ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মঙ্গল শোভাযাত্রা – তাসফিয়া ফারহানা ঐশী Logo সাস্টিয়ান ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর ইফতার মাহফিল সম্পন্ন Logo কুবির চট্টগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ইফতার ও পূর্নমিলনী Logo অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদের মায়ের মৃত্যুতে শাবির মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্ত চিন্তা চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ পরিষদের শোক প্রকাশ Logo শাবির অধ্যাপক জহীর উদ্দিনের মায়ের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক প্রকাশ Logo বিশ কোটিতে গণপূর্তের প্রধান হওয়ার মিশনে ‘ছাত্রদল ক্যাডার প্রকৌশলী’! Logo দূর্নীতির রাক্ষস ফায়ার সার্ভিসের এডি আনোয়ার! Logo ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি হওয়া শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামোর সংস্কার শুরু Logo বুয়েটে নিয়মতান্ত্রিক ছাত্র রাজনীতির দাবিতে শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের মানববন্ধন Logo কুবি উপাচার্যের বক্তব্যের প্রমাণ দিতে শিক্ষক সমিতির সাত দিনের আল্টিমেটাম




‘মামলা তুলে না নেয়ায়’ গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতন!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১ ১০১ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি;

মামলা তুলে না নেয়ায় শান্তা আক্তার (২৫) নামের এক গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের বিরাসার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

চাচার নির্যাতনের শিকার হয়ে ওই গৃহবধূ এখন হাসপাতালের বিছানায় ছটফট করছেন। শান্তা সদর উপজেলার শিলাউর গ্রামের রাসেল মিয়ার স্ত্রী।

জানা গেছে, কয়েক মাস আগে শান্তার ছোট ছেলের সঙ্গে তার আপন চাচা হুমায়ূন মিয়ার ঝগড়া হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনাও ঘটে। ওই ঘটনায় হুমায়ূনের বিরুদ্ধে মামলা করে শান্তার পরিবার। মামলাটি তুলে নিতে চাপ দিয়ে আসছিলেন হুমায়ূন। রোববার সন্ধ্যায় শান্তা ডাক্তার দেখানোর জন্য আত্মীয়ের বাসা থেকে জেলা শহরে যাচ্ছিলেন শান্তা। এ সময় বিরাসা এলাকায় শান্তার পথরোধ করেন হুমায়ূন ও তার সহযোগীরা। পরে তার হাত-পা বেঁধে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।

এক পর্যায়ে শান্তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় শান্তার চিৎকার শুনে পরিবারের লোকজন ছুটে এলে সহযোগীদের নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান হুমায়ূন। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শান্তার মা রোকসানা বেগম জানান, মারামারির ঘটনায় মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমায়ূন চাপ দিচ্ছিলেন। এর জের ধরে রাস্তায় শান্তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্লেড দিয়ে রক্তাক্ত করেছেন তারা।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম বলেন, ঘটনাটি শুনে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




‘মামলা তুলে না নেয়ায়’ গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতন!

আপডেট সময় : ১০:০২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১

জেলা প্রতিনিধি;

মামলা তুলে না নেয়ায় শান্তা আক্তার (২৫) নামের এক গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের বিরাসার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

চাচার নির্যাতনের শিকার হয়ে ওই গৃহবধূ এখন হাসপাতালের বিছানায় ছটফট করছেন। শান্তা সদর উপজেলার শিলাউর গ্রামের রাসেল মিয়ার স্ত্রী।

জানা গেছে, কয়েক মাস আগে শান্তার ছোট ছেলের সঙ্গে তার আপন চাচা হুমায়ূন মিয়ার ঝগড়া হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনাও ঘটে। ওই ঘটনায় হুমায়ূনের বিরুদ্ধে মামলা করে শান্তার পরিবার। মামলাটি তুলে নিতে চাপ দিয়ে আসছিলেন হুমায়ূন। রোববার সন্ধ্যায় শান্তা ডাক্তার দেখানোর জন্য আত্মীয়ের বাসা থেকে জেলা শহরে যাচ্ছিলেন শান্তা। এ সময় বিরাসা এলাকায় শান্তার পথরোধ করেন হুমায়ূন ও তার সহযোগীরা। পরে তার হাত-পা বেঁধে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।

এক পর্যায়ে শান্তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় শান্তার চিৎকার শুনে পরিবারের লোকজন ছুটে এলে সহযোগীদের নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান হুমায়ূন। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শান্তার মা রোকসানা বেগম জানান, মারামারির ঘটনায় মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমায়ূন চাপ দিচ্ছিলেন। এর জের ধরে রাস্তায় শান্তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্লেড দিয়ে রক্তাক্ত করেছেন তারা।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম বলেন, ঘটনাটি শুনে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।