ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মঙ্গল শোভাযাত্রা – তাসফিয়া ফারহানা ঐশী Logo সাস্টিয়ান ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর ইফতার মাহফিল সম্পন্ন Logo কুবির চট্টগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ইফতার ও পূর্নমিলনী Logo অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদের মায়ের মৃত্যুতে শাবির মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্ত চিন্তা চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ পরিষদের শোক প্রকাশ Logo শাবির অধ্যাপক জহীর উদ্দিনের মায়ের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক প্রকাশ Logo বিশ কোটিতে গণপূর্তের প্রধান হওয়ার মিশনে ‘ছাত্রদল ক্যাডার প্রকৌশলী’! Logo দূর্নীতির রাক্ষস ফায়ার সার্ভিসের এডি আনোয়ার! Logo ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি হওয়া শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামোর সংস্কার শুরু Logo বুয়েটে নিয়মতান্ত্রিক ছাত্র রাজনীতির দাবিতে শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের মানববন্ধন Logo কুবি উপাচার্যের বক্তব্যের প্রমাণ দিতে শিক্ষক সমিতির সাত দিনের আল্টিমেটাম




ফুটপাতে উঠেছে শীতের পোশাক, কম ক্রেতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২০ ৮২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কয়েক দিনের মেঘলা আবহাওয়ার সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস জানিয়ে দিচ্ছে নগরীতে শীত এসেছে। এদিকে শীত ঘিরে রাজধানীর ফুটপাতের পোশাক বিক্রেতারা গরম কাপড় বিক্রির সবধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। বিক্রেতারা বলছেন, শীতের সঙ্গে সঙ্গে আমরা সবধরনের গরম কাপড় তুলেছি; তবে বাজারে ক্রেতা কম। শীত বাড়ার সঙ্গে ক্রেতার সংখ্যাও বাড়বে বলে তারা মনে করছেন।

এদিকে গত বছরের তুলনায় এবার গরম কাপড়ের দাম পিস প্রতি ২০-৪০ টাকা বেড়েছে বলে বিক্রেতারা জানান। কারণ হিসেবে জানিয়েছেন, বছরজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রভাব থাকায় হয়তো দাম কিছুটা বেড়েছে। তারা আশঙ্কা করছেন, নগরীতে শীত বেশি হলে গরম কাপড়ের দাম আরও বেড়ে যাবে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, পল্টন ও রামপুরা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ফুটপাতে কিংবা রাস্তার ধারে চৌকি ও টেবিল বসিয়ে বিভিন্ন দামের শীতের কাপড় সাজিয়ে রেখেছেন বিক্রেতারা। ক্রেতারা এসে এসে দেখছেন। আবার কেউ কেউ কিনছেন। তবে তুলনামূলক ক্রেতা সংখ্যা কমই দেখা গেছে।

ক্রেতারা বলছেন, এখনও তেমন শীত পড়েনি। শীত বাড়লে অনেকেই গরম কাপড় কিনতে এসব দোকানে ভিড় করবেন। আর ঢাকায় খুব অল্প কয়েকদিন শীত থাকে এজন্য এখনই গরম কাপড় কেনার প্রয়োজন হচ্ছে না।

বেসরকারি এক চাকরিজীবীর সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, অফিস শেষে এখানে আসছি। পছন্দের দামে ফুটপাত থেকে পোশাক কেনা যায় বলে ঘুরে-ফিরে দেখছি। তবে ঢাকায় এখনো শীত কম রয়েছে বলে গরম কাপড়ের তেমন প্রয়োজন হচ্ছে না।

স্কুল-পড়ুয়া নাঈম দুইটি ফুল-হাতা মোটা কাপড়ের গেঞ্জি কিনেছেন। জানতে চাইলে সে বলে, এখন তো তেমন শীত নেই, দেখতেই পারছেন সবাই শার্ট পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে আমার সব হাফ হাতা গেঞ্জি, তাই দুটো ফুলহাতা গেঞ্জি কিনলাম। শীত বেশি পড়লে ব্লেজার, সোয়েটার কিনবো।

