ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

টাঙ্গাইল-৩ আসনে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে মাইনুল ইসলাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩৮২ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ:

ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নিবেদিত প্রাণ নেতা মোঃ মাইনুল ইসলাম আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল ৩ ঘাটাইল ‘আসন থেকে এমপি পদপ্রার্থী হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন। তার জীবনধারা, সততা, ত্যাগ ও অবিচল নিষ্ঠা তাকে এলাকায় জনমানুষের কাছে একজন নির্ভরযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১৯৬৭ সালের ২০ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলায় জন্মগ্রহণকারী মাইনুল ইসলাম ছোটবেলা থেকেই সামাজিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। তার পিতা মৃত খলিলুর রহমান এবং মাতা মোছাঃ মরিয়ম বেগমের স্নেহধন্য এই সন্তান শিক্ষাজীবনে কৃতিত্বের সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবনেই তিনি ছাত্ররাজনীতির সাথে জড়িত থেকে বিএনপির আদর্শে নিজেকে গড়ে তোলেন এবং পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী পরিবারের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে রাজনীতির মাঠে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেন।

তার রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি প্রতিকুলতার মুখোমুখি হন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি অন্যায়ভাবে জেল-জুলুমের শিকার হন, হামলা-মামলা, নির্ঘাতন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়। তবুও তার বিএনপির প্রতি আস্থা, নিষ্ঠা ও ভালোবাসা এক বিন্দুও কমে যায়নি। দলের সংকটে তিনি কখনো পিছিয়ে যাননি বরং রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। তার সততা ও ত্যাগের নজির এলাকায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপির কঠিন সময়ে তিনি দলের পক্ষে জনগণকে সংগঠিত করেছেন এবং তৃণমূল

পর্যায়ে কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে নিরলস কাজ করেছেন। পেশাগত জীবনে মাহনুল ইসলাম একজন সফল ব্যবসায়ী ও প্রশাসক। তিনি বর্তমানে আমান বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যবসায়িক জীবনে সততা ও স্বচ্ছতার জন্য তিনি যেমন পরিচিত, তেমনি কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অসংখ্য মানুষের জীবিকা নির্বাহের পথ তৈরি করেছেন। তার ব্যবসায়িক সাফল্য তাকে যেমন প্রতিষ্ঠিত করেছে, তেমনি রাজনৈতিক জীবনে অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাকে সহায়তা করেছে। প্রকাশনা ও গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।breakingnews.com.bd এর সম্পাদক ও
প্রকাশক হিসেবে তিনি নি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও সত্য প্রকাশের মাধ্যমে সমাজে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। গণমানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম ধরাই তার জীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। রাজনীতিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কৃষকদল ও বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তুলেছেন। তার নেতৃত্বে ঘাটাইল আসনের সাধারণ মানুষ বিএনপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। বিশেষ করে কৃষক, শ্রমজীবী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ে তিনি সবসময় সরব থেকেছেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনে মাইনুল ইসলামকে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার ব্যাপারে এলাকায় নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। মানুষ বিশ্বাস করছে, তিনি মনোনয়ন পেলে নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন। তার সততা, ত্যাগ ও নিষ্ঠার কারণে সাধারণ মানুষ মনে করে মাইনুল ইসলাম এম এমপি হলে ঘাটাইল আসন সত্যিকার অর্থে জনমানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবে। বিএনপির প্রতি তার ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের কারণে তিনি দলের কর্মীদের কাছে ‘ত্যাগী নেতা’ হিসেবে পরিচিত। আওয়ামী লীগের আমলে নান-াবিধ নির্যাতন-অত্যাচার সহ্য করার পরও তিনি দমে যাননি বরং আরও দৃঢ়ভাবে বিএনপির পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ, বেগম

খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব এবং তাবেক রহমানের দিকনির্দেশনাই দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে পারে। টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনের জনসাধারণ মাইনুল ইসলামকে একজন সৎ, ত্যাগী ও নির্ভরযোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছে শিক্ষিত, যোগ্য ও দূরদর্শী এই নেতা উন্নয়ন, সুশাসন ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। দলের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো, রাজপথে নির্ভীকভাবে আন্দোলন করা এবং জনগণের স্বার্থে আপসহীন থাকার কারণে তিনি কর্মী-সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, রাজনীতি মানে মানুষের সেবা। তার লক্ষ্য হচ্ছে এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি, কৃষকের অধিকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা। তার ভিশন হলো ঘাটাইলকে আধুনিক ও উন্নত একটি অঞ্চলে পরিণত করা যেখানে মানুষ শান্তি ও মর্যাদার সাথে বসবাস করতে পারবে। সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সবসময় অগ্রগামী ভূমিকা পালন করেছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে তার অবদান এলাকাবাসী শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ সহায়তা প্রদান এবং চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করার মাধ্যমে তিনি জনসেবায় আত্মনিয়োগ করেছেন। আসন্ন নির্বাচনে ঘাটাইল আসনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে তার জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম তাকে একজন আধুনিক, সৎ ও যোগ্য নেতা হিসেবে দেখছে। তার নেতৃত্বে বিএনপি নতুন করে ঘাটাইলে প্রাণ ফিরে পাবে বলে এলাকার মানুষ দৃঢ়ভ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। আওয়ামী লীগের দমন-পীড়ন আদায়, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে তার সংগ্রামী ভূমিকা সাধারণ মানুষের মনে সাহস যুগিয়েছে। মাইনুল ইসলামের রাজনৈতিক দর্শন হচ্ছে বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, উন্নত, সুশাসিত ও আত্মত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতেই থাকা উচিত। তাই তিনি সবসময় জনগণের মতামতকে মূল্যায়ন করেন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের সমস্যা সমাধানে অঙ্গীকারবদ্ধ। তার পুরো জীবনকথা একটি সংগ্রাম ও ত্যাগের ইতিহাস। ব্যবসা-বাণিজ্যে সফলতা, গণমাধ্যমে অবদান, রাজনীতিতে সততা, সমাজে মানবসেবা এবং দলের প্রতি অটল নিষ্ঠাড়সবকিছু মিলিয়ে তিনি আজ ঘাটাইল আসনের মানুষের কাছে আশা ও সম্ভাবনার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছেন। মাহনুল ইসলাম বিশ্বাস করেন, বিএনপিই একমাত্র দল যারা দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে সক্ষম।

তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “আমি ঘাটাইল আসনের জনগণের সেবক হতে চাই, তাদের সুখ-দুঃখের সাথী হতে চাই, বিএনপির পতাকা হাতে নিয়ে আজীবন গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই করে যাবো। জনগণের ভালোবাসা, দলের প্রতি আনুগত্য এবং ব্যক্তিগত সততা এই তিনটি মূল শক্তিকে পুঁজি করে মাইনুল ইসলাম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঘাটাইল আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়ে জনগণের প্রত্যাশা পুরণ করবেন বলে সবাই আশা করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

টাঙ্গাইল-৩ আসনে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে মাইনুল ইসলাম

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সকালের সংবাদ:

ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নিবেদিত প্রাণ নেতা মোঃ মাইনুল ইসলাম আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল ৩ ঘাটাইল ‘আসন থেকে এমপি পদপ্রার্থী হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন। তার জীবনধারা, সততা, ত্যাগ ও অবিচল নিষ্ঠা তাকে এলাকায় জনমানুষের কাছে একজন নির্ভরযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১৯৬৭ সালের ২০ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলায় জন্মগ্রহণকারী মাইনুল ইসলাম ছোটবেলা থেকেই সামাজিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। তার পিতা মৃত খলিলুর রহমান এবং মাতা মোছাঃ মরিয়ম বেগমের স্নেহধন্য এই সন্তান শিক্ষাজীবনে কৃতিত্বের সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবনেই তিনি ছাত্ররাজনীতির সাথে জড়িত থেকে বিএনপির আদর্শে নিজেকে গড়ে তোলেন এবং পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী পরিবারের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে রাজনীতির মাঠে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেন।

তার রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি প্রতিকুলতার মুখোমুখি হন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি অন্যায়ভাবে জেল-জুলুমের শিকার হন, হামলা-মামলা, নির্ঘাতন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়। তবুও তার বিএনপির প্রতি আস্থা, নিষ্ঠা ও ভালোবাসা এক বিন্দুও কমে যায়নি। দলের সংকটে তিনি কখনো পিছিয়ে যাননি বরং রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। তার সততা ও ত্যাগের নজির এলাকায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপির কঠিন সময়ে তিনি দলের পক্ষে জনগণকে সংগঠিত করেছেন এবং তৃণমূল

পর্যায়ে কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে নিরলস কাজ করেছেন। পেশাগত জীবনে মাহনুল ইসলাম একজন সফল ব্যবসায়ী ও প্রশাসক। তিনি বর্তমানে আমান বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যবসায়িক জীবনে সততা ও স্বচ্ছতার জন্য তিনি যেমন পরিচিত, তেমনি কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অসংখ্য মানুষের জীবিকা নির্বাহের পথ তৈরি করেছেন। তার ব্যবসায়িক সাফল্য তাকে যেমন প্রতিষ্ঠিত করেছে, তেমনি রাজনৈতিক জীবনে অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাকে সহায়তা করেছে। প্রকাশনা ও গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।breakingnews.com.bd এর সম্পাদক ও
প্রকাশক হিসেবে তিনি নি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও সত্য প্রকাশের মাধ্যমে সমাজে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। গণমানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম ধরাই তার জীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। রাজনীতিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কৃষকদল ও বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তুলেছেন। তার নেতৃত্বে ঘাটাইল আসনের সাধারণ মানুষ বিএনপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। বিশেষ করে কৃষক, শ্রমজীবী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ে তিনি সবসময় সরব থেকেছেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনে মাইনুল ইসলামকে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার ব্যাপারে এলাকায় নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। মানুষ বিশ্বাস করছে, তিনি মনোনয়ন পেলে নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন। তার সততা, ত্যাগ ও নিষ্ঠার কারণে সাধারণ মানুষ মনে করে মাইনুল ইসলাম এম এমপি হলে ঘাটাইল আসন সত্যিকার অর্থে জনমানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবে। বিএনপির প্রতি তার ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের কারণে তিনি দলের কর্মীদের কাছে ‘ত্যাগী নেতা’ হিসেবে পরিচিত। আওয়ামী লীগের আমলে নান-াবিধ নির্যাতন-অত্যাচার সহ্য করার পরও তিনি দমে যাননি বরং আরও দৃঢ়ভাবে বিএনপির পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ, বেগম

খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব এবং তাবেক রহমানের দিকনির্দেশনাই দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে পারে। টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনের জনসাধারণ মাইনুল ইসলামকে একজন সৎ, ত্যাগী ও নির্ভরযোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছে শিক্ষিত, যোগ্য ও দূরদর্শী এই নেতা উন্নয়ন, সুশাসন ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। দলের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো, রাজপথে নির্ভীকভাবে আন্দোলন করা এবং জনগণের স্বার্থে আপসহীন থাকার কারণে তিনি কর্মী-সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, রাজনীতি মানে মানুষের সেবা। তার লক্ষ্য হচ্ছে এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি, কৃষকের অধিকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা। তার ভিশন হলো ঘাটাইলকে আধুনিক ও উন্নত একটি অঞ্চলে পরিণত করা যেখানে মানুষ শান্তি ও মর্যাদার সাথে বসবাস করতে পারবে। সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সবসময় অগ্রগামী ভূমিকা পালন করেছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে তার অবদান এলাকাবাসী শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ সহায়তা প্রদান এবং চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করার মাধ্যমে তিনি জনসেবায় আত্মনিয়োগ করেছেন। আসন্ন নির্বাচনে ঘাটাইল আসনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে তার জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম তাকে একজন আধুনিক, সৎ ও যোগ্য নেতা হিসেবে দেখছে। তার নেতৃত্বে বিএনপি নতুন করে ঘাটাইলে প্রাণ ফিরে পাবে বলে এলাকার মানুষ দৃঢ়ভ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। আওয়ামী লীগের দমন-পীড়ন আদায়, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে তার সংগ্রামী ভূমিকা সাধারণ মানুষের মনে সাহস যুগিয়েছে। মাইনুল ইসলামের রাজনৈতিক দর্শন হচ্ছে বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, উন্নত, সুশাসিত ও আত্মত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতেই থাকা উচিত। তাই তিনি সবসময় জনগণের মতামতকে মূল্যায়ন করেন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের সমস্যা সমাধানে অঙ্গীকারবদ্ধ। তার পুরো জীবনকথা একটি সংগ্রাম ও ত্যাগের ইতিহাস। ব্যবসা-বাণিজ্যে সফলতা, গণমাধ্যমে অবদান, রাজনীতিতে সততা, সমাজে মানবসেবা এবং দলের প্রতি অটল নিষ্ঠাড়সবকিছু মিলিয়ে তিনি আজ ঘাটাইল আসনের মানুষের কাছে আশা ও সম্ভাবনার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছেন। মাহনুল ইসলাম বিশ্বাস করেন, বিএনপিই একমাত্র দল যারা দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে সক্ষম।

তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “আমি ঘাটাইল আসনের জনগণের সেবক হতে চাই, তাদের সুখ-দুঃখের সাথী হতে চাই, বিএনপির পতাকা হাতে নিয়ে আজীবন গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই করে যাবো। জনগণের ভালোবাসা, দলের প্রতি আনুগত্য এবং ব্যক্তিগত সততা এই তিনটি মূল শক্তিকে পুঁজি করে মাইনুল ইসলাম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঘাটাইল আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়ে জনগণের প্রত্যাশা পুরণ করবেন বলে সবাই আশা করছে।