ঢাকা ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

বাংলাদেশে বন্ধ হলো জি নেটওয়ার্কের সম্প্রচার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০১৯ ২৭১ বার পড়া হয়েছে

অবশেষে আজ ২ এপ্রিল মঙ্গলবার ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল জি নেটওয়ার্কের সব চ্যানেলের সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে টেলিভিশনে জি নেটওয়ার্কের কোন চ্যানেলের সম্প্রচার দেখা যাচ্ছে না। তথ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে এই পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।

এছাড়াও একে একে বাংলাদেশে সম্প্রচার বন্ধ হতে চলেছে সকল ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল। ডাউনলিংকৃত ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে দেশীয় বিজ্ঞাপন প্রচারের কারণে তথ্য মন্ত্রণালয় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতীয় চ্যানেলে দেশি বিজ্ঞাপন প্রচারের কারণে বাংলাদেশি টেলিভিশন চ্যানেল ক্ষতির মুখে পড়েছিল। সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ফলে টেলিভিশন চ্যানেল ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে বাংলাদেশ ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস এম আনোয়ার পারভেজ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘বর্তমানে জি নেটওয়ার্কের সব চ্যানেল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আরও যেসব চ্যানেলে দেশি বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয় সেসব চ্যানেলও কাল থেকে বন্ধ হয়ে যাবে।’

কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এসব চ্যানেল বন্ধ রাখা হবে কিনা—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোন বাঁধা ধরা সময় নেই। একেবারে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হবে। আর কখনো বাংলাদেশের মানুষ ভারতীয় চ্যানেল দেখতে পারবে না। এখন শুধু বাংলাদেশি চ্যানেল দেখতে পারবে দেশের মানুষ।’

এমন সিদ্ধান্তের কারণে ক্যাবল নেটওয়ার্কের সাবস্ক্রাইবার কমে যাবে বলেও তিনি মনে করছেন। এভাবে বেশিদিন ব্যবসা টিকিয়ে রাখা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশে যেসব বিদেশি টেলিভিশন চ‌্যানেল দেখানো হয় সেগুলোতে দেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন বন্ধের দাবি জানিয়ে অনুষ্ঠান নির্মাতা, শিল্পী, বিজ্ঞাপন নির্মাতারা বেশ কিছুদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন। ভারতীয় চ্যানেল বন্ধের মধ্য দিয়ে তাদের অনেক দিনের দাবি পূরণ হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বাংলাদেশে বন্ধ হলো জি নেটওয়ার্কের সম্প্রচার

আপডেট সময় : ০৫:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০১৯

অবশেষে আজ ২ এপ্রিল মঙ্গলবার ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল জি নেটওয়ার্কের সব চ্যানেলের সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে টেলিভিশনে জি নেটওয়ার্কের কোন চ্যানেলের সম্প্রচার দেখা যাচ্ছে না। তথ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে এই পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।

এছাড়াও একে একে বাংলাদেশে সম্প্রচার বন্ধ হতে চলেছে সকল ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল। ডাউনলিংকৃত ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে দেশীয় বিজ্ঞাপন প্রচারের কারণে তথ্য মন্ত্রণালয় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতীয় চ্যানেলে দেশি বিজ্ঞাপন প্রচারের কারণে বাংলাদেশি টেলিভিশন চ্যানেল ক্ষতির মুখে পড়েছিল। সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ফলে টেলিভিশন চ্যানেল ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে বাংলাদেশ ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস এম আনোয়ার পারভেজ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘বর্তমানে জি নেটওয়ার্কের সব চ্যানেল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আরও যেসব চ্যানেলে দেশি বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয় সেসব চ্যানেলও কাল থেকে বন্ধ হয়ে যাবে।’

কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এসব চ্যানেল বন্ধ রাখা হবে কিনা—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোন বাঁধা ধরা সময় নেই। একেবারে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হবে। আর কখনো বাংলাদেশের মানুষ ভারতীয় চ্যানেল দেখতে পারবে না। এখন শুধু বাংলাদেশি চ্যানেল দেখতে পারবে দেশের মানুষ।’

এমন সিদ্ধান্তের কারণে ক্যাবল নেটওয়ার্কের সাবস্ক্রাইবার কমে যাবে বলেও তিনি মনে করছেন। এভাবে বেশিদিন ব্যবসা টিকিয়ে রাখা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশে যেসব বিদেশি টেলিভিশন চ‌্যানেল দেখানো হয় সেগুলোতে দেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন বন্ধের দাবি জানিয়ে অনুষ্ঠান নির্মাতা, শিল্পী, বিজ্ঞাপন নির্মাতারা বেশ কিছুদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন। ভারতীয় চ্যানেল বন্ধের মধ্য দিয়ে তাদের অনেক দিনের দাবি পূরণ হলো।