ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬ ২১৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (অঞ্চল–৩) নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা দাবি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক ঠিকাদার লিখিত অভিযোগ দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন করার পরও সাম্প্রতিক একটি প্রকল্পের বিল পরিশোধ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনৈতিকভাবে অর্থ দাবি করা হয়। অভিযোগকারী জানান, তিনি নিয়মবহির্ভূত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি করা হয় এবং দরপত্র প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়া শুরু হয়।

লিখিত অভিযোগে কয়েকটি নির্দিষ্ট অনিয়মের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—চলমান টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট শতাংশ অর্থ দাবি করা। ওই অর্থ দিতে রাজি না হওয়ায় অযৌক্তিক শর্ত আরোপ করে দরপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরও ঠিকাদারের নিরাপত্তা আমানত (সিকিউরিটি মানি) অকারণে আটকে রাখা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ডিফেক্ট লাইয়াবিলিটি পিরিয়ড শেষ হওয়ার পরও বিল ও আনুষঙ্গিক কাগজপত্র নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অনৈতিকভাবে অর্থ দাবি করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। একই সঙ্গে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে চাপ প্রয়োগের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ঠিকাদার অভিযোগ করেন, এসব কর্মকাণ্ড সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত প্রচলিত আইন ও বিধিমালার পরিপন্থী। এর ফলে তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমেও বাধার মুখে পড়েছেন।

তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা আহসান হাবিবের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হলে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (অঞ্চল–৩) নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা দাবি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক ঠিকাদার লিখিত অভিযোগ দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন করার পরও সাম্প্রতিক একটি প্রকল্পের বিল পরিশোধ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনৈতিকভাবে অর্থ দাবি করা হয়। অভিযোগকারী জানান, তিনি নিয়মবহির্ভূত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি করা হয় এবং দরপত্র প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়া শুরু হয়।

লিখিত অভিযোগে কয়েকটি নির্দিষ্ট অনিয়মের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—চলমান টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট শতাংশ অর্থ দাবি করা। ওই অর্থ দিতে রাজি না হওয়ায় অযৌক্তিক শর্ত আরোপ করে দরপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরও ঠিকাদারের নিরাপত্তা আমানত (সিকিউরিটি মানি) অকারণে আটকে রাখা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ডিফেক্ট লাইয়াবিলিটি পিরিয়ড শেষ হওয়ার পরও বিল ও আনুষঙ্গিক কাগজপত্র নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অনৈতিকভাবে অর্থ দাবি করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। একই সঙ্গে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে চাপ প্রয়োগের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ঠিকাদার অভিযোগ করেন, এসব কর্মকাণ্ড সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত প্রচলিত আইন ও বিধিমালার পরিপন্থী। এর ফলে তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমেও বাধার মুখে পড়েছেন।

তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা আহসান হাবিবের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হলে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।