ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

দেরিতে ঘুম থেকে ওঠায় গৃহকর্মীকে হত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২১ ২০৪ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি;

ময়মনসিংহে গৃহকর্মী সাবিনা (২০) হত্যার পর মরদেহ লাগেজে ভরে গৌরীপুর গঙ্গাশ্রম এলাকার জোড়া ব্রীজের নীচে ডোবার পানিতে ফেলে দেন বলে আদালতে স্বীকার করেছেন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার দম্পতি।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) বিকালে ময়মনসিংহের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবুল কাশেম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এরআগে বুধবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ময়মনসিংহ নগরীর মধ্য-বারেরা এলাকা থেকে গৃহকর্তা জাকির হোসেন সোহাগ (৪৪) ও তার স্ত্রী জেসিকে গ্রেফতার করে পিবিআই। পরদিন (২৮ জানুয়ারি) তারা আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করায় তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়।

নিহত গৃহকর্মী সদর উপজেলার উজানঘাগড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের মেয়ে। অন্যদিকে জাকির হোসেন সোহাগ আব্দুল কদ্দুসের ছেলে। নগরীর গঙ্গাদাস গুহ রোড এলাকার তৈমুর টাওয়ারে বসবাস করতেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবুল কাশেম আরও বলেন, চার বছর আগে সংসারে অভাব অনটন থাকায় ময়মনসিংহ নগরীর গঙ্গাদাস গুহ রোডের তৈমুর এক্সেল টাওয়ারের ১৪ তলার মেরিন ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন ও জেসির বাসায় গৃহকর্মীর কাজে নেন সাবিনা। কাজে ভুল-ক্রুটি হলেই জেসি ও তার স্বামী জাকির হোসেন সোহাগ নির্যাতন করতেন।

তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর সাবিনা অসুস্থ থাকায় সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়। এজন্য সাবিনাকে বেধড়ক পেটায় গৃহকর্তী। এক পর্যায়ে সাবিনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী জেসি সাবিনার মরদেহ একটি লাগেজে ভরে রাতে গৌরীপুর গঙ্গাশ্রম এলাকার জোড়া ব্রিজের নিচে ডোবায় ফেলে দেন। পরদিন সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই দিন অজ্ঞাতনামা আসামি করে গৌরীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ। পরে ১৫ নভেম্বর হত্যা মামলা তদন্তের জন্য পিবিআইয়ে হস্তান্তর হয়। ওই লাগেজে একটি আইডেন্টিটি মার্ক পাওয়া যায়। তারই সূত্র ধরে জাকির সোহাগ ও তার স্ত্রী জেসিকে গ্রেফতার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

দেরিতে ঘুম থেকে ওঠায় গৃহকর্মীকে হত্যা

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২১

জেলা প্রতিনিধি;

ময়মনসিংহে গৃহকর্মী সাবিনা (২০) হত্যার পর মরদেহ লাগেজে ভরে গৌরীপুর গঙ্গাশ্রম এলাকার জোড়া ব্রীজের নীচে ডোবার পানিতে ফেলে দেন বলে আদালতে স্বীকার করেছেন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার দম্পতি।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) বিকালে ময়মনসিংহের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবুল কাশেম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এরআগে বুধবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ময়মনসিংহ নগরীর মধ্য-বারেরা এলাকা থেকে গৃহকর্তা জাকির হোসেন সোহাগ (৪৪) ও তার স্ত্রী জেসিকে গ্রেফতার করে পিবিআই। পরদিন (২৮ জানুয়ারি) তারা আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করায় তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়।

নিহত গৃহকর্মী সদর উপজেলার উজানঘাগড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের মেয়ে। অন্যদিকে জাকির হোসেন সোহাগ আব্দুল কদ্দুসের ছেলে। নগরীর গঙ্গাদাস গুহ রোড এলাকার তৈমুর টাওয়ারে বসবাস করতেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবুল কাশেম আরও বলেন, চার বছর আগে সংসারে অভাব অনটন থাকায় ময়মনসিংহ নগরীর গঙ্গাদাস গুহ রোডের তৈমুর এক্সেল টাওয়ারের ১৪ তলার মেরিন ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন ও জেসির বাসায় গৃহকর্মীর কাজে নেন সাবিনা। কাজে ভুল-ক্রুটি হলেই জেসি ও তার স্বামী জাকির হোসেন সোহাগ নির্যাতন করতেন।

তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর সাবিনা অসুস্থ থাকায় সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়। এজন্য সাবিনাকে বেধড়ক পেটায় গৃহকর্তী। এক পর্যায়ে সাবিনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী জেসি সাবিনার মরদেহ একটি লাগেজে ভরে রাতে গৌরীপুর গঙ্গাশ্রম এলাকার জোড়া ব্রিজের নিচে ডোবায় ফেলে দেন। পরদিন সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই দিন অজ্ঞাতনামা আসামি করে গৌরীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ। পরে ১৫ নভেম্বর হত্যা মামলা তদন্তের জন্য পিবিআইয়ে হস্তান্তর হয়। ওই লাগেজে একটি আইডেন্টিটি মার্ক পাওয়া যায়। তারই সূত্র ধরে জাকির সোহাগ ও তার স্ত্রী জেসিকে গ্রেফতার করা হয়।