• ১৬ই এপ্রিল ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী বারের বিএনপিপন্থী ১৬ আইনজীবী বরখাস্ত

সকালের সংবাদ ডেস্ক;
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৯, ২১:৫৩ অপরাহ্ণ
রাজশাহী বারের বিএনপিপন্থী ১৬ আইনজীবী বরখাস্ত

রাজশাহী ব্যুরো; রাজশাহী আইনজীবী সমিতির ১৬ জন সদস্যকে সংগঠনের কল্যাণ তহবিল থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিএনপিপন্থী এসব আইনজীবীরা ২০১০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বার সমিতির নেতৃত্বে ছিলেন। সে সময় বার সমিতির কল্যাণ তহবিলের ১ কোটি ২৮ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে বার সমিতির কার্যালয়ে বিশেষ সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট লোকমান আলী। সভায় সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট একরামুল হকসহ অন্য আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে অ্যাডভোকেট একরামুল হক এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত আইনজীবীরা হলেন বারের সাবেক সভাপতি ও কল্যাণ তহবিল স্ট্যান্ডিং কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, তহবিলের সাবেক চেয়ারম্যান এরশাদ আলী ঈশা, বারের সাবেক সভাপতি মোজাম্মেল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জমