ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




সেই ‌’বুকখোলা’ সোহাগ গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ ১৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক’ রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি অফিসের সামনে হেলমেট পরে পুলিশের গাড়ির ওপর দাঁড়িয়ে কালো শার্টের বোতাম খুলে উল্লাস করা সোহাগ ভু্ইয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোহাগ শাহজাহানপুর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক।

সোহাগের বাবা জানিয়েছেন, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সোহাগকে গ্রেফতার করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গেছে। তবে গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।

সোহাগের বোন সেলিনা আক্তার জানান, সকাল সাতটার দিকে রাজধানীর শনির আখড়া থেকে তাকে তুলে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ।

তিনি বলেন, আমি কুমিল্লায় আমার শ্বশুর বাড়িতে ছিলাম। সেখান থেকে আমাকে রাত ২টায় পুলিশ আটক করে। এরপর রাত তিনটায় আমাকে নাঙ্গলকোট থানায় নিয়ে যায় তারা। সেখানে নিয়ে আমাকে নানারকম ভয়-ভীতি দেখানো হয়। আমার শ্বাশুড়িকেও আটক করার ভয় দেখায় পুলিশ।

সেলিনা আরও বলেন, পুলিশ আমাকে বলেছিল, আমি যদি সোহাগের খবর না দিই তাহলে আমার বাচ্চাসহ সাত বছর জেল খাটতে হবে। আজ ভোরে তারা আমাকে ঢাকায় নিয়ে আসে। পরে আমাদের এক আত্মীয়ের বাসা থেকে তারা সোহাগকে নিয়ে যায়।

গত ১৪ নভেম্বর বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রির দ্বিতীয় দিন নয়াপল্টনে পুলিশ সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে দলীয় নেতাকর্মীদের নের্তৃত্ব দেন সোহাগ ভুইয়া। পুলিশের সামনে বুক খুলে দিয়ে ‘এসো গুলি করে মারো’ চিৎকার করে সোহাগ ওইসময় উত্তেজনা তৈরি করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




সেই ‌’বুকখোলা’ সোহাগ গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১২:২৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক’ রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি অফিসের সামনে হেলমেট পরে পুলিশের গাড়ির ওপর দাঁড়িয়ে কালো শার্টের বোতাম খুলে উল্লাস করা সোহাগ ভু্ইয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোহাগ শাহজাহানপুর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক।

সোহাগের বাবা জানিয়েছেন, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সোহাগকে গ্রেফতার করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গেছে। তবে গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।

সোহাগের বোন সেলিনা আক্তার জানান, সকাল সাতটার দিকে রাজধানীর শনির আখড়া থেকে তাকে তুলে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ।

তিনি বলেন, আমি কুমিল্লায় আমার শ্বশুর বাড়িতে ছিলাম। সেখান থেকে আমাকে রাত ২টায় পুলিশ আটক করে। এরপর রাত তিনটায় আমাকে নাঙ্গলকোট থানায় নিয়ে যায় তারা। সেখানে নিয়ে আমাকে নানারকম ভয়-ভীতি দেখানো হয়। আমার শ্বাশুড়িকেও আটক করার ভয় দেখায় পুলিশ।

সেলিনা আরও বলেন, পুলিশ আমাকে বলেছিল, আমি যদি সোহাগের খবর না দিই তাহলে আমার বাচ্চাসহ সাত বছর জেল খাটতে হবে। আজ ভোরে তারা আমাকে ঢাকায় নিয়ে আসে। পরে আমাদের এক আত্মীয়ের বাসা থেকে তারা সোহাগকে নিয়ে যায়।

গত ১৪ নভেম্বর বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রির দ্বিতীয় দিন নয়াপল্টনে পুলিশ সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে দলীয় নেতাকর্মীদের নের্তৃত্ব দেন সোহাগ ভুইয়া। পুলিশের সামনে বুক খুলে দিয়ে ‘এসো গুলি করে মারো’ চিৎকার করে সোহাগ ওইসময় উত্তেজনা তৈরি করে।