ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

গাংনীতে পানি ভেবে এসিড পান স্বর্ণশ্রমিকের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০১৯ ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

প্রতিনিধি, মেহেরপুর; মেহেরপুরের গাংনীতে অ্যাসিড মিশ্রিত পানি পানে এক স্বর্ণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় পৌর শহরের নাজ জুয়েলার্সে এই ঘটনা ঘটে। দোকানের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় পুরো বিষয়টি রেকর্ড হয়েছে।

মৃত তরুণের নাম অমিত কুমার (১৮)। তাঁর বাড়ি চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার নানবার গ্রামে।

দোকান মালিক, পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, সোনার গয়না পরিষ্কারের ওই অ্যাসিড মিশ্রিত পানি বোতলে রাখা ছিল। অমিত কাজ করা অবস্থায় তা পান করে ফেলেন। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্য দোকানের কর্মচারীরা বিষয়টি টের পান এবং তাঁকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে অমিতকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। এই হাসপাতালে নেওয়ার পথেই অমিতের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানান, সেখানকার বেশির ভাগ স্বর্ণের দোকানে কোমল পানীয় বা বাজারজাত পানির বোতলে অ্যাসিড মিশ্রিত পানি রেখে স্বর্ণশ্রমিকেরা কাজ করেন।

নাজ জুয়েলার্সের মালিক জাহেদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘দোকানের চাবি অমিত কুমারের কাছে থাকত। অমিতই প্রথম দোকান খুলে ঝাড়-মোচ করত। পরে অন্যরা আসে। সম্প্রতি অমিত ভ্রূণ দূর করার জন্য হোমিও ওষুধ খেত।’ সিসি টিভি ফুটেজের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘আজ (বুধবার) অমিত সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দোকান খোলে। এরপর দশটার দিকে ওই হোমিও ওষুধ দোকানে রাখা একটি পানির বোতলের ভেতর ঢেলে পান করেন—মূলত ওই বোতলে অ্যাসিড মিশ্রিত পানি ছিল।’

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরেন্দ্র নাথ সরকার ওই সিসি টিভি ফুটেজ দেখেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘অমিতের পরিবার কোনো আপত্তি না করায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ দিলে তাও খতিয়ে দেখা হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

গাংনীতে পানি ভেবে এসিড পান স্বর্ণশ্রমিকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:২৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০১৯

প্রতিনিধি, মেহেরপুর; মেহেরপুরের গাংনীতে অ্যাসিড মিশ্রিত পানি পানে এক স্বর্ণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় পৌর শহরের নাজ জুয়েলার্সে এই ঘটনা ঘটে। দোকানের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় পুরো বিষয়টি রেকর্ড হয়েছে।

মৃত তরুণের নাম অমিত কুমার (১৮)। তাঁর বাড়ি চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার নানবার গ্রামে।

দোকান মালিক, পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, সোনার গয়না পরিষ্কারের ওই অ্যাসিড মিশ্রিত পানি বোতলে রাখা ছিল। অমিত কাজ করা অবস্থায় তা পান করে ফেলেন। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্য দোকানের কর্মচারীরা বিষয়টি টের পান এবং তাঁকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে অমিতকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। এই হাসপাতালে নেওয়ার পথেই অমিতের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানান, সেখানকার বেশির ভাগ স্বর্ণের দোকানে কোমল পানীয় বা বাজারজাত পানির বোতলে অ্যাসিড মিশ্রিত পানি রেখে স্বর্ণশ্রমিকেরা কাজ করেন।

নাজ জুয়েলার্সের মালিক জাহেদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘দোকানের চাবি অমিত কুমারের কাছে থাকত। অমিতই প্রথম দোকান খুলে ঝাড়-মোচ করত। পরে অন্যরা আসে। সম্প্রতি অমিত ভ্রূণ দূর করার জন্য হোমিও ওষুধ খেত।’ সিসি টিভি ফুটেজের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘আজ (বুধবার) অমিত সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দোকান খোলে। এরপর দশটার দিকে ওই হোমিও ওষুধ দোকানে রাখা একটি পানির বোতলের ভেতর ঢেলে পান করেন—মূলত ওই বোতলে অ্যাসিড মিশ্রিত পানি ছিল।’

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরেন্দ্র নাথ সরকার ওই সিসি টিভি ফুটেজ দেখেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘অমিতের পরিবার কোনো আপত্তি না করায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ দিলে তাও খতিয়ে দেখা হবে।’