• ২২শে মে ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ভোলার মেঘনা নদীতে বিশেষ অভিযান: নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের রহস্যময় রঙ্গ!

সকালের সংবাদ ডেস্ক;
প্রকাশিত জুলাই ১৫, ২০২১, ১৭:৩১ অপরাহ্ণ
ভোলার মেঘনা নদীতে বিশেষ অভিযান: নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের রহস্যময় রঙ্গ!

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোলার মেঘনা নদীর তলাতুলির অদূরের মাঝের চর নামক এলাকা হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে স্থানীয় প্রশাসন একটি ড্রেজার ও বালুবাহী কার্গোসহ ১৫ ব্যাক্তিকে আটক করেছে। (১৪ জুলাই বুধবার) দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু আবি আব্দুল্লাহ খান পুলিশের একটি টিমসহ ওই এলাকায় হানা দেন। সেখান থেকে বালুদস্যুদের আটক করার পর রহস্যময় কারনে ফের ছেড়ে দেয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নদীর জেলেরা জানান, ভোলার মাঝের চর নামক এলাকার মেঘনা নদী হতে বালু লুটকালে ওইসব দস্যু বাহিনীকে আটকের পর কেন ছেড়ে দেয়া হলো তা অনেকেরই বোধগম্য নশ। তারা জানান, এইসব অবৈধ ড্রেজারগুলো ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকীব ও তার ভাতিজা শামীম মোরাদারের।আঃ লীগ সরকার গঠনের পর থেকে অদ্যপর্যন্ত তারা ভোলার মেঘনা নদী হতে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা আয় করেছন। ভোলার মেঘনা নদীর পুরোটাই তাদের দখলে রেখে বালুখেকো বাহিনী গড়ে তোলা হয়েছে বলে সেখানকার আ” লীগের একাধিক নেতাকর্মী অভিযোগ করেছেন।
এদিকে অবৈধ ড্রেজার,ভলগেট ও বালুদস্যুদের কেনো ছেড়ে দেয়া হলো এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবি আব্দুল্লাহ খান জানান,ঘটনাস্থল লক্ষীপুর জেলার অংশ হওয়ায় আটককৃতদের ছেড়ে দিয়েছি। তবে স্থানীয়দের দাবী,ওই এলাকাটির পুরোটাই ভোলা জেলার অংশ। সেখানকার চেয়ারম্যান ছিলেন,আ’লীগ নেতা জহহরুল ইসলাম নকীব।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকীব বলেন,আমার কোন অবৈধ বালুর বয়বসা নেই।যারা এসব অবান্তর কথা বলছেন তা একেবারেই অবান্তর বলে তিনি দাবীকরেন।

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫২
  • ১১:৫৮
  • ৪:৩৩
  • ৬:৪০
  • ৮:০৩
  • ৫:১৩
error: Content is protected !!