ঢাকা ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ




ফায়ার সার্ভিসের ডিজি’র বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ডিজি’র বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের কোন প্রকার সত্যতা পাওয়া যায়নি মর্মে রিপোর্ট প্রদান করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুরক্ষা বিভাগ এর তদন্ত কমিটি। ডিজিকে নিয়ে সকল অভিযোগ মিথ্যে প্রমাণিত হয়েছে উক্ত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে। এছাড়াও উক্ত অভিযোগে অভিযোগকারীর যে পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে সে নিজেই জানেননা এই অভিযোগের বিষয়।

ফায়ার সার্ভিসের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বেশ কিছু দুষ্কৃতকারী তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ফায়ার সার্ভিসের বিরুদ্ধে নানা রকম মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব মিথ্যা অভিযোগ বিভিন্ন স্থানে উপস্থাপন করে ফায়ার সার্ভিসের সুনাম ক্ষণ্য করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। এসব অপপ্রচারকারীদের মিথ্যা উম্মোচন হয়েছে এই রিপোর্টে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ডিজি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিনের কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুরক্ষা বিভাগ। এই অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছিল সেই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করে। সুরক্ষা বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর মতিউর রহমান পাটোয়ারীর মাধ্যমে ২০২১-২২ অর্থ বছরে ১২ কোটি টাকা কোটেশন করে কোন কাজ না করে লুটপাট করে অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগটি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, স্বল্পমূল্যের জরুরী অথচ সহজ লভ্য পণ্য ও সেবা ক্রয়ের মাধ্যমে অপারেশনাল সরঞ্জামাদি সচল রাখার জন্য নির্দিষ্ট মূল্য সীমা অতিক্রম না করা সাপেক্ষে ১ জুলাই ২০২১ হতে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত সময়কালে ১৭৬ টি ক্রয় কার্যক্রম কোটেশনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ক্রয় পরিকল্পনা অনুযায়ী PPA ২০০৬ এবং PPR ২০০৮ অনুযায়ী ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (PPR) অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক(প্রশাসন ও অর্থ) এর সভাপতিত্বে বিভিন্ন পদের বিভিন্ন সংখ্যার সদস্যের সমন্বয়ে পৃথক পৃথক কমিটি বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে টেন্ডার এবং কোটেশন এর মাধ্যমে সকল দাপ্তরিক ক্রয় সরকারি ক্রয় নীতি অনুসরণ করে ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। ১ জুলাই ২০২১ হতে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত সময়কালে ২৬ টি OTM ও ৩টি DPM এবং ১ জুলাই ২০২২ হতে ৩০ জুন ২০২৩ পর্যন্ত সময়কালে ৩৭টি OTM ও ৩টি DPM করা হয়েছে পর্যালোচনায় দেখা যায়। মহাপরিচালক গত ২৬ মে ২০২২ তারিখে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২১-২২ অর্থ বছরে তার কার্যকাল ছিল ১ মাস। ২০২১-২২ অর্থ বছরে চাহিদা ও ক্রয় প্রক্রিয়া অর্থ বছরের প্রথম থেকেই কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। সুতরাং মহাপরিচালকের অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়নি।

অভিযোগকারীর ক্যান্টিন বাণিজ্যের বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, পূর্বাচল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মাল্টিপারপাস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত প্রশিক্ষনার্থীদের জন্য তাদের মধ্য হতে ম্যানেজার নির্বাচন করে মেস পরিচালনা করা হয়। উন্মুক্ত বাজার হতে খাদ্য সামগ্রিক ক্রয় করে আনার পর তা রান্না করে বিতরণ করা হয় এবং মোট খরচ কে বিল সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মিল প্রতি খরচ নির্ধারণ করা হয়। প্রশিক্ষনার্থীদের যে কেউ যেকোনো সময় বাজার খরচের হিসাব এবং তার মিল সংখ্যা যাচাই করতে পারেন। তাই মেসের খাবার দাম বাজার দাম হতে কোনক্রমেই বেশি রাখার সুযোগ নেই।