কারওয়ান বাজার এলাকার ব্যবসায়ী শাহাদাত বলেন, আমাদের তো ব্যবসা করেই চলতে হয়। কয়েকদিন ঠাণ্ডা আবহাওয়া শুরু হওয়ায় সবধরনের শীতের কাপড় তুলেছি। তবে এখনো তেমন ক্রেতা পাচ্ছি না। শীত বেশি হলে ক্রেতা বাড়বে আবার জিনিসেরও দাম বাড়বে। আর গতবছরের তুলনায় এবার সব কাপড়ের দাম একটু বেড়েছে। এর পেছনে করোনার প্রভাব থাকতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ফুটপাতে উঠেছে শীতের পোশাক, কম ক্রেতা

আপডেট সময় : ১০:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কয়েক দিনের মেঘলা আবহাওয়ার সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস জানিয়ে দিচ্ছে নগরীতে শীত এসেছে। এদিকে শীত ঘিরে রাজধানীর ফুটপাতের পোশাক বিক্রেতারা গরম কাপড় বিক্রির সবধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। বিক্রেতারা বলছেন, শীতের সঙ্গে সঙ্গে আমরা সবধরনের গরম কাপড় তুলেছি; তবে বাজারে ক্রেতা কম। শীত বাড়ার সঙ্গে ক্রেতার সংখ্যাও বাড়বে বলে তারা মনে করছেন।

এদিকে গত বছরের তুলনায় এবার গরম কাপড়ের দাম পিস প্রতি ২০-৪০ টাকা বেড়েছে বলে বিক্রেতারা জানান। কারণ হিসেবে জানিয়েছেন, বছরজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রভাব থাকায় হয়তো দাম কিছুটা বেড়েছে। তারা আশঙ্কা করছেন, নগরীতে শীত বেশি হলে গরম কাপড়ের দাম আরও বেড়ে যাবে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, পল্টন ও রামপুরা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ফুটপাতে কিংবা রাস্তার ধারে চৌকি ও টেবিল বসিয়ে বিভিন্ন দামের শীতের কাপড় সাজিয়ে রেখেছেন বিক্রেতারা। ক্রেতারা এসে এসে দেখছেন। আবার কেউ কেউ কিনছেন। তবে তুলনামূলক ক্রেতা সংখ্যা কমই দেখা গেছে।

ক্রেতারা বলছেন, এখনও তেমন শীত পড়েনি। শীত বাড়লে অনেকেই গরম কাপড় কিনতে এসব দোকানে ভিড় করবেন। আর ঢাকায় খুব অল্প কয়েকদিন শীত থাকে এজন্য এখনই গরম কাপড় কেনার প্রয়োজন হচ্ছে না।

বেসরকারি এক চাকরিজীবীর সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, অফিস শেষে এখানে আসছি। পছন্দের দামে ফুটপাত থেকে পোশাক কেনা যায় বলে ঘুরে-ফিরে দেখছি। তবে ঢাকায় এখনো শীত কম রয়েছে বলে গরম কাপড়ের তেমন প্রয়োজন হচ্ছে না।

স্কুল-পড়ুয়া নাঈম দুইটি ফুল-হাতা মোটা কাপড়ের গেঞ্জি কিনেছেন। জানতে চাইলে সে বলে, এখন তো তেমন শীত নেই, দেখতেই পারছেন সবাই শার্ট পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে আমার সব হাফ হাতা গেঞ্জি, তাই দুটো ফুলহাতা গেঞ্জি কিনলাম। শীত বেশি পড়লে ব্লেজার, সোয়েটার কিনবো।

কারওয়ান বাজার এলাকার ব্যবসায়ী শাহাদাত বলেন, আমাদের তো ব্যবসা করেই চলতে হয়। কয়েকদিন ঠাণ্ডা আবহাওয়া শুরু হওয়ায় সবধরনের শীতের কাপড় তুলেছি। তবে এখনো তেমন ক্রেতা পাচ্ছি না। শীত বেশি হলে ক্রেতা বাড়বে আবার জিনিসেরও দাম বাড়বে। আর গতবছরের তুলনায় এবার সব কাপড়ের দাম একটু বেড়েছে। এর পেছনে করোনার প্রভাব থাকতে পারে।