়ে এলাকায় নানান অলৌকিক কথা রয়েছে। এটি কখন বা কীভাবে খনন হয়েছে, তা কেউ বলতে পারে না। এতে আরও কিছু থাকতে পারে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেবুন নাহার শাম্মী মূর্তিটি পরিদর্শন করেছেন।

ফুলপুর থানার ওসি মুহাম্মদ বদরুল আলম খান জানান, শনিবার ঢাকাস্থ ভূ-প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে মূর্তিটি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ফুলপুরে কষ্টিপাথরের মূর্তি নিয়ে তোলপাড়!

আপডেট সময় : ১০:১৭:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০১৯

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি; ময়মনসিংহের ফুলপুরে কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার নিয়ে গত দু’দিন ধরে এলাকায় সর্বত্র আলোচনার ঝড় বইছে। উপজেলার বওলা গ্রামে নিজের পুকুর থেকে এ মূর্তিটি উদ্ধার করেন মতিউর রহমান নামে এক ব্যক্তি।

সূত্র জানায়, উপজেলার বওলা গ্রাম নিজের পুকুর খনন করার সময় শনিবার দুপুরে একটি পাথরের মূর্তি দেখতে পেয়ে বাড়িতে নিয়ে রাখেন মতিউর রহমান। যার দৈর্ঘ্য ৩১ ইঞ্চি, প্রস্থ ১৩ ইঞ্চি ও ওজন প্রায় ৪০ কেজি। পাথরে নিখুঁতভাবে খোদাই করা চার হাতবিশিষ্ট এ মূর্তিটির জাইলে আরও ১০টি মূর্তি রয়েছে।

এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সর্বত্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অসংখ্য মানুষ দেখতে এসে মতিউর রহমানের বাড়িতে ভিড় করেন। খবর পেয়ে পুলিশ মূর্তিটি উদ্ধার করে থানায় আনে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের মুরব্বিদের দাবি, এটি একটি মহামূল্যবান বিষ্ণু মূর্তি। যা জানতে জনমনে কৌতূহলের কোনো শেষ নেই। এ নিয়ে গত ২ দিন ধরে সর্বত্রই আলোচনার ঝড় বইছে।

প্রতিবেশী মোছাদ্দিক হোসাইন জানান, সুতারনাল বা বড়দিঘী নামে পরিচিত এ পুকুরটি নিয়ে এলাকায় নানান অলৌকিক কথা রয়েছে। এটি কখন বা কীভাবে খনন হয়েছে, তা কেউ বলতে পারে না। এতে আরও কিছু থাকতে পারে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেবুন নাহার শাম্মী মূর্তিটি পরিদর্শন করেছেন।

ফুলপুর থানার ওসি মুহাম্মদ বদরুল আলম খান জানান, শনিবার ঢাকাস্থ ভূ-প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে মূর্তিটি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।