প্রশিক্ষণ সেন্টারটি তে একটি ক্যান্টিন আছে যা ফায়ার সার্ভিস কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে ১ নভেম্বর ২০২২ অর্থাৎ প্রশিক্ষণের শুরুতেই জনাব মোঃ নিজামুল এহসান মজুমদার, পিতা: মৃত মশিউর রহমান মজুমদার গ্রাম: হরিনা উপজেলা: চান্দিনা জেলা: কুমিল্লা এর নিকট তিন বছরের জন্য ইদারা দেয়া হয়েছে। এ ক্যান্টিন হতে পণ্য ক্রয়ের জন্য প্রশিক্ষনার্থীদের কোন বাধ্যবাধকতা নেই তারা চাইলে নিকটস্থ নীলা মার্কেটসহ অন্য যে কোন স্থান হতে প্রয়োজনে পণ্যাদি ক্রয় করতে পারে এবং ক্যান্টিনের বিষয়ে ডিজির ছোট ভাইয়ের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

এছাড়াও অভিযুক্ত নিয়োগ, বদলি, টেন্ডার বাণিজ্যের ঘুষের টাকা হুন্ডির মাধ্যমে আমেরিকায় পাচার করা এবং মাঝে মাঝে বিদেশ যাওয়ার সময় নগদ কোটি কোটি ডলার নিয়ে পাচার করে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করা সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে কোন দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে মনির হোসেন (সহকারি পরিচালক) উপস্থিত হয়ে বলেছেন, তিনি কোন অভিযোগ করেননি এবং অভিযোগকারীর স্বাক্ষর ও তার নয়। সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত অভিযোগ তদন্ত করে আফরোজা আক্তার রিবা (সিনিয়র সহকারী সচিব, নিরাপত্তা-৩ শাখা)

ও ফয়সাল আহমেদ ( যুগ্নসচিব, পরিকল্পনা অধিশাখা) এবং সাইফুল ইসলাম (অতিরিক্ত সচিব, মাদক অনুবিভাগ), স্বাক্ষরিত লিখিত এক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, সার্বিক পর্যালোচনায় বেনামী অভিযোগকারীর অভিযোগ প্রমাণের মত কোন সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সুতরাং অভিযোগ সমূহ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি।

Loading

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ফায়ার সার্ভিসের ডিজি’র বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত 

আপডেট সময় : ১০:৪২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ডিজি’র বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের কোন প্রকার সত্যতা পাওয়া যায়নি মর্মে রিপোর্ট প্রদান করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুরক্ষা বিভাগ এর তদন্ত কমিটি। ডিজিকে নিয়ে সকল অভিযোগ মিথ্যে প্রমাণিত হয়েছে উক্ত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে। এছাড়াও উক্ত অভিযোগে অভিযোগকারীর যে পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে সে নিজেই জানেননা এই অভিযোগের বিষয়।

ফায়ার সার্ভিসের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বেশ কিছু দুষ্কৃতকারী তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ফায়ার সার্ভিসের বিরুদ্ধে নানা রকম মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব মিথ্যা অভিযোগ বিভিন্ন স্থানে উপস্থাপন করে ফায়ার সার্ভিসের সুনাম ক্ষণ্য করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। এসব অপপ্রচারকারীদের মিথ্যা উম্মোচন হয়েছে এই রিপোর্টে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ডিজি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিনের কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুরক্ষা বিভাগ। এই অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছিল সেই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করে। সুরক্ষা বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর মতিউর রহমান পাটোয়ারীর মাধ্যমে ২০২১-২২ অর্থ বছরে ১২ কোটি টাকা কোটেশন করে কোন কাজ না করে লুটপাট করে অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগটি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, স্বল্পমূল্যের জরুরী অথচ সহজ লভ্য পণ্য ও সেবা ক্রয়ের মাধ্যমে অপারেশনাল সরঞ্জামাদি সচল রাখার জন্য নির্দিষ্ট মূল্য সীমা অতিক্রম না করা সাপেক্ষে ১ জুলাই ২০২১ হতে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত সময়কালে ১৭৬ টি ক্রয় কার্যক্রম কোটেশনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ক্রয় পরিকল্পনা অনুযায়ী PPA ২০০৬ এবং PPR ২০০৮ অনুযায়ী ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (PPR) অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক(প্রশাসন ও অর্থ) এর সভাপতিত্বে বিভিন্ন পদের বিভিন্ন সংখ্যার সদস্যের সমন্বয়ে পৃথক পৃথক কমিটি বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে টেন্ডার এবং কোটেশন এর মাধ্যমে সকল দাপ্তরিক ক্রয় সরকারি ক্রয় নীতি অনুসরণ করে ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। ১ জুলাই ২০২১ হতে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত সময়কালে ২৬ টি OTM ও ৩টি DPM এবং ১ জুলাই ২০২২ হতে ৩০ জুন ২০২৩ পর্যন্ত সময়কালে ৩৭টি OTM ও ৩টি DPM করা হয়েছে পর্যালোচনায় দেখা যায়। মহাপরিচালক গত ২৬ মে ২০২২ তারিখে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২১-২২ অর্থ বছরে তার কার্যকাল ছিল ১ মাস। ২০২১-২২ অর্থ বছরে চাহিদা ও ক্রয় প্রক্রিয়া অর্থ বছরের প্রথম থেকেই কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। সুতরাং মহাপরিচালকের অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়নি।

অভিযোগকারীর ক্যান্টিন বাণিজ্যের বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, পূর্বাচল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মাল্টিপারপাস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত প্রশিক্ষনার্থীদের জন্য তাদের মধ্য হতে ম্যানেজার নির্বাচন করে মেস পরিচালনা করা হয়। উন্মুক্ত বাজার হতে খাদ্য সামগ্রিক ক্রয় করে আনার পর তা রান্না করে বিতরণ করা হয় এবং মোট খরচ কে বিল সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মিল প্রতি খরচ নির্ধারণ করা হয়। প্রশিক্ষনার্থীদের যে কেউ যেকোনো সময় বাজার খরচের হিসাব এবং তার মিল সংখ্যা যাচাই করতে পারেন। তাই মেসের খাবার দাম বাজার দাম হতে কোনক্রমেই বেশি রাখার সুযোগ নেই।

প্রশিক্ষণ সেন্টারটি তে একটি ক্যান্টিন আছে যা ফায়ার সার্ভিস কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে ১ নভেম্বর ২০২২ অর্থাৎ প্রশিক্ষণের শুরুতেই জনাব মোঃ নিজামুল এহসান মজুমদার, পিতা: মৃত মশিউর রহমান মজুমদার গ্রাম: হরিনা উপজেলা: চান্দিনা জেলা: কুমিল্লা এর নিকট তিন বছরের জন্য ইদারা দেয়া হয়েছে। এ ক্যান্টিন হতে পণ্য ক্রয়ের জন্য প্রশিক্ষনার্থীদের কোন বাধ্যবাধকতা নেই তারা চাইলে নিকটস্থ নীলা মার্কেটসহ অন্য যে কোন স্থান হতে প্রয়োজনে পণ্যাদি ক্রয় করতে পারে এবং ক্যান্টিনের বিষয়ে ডিজির ছোট ভাইয়ের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

এছাড়াও অভিযুক্ত নিয়োগ, বদলি, টেন্ডার বাণিজ্যের ঘুষের টাকা হুন্ডির মাধ্যমে আমেরিকায় পাচার করা এবং মাঝে মাঝে বিদেশ যাওয়ার সময় নগদ কোটি কোটি ডলার নিয়ে পাচার করে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করা সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে কোন দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে মনির হোসেন (সহকারি পরিচালক) উপস্থিত হয়ে বলেছেন, তিনি কোন অভিযোগ করেননি এবং অভিযোগকারীর স্বাক্ষর ও তার নয়। সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত অভিযোগ তদন্ত করে আফরোজা আক্তার রিবা (সিনিয়র সহকারী সচিব, নিরাপত্তা-৩ শাখা)

ও ফয়সাল আহমেদ ( যুগ্নসচিব, পরিকল্পনা অধিশাখা) এবং সাইফুল ইসলাম (অতিরিক্ত সচিব, মাদক অনুবিভাগ), স্বাক্ষরিত লিখিত এক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, সার্বিক পর্যালোচনায় বেনামী অভিযোগকারীর অভিযোগ প্রমাণের মত কোন সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সুতরাং অভিযোগ সমূহ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি।

Loading