ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




পিরোজপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০১৯ ১১ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুর প্রতিনিধি; পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের খানাখুনিয়ারী গ্রামে ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

পাওয়া গেছে। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী পিরোজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্কুলছাত্রীর মা বিউটি বেগম জানান, মঙ্গলবার রাত ৮ দিকে তিনি পাশের বাড়িতে যান। তার মেয়ে বাড়িতে বসে তখন একা পড়ছিল। তিনি ঘর থেকে বের হওয়ার পর স্থানীয় আউয়াল মোল্লার ছেলে আইভান মোল্লা ও মিন্টু মোল্লার ছেলে মারুফ মোল্লা ঘরে ঢুকে কাপড় দিয়ে তার মেয়ের মুখ ও হাত-পা বেঁধে বাড়ির পিছনে নিয়ে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। কিছু সময় পরে তিনি ঘরে ফিরে
মেয়েকে দেখতে না পেয়ে খুঁজতে বের হয়। কিছু সময় পরে বাড়ির পিছনের বাগানে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অচেতন পড়ে থাকতে দেখে তার মেয়েকে।
পিরোজপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৌসুমী সুলতানা প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে পিরোজপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, এ বিষয়ে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




error: Content is protected !!

পিরোজপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০১৯

পিরোজপুর প্রতিনিধি; পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের খানাখুনিয়ারী গ্রামে ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

পাওয়া গেছে। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী পিরোজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্কুলছাত্রীর মা বিউটি বেগম জানান, মঙ্গলবার রাত ৮ দিকে তিনি পাশের বাড়িতে যান। তার মেয়ে বাড়িতে বসে তখন একা পড়ছিল। তিনি ঘর থেকে বের হওয়ার পর স্থানীয় আউয়াল মোল্লার ছেলে আইভান মোল্লা ও মিন্টু মোল্লার ছেলে মারুফ মোল্লা ঘরে ঢুকে কাপড় দিয়ে তার মেয়ের মুখ ও হাত-পা বেঁধে বাড়ির পিছনে নিয়ে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। কিছু সময় পরে তিনি ঘরে ফিরে
মেয়েকে দেখতে না পেয়ে খুঁজতে বের হয়। কিছু সময় পরে বাড়ির পিছনের বাগানে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অচেতন পড়ে থাকতে দেখে তার মেয়েকে।
পিরোজপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৌসুমী সুলতানা প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে পিরোজপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, এ বিষয়ে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।