ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পিকারের গভীর উদ্বেগ Logo প্রতিরক্ষা শিল্পে সক্ষমতা বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী Logo কারিগরি বোর্ডের অধীনে নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু Logo সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের মামলায় জিয়াউল আহসান গ্রেপ্তার Logo অভিযোগের তদন্তে অব্যাহতি: তবুও ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান Logo বিদায় হজের ভাষণ আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক: রাষ্ট্রপতি Logo মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি: আব্দুর রহমানেল মাছউদ Logo মাভাবিপ্রবির একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ

অভিযোগের তদন্তে অব্যাহতি: তবুও ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর) মো. সাইদুর রহমান দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সূত্রে জানা যায়, পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার অনন্য নজির স্থাপন করে তিনি হয়ে উঠেছেন প্রতিষ্ঠানের একজন গ্রহণযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য কর্মকর্তা।

তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভুঁইফোড় কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টালে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করেছে বলে জানা যায়। তাছাড়া, তার বিরুদ্ধে বানোয়াট সংবাদ প্রচার করেছে।

বিআইডব্লিউটিএর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন সাইদুর রহমান। আর এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে একটি স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল তাঁর পেশাগত সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের কাছে ছড়িয়ে দিচ্ছে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও অসম্পূর্ণ তথ্য।

উল্লেখ্য, বিআইডব্লিউটিএ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর) মো. সাইদুর রহমান ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পরিসমাপ্তি করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-১) মো. কামরুজ্জামান স্বাক্ষরিত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের স্মারক নম্বর। ০০.০১.০০০০.০০০.৫০১.০১.০০৩৭.১৭.১৫ পত্রে এ তথ্যের সত্যতা মিলেছে। উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপেক্ষিতে বর্ণিত অভিযোগটি অনুসন্ধানে প্রমাণিত না হওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক চূড়ান্তভাবে অভিযোগটি পরিসমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘ কর্মজীবনে একজন প্রকৌশলী হিসেবে সাইদুর রহমান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। তাঁর বিরল দক্ষতা ও কাজের অভিজ্ঞতার কারণেই তিনি আজ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত। তবে তাঁর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক অভিযোগগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট সব নথি ও পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, যদি তাঁর বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তা গোপনে অপপ্রচার না করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হোক। প্রয়োজন হলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা যেতে পারে। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ সত্য হলে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করেই সংবাদমাধ্যমে তা প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে প্রচার করা ন্যায়সঙ্গত নয়। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, যেসব প্রকল্প বা সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, সেসব ক্ষেত্রে একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর প্রকৃত দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কতটুকু ছিল, সেটিও সংবাদ প্রকাশের আগে খতিয়ে দেখা আবশ্যক।

বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, কর্মজীবনে সবসময় প্রতিষ্ঠানের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে অনিয়ম বা অনৈতিক চাপের কাছে নত স্বীকার না করে পেশাগত দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছি।

তিনি প্রকাশিত সংবাদগুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকতা সমাজের অনিয়ম তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই কোনো কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা অনুসন্ধান করা অবশ্যই সাংবাদিকতার দায়িত্ব। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি।

সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা স্বার্থান্বেষী মহলের সরবরাহ করা তথ্যের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট নথি, সরকারি সিদ্ধান্ত, প্রকল্পের কাগজপত্র ও প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা হোক। তিনি আরও বলেন, সত্য উদ্ঘাটনের জন্য সাংবাদিকদের অনুসন্ধানকে তিনি স্বাগত জানান। কিন্তু মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যের ভিত্তিতে কোনো সংবাদ প্রকাশিত হলে তাতে শুধু একজন কর্মকর্তার ভাবমূর্তিই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না—পারিবারিক, সামাজিক ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিও নষ্ট হয়। সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সময়ই সব কিছুর নির্ণায়ক, এবং সত্য কখনো চাপা থাকে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

অভিযোগের তদন্তে অব্যাহতি: তবুও ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান

আপডেট সময় : ০২:০৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর) মো. সাইদুর রহমান দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সূত্রে জানা যায়, পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার অনন্য নজির স্থাপন করে তিনি হয়ে উঠেছেন প্রতিষ্ঠানের একজন গ্রহণযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য কর্মকর্তা।

তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভুঁইফোড় কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টালে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করেছে বলে জানা যায়। তাছাড়া, তার বিরুদ্ধে বানোয়াট সংবাদ প্রচার করেছে।

বিআইডব্লিউটিএর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন সাইদুর রহমান। আর এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে একটি স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল তাঁর পেশাগত সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের কাছে ছড়িয়ে দিচ্ছে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও অসম্পূর্ণ তথ্য।

উল্লেখ্য, বিআইডব্লিউটিএ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর) মো. সাইদুর রহমান ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পরিসমাপ্তি করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-১) মো. কামরুজ্জামান স্বাক্ষরিত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের স্মারক নম্বর। ০০.০১.০০০০.০০০.৫০১.০১.০০৩৭.১৭.১৫ পত্রে এ তথ্যের সত্যতা মিলেছে। উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপেক্ষিতে বর্ণিত অভিযোগটি অনুসন্ধানে প্রমাণিত না হওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক চূড়ান্তভাবে অভিযোগটি পরিসমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘ কর্মজীবনে একজন প্রকৌশলী হিসেবে সাইদুর রহমান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। তাঁর বিরল দক্ষতা ও কাজের অভিজ্ঞতার কারণেই তিনি আজ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত। তবে তাঁর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক অভিযোগগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট সব নথি ও পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, যদি তাঁর বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তা গোপনে অপপ্রচার না করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হোক। প্রয়োজন হলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা যেতে পারে। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ সত্য হলে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করেই সংবাদমাধ্যমে তা প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে প্রচার করা ন্যায়সঙ্গত নয়। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, যেসব প্রকল্প বা সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, সেসব ক্ষেত্রে একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর প্রকৃত দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কতটুকু ছিল, সেটিও সংবাদ প্রকাশের আগে খতিয়ে দেখা আবশ্যক।

বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, কর্মজীবনে সবসময় প্রতিষ্ঠানের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে অনিয়ম বা অনৈতিক চাপের কাছে নত স্বীকার না করে পেশাগত দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছি।

তিনি প্রকাশিত সংবাদগুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকতা সমাজের অনিয়ম তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই কোনো কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা অনুসন্ধান করা অবশ্যই সাংবাদিকতার দায়িত্ব। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি।

সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা স্বার্থান্বেষী মহলের সরবরাহ করা তথ্যের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট নথি, সরকারি সিদ্ধান্ত, প্রকল্পের কাগজপত্র ও প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা হোক। তিনি আরও বলেন, সত্য উদ্ঘাটনের জন্য সাংবাদিকদের অনুসন্ধানকে তিনি স্বাগত জানান। কিন্তু মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যের ভিত্তিতে কোনো সংবাদ প্রকাশিত হলে তাতে শুধু একজন কর্মকর্তার ভাবমূর্তিই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না—পারিবারিক, সামাজিক ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিও নষ্ট হয়। সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সময়ই সব কিছুর নির্ণায়ক, এবং সত্য কখনো চাপা থাকে না।