ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মঙ্গল শোভাযাত্রা – তাসফিয়া ফারহানা ঐশী Logo সাস্টিয়ান ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর ইফতার মাহফিল সম্পন্ন Logo কুবির চট্টগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ইফতার ও পূর্নমিলনী Logo অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদের মায়ের মৃত্যুতে শাবির মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্ত চিন্তা চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ পরিষদের শোক প্রকাশ Logo শাবির অধ্যাপক জহীর উদ্দিনের মায়ের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক প্রকাশ Logo বিশ কোটিতে গণপূর্তের প্রধান হওয়ার মিশনে ‘ছাত্রদল ক্যাডার প্রকৌশলী’! Logo দূর্নীতির রাক্ষস ফায়ার সার্ভিসের এডি আনোয়ার! Logo ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি হওয়া শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামোর সংস্কার শুরু Logo বুয়েটে নিয়মতান্ত্রিক ছাত্র রাজনীতির দাবিতে শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের মানববন্ধন Logo কুবি উপাচার্যের বক্তব্যের প্রমাণ দিতে শিক্ষক সমিতির সাত দিনের আল্টিমেটাম




ভোলার মেঘনা নদীতে বিশেষ অভিযান: নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের রহস্যময় রঙ্গ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই ২০২১ ২০০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোলার মেঘনা নদীর তলাতুলির অদূরের মাঝের চর নামক এলাকা হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে স্থানীয় প্রশাসন একটি ড্রেজার ও বালুবাহী কার্গোসহ ১৫ ব্যাক্তিকে আটক করেছে। (১৪ জুলাই বুধবার) দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু আবি আব্দুল্লাহ খান পুলিশের একটি টিমসহ ওই এলাকায় হানা দেন। সেখান থেকে বালুদস্যুদের আটক করার পর রহস্যময় কারনে ফের ছেড়ে দেয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নদীর জেলেরা জানান, ভোলার মাঝের চর নামক এলাকার মেঘনা নদী হতে বালু লুটকালে ওইসব দস্যু বাহিনীকে আটকের পর কেন ছেড়ে দেয়া হলো তা অনেকেরই বোধগম্য নশ। তারা জানান, এইসব অবৈধ ড্রেজারগুলো ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকীব ও তার ভাতিজা শামীম মোরাদারের।আঃ লীগ সরকার গঠনের পর থেকে অদ্যপর্যন্ত তারা ভোলার মেঘনা নদী হতে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা আয় করেছন। ভোলার মেঘনা নদীর পুরোটাই তাদের দখলে রেখে বালুখেকো বাহিনী গড়ে তোলা হয়েছে বলে সেখানকার আ” লীগের একাধিক নেতাকর্মী অভিযোগ করেছেন।
এদিকে অবৈধ ড্রেজার,ভলগেট ও বালুদস্যুদের কেনো ছেড়ে দেয়া হলো এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবি আব্দুল্লাহ খান জানান,ঘটনাস্থল লক্ষীপুর জেলার অংশ হওয়ায় আটককৃতদের ছেড়ে দিয়েছি। তবে স্থানীয়দের দাবী,ওই এলাকাটির পুরোটাই ভোলা জেলার অংশ। সেখানকার চেয়ারম্যান ছিলেন,আ’লীগ নেতা জহহরুল ইসলাম নকীব।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকীব বলেন,আমার কোন অবৈধ বালুর বয়বসা নেই।যারা এসব অবান্তর কথা বলছেন তা একেবারেই অবান্তর বলে তিনি দাবীকরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ভোলার মেঘনা নদীতে বিশেষ অভিযান: নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের রহস্যময় রঙ্গ!

আপডেট সময় : ০৫:৩১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোলার মেঘনা নদীর তলাতুলির অদূরের মাঝের চর নামক এলাকা হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে স্থানীয় প্রশাসন একটি ড্রেজার ও বালুবাহী কার্গোসহ ১৫ ব্যাক্তিকে আটক করেছে। (১৪ জুলাই বুধবার) দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু আবি আব্দুল্লাহ খান পুলিশের একটি টিমসহ ওই এলাকায় হানা দেন। সেখান থেকে বালুদস্যুদের আটক করার পর রহস্যময় কারনে ফের ছেড়ে দেয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নদীর জেলেরা জানান, ভোলার মাঝের চর নামক এলাকার মেঘনা নদী হতে বালু লুটকালে ওইসব দস্যু বাহিনীকে আটকের পর কেন ছেড়ে দেয়া হলো তা অনেকেরই বোধগম্য নশ। তারা জানান, এইসব অবৈধ ড্রেজারগুলো ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকীব ও তার ভাতিজা শামীম মোরাদারের।আঃ লীগ সরকার গঠনের পর থেকে অদ্যপর্যন্ত তারা ভোলার মেঘনা নদী হতে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা আয় করেছন। ভোলার মেঘনা নদীর পুরোটাই তাদের দখলে রেখে বালুখেকো বাহিনী গড়ে তোলা হয়েছে বলে সেখানকার আ” লীগের একাধিক নেতাকর্মী অভিযোগ করেছেন।
এদিকে অবৈধ ড্রেজার,ভলগেট ও বালুদস্যুদের কেনো ছেড়ে দেয়া হলো এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবি আব্দুল্লাহ খান জানান,ঘটনাস্থল লক্ষীপুর জেলার অংশ হওয়ায় আটককৃতদের ছেড়ে দিয়েছি। তবে স্থানীয়দের দাবী,ওই এলাকাটির পুরোটাই ভোলা জেলার অংশ। সেখানকার চেয়ারম্যান ছিলেন,আ’লীগ নেতা জহহরুল ইসলাম নকীব।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকীব বলেন,আমার কোন অবৈধ বালুর বয়বসা নেই।যারা এসব অবান্তর কথা বলছেন তা একেবারেই অবান্তর বলে তিনি দাবীকরেন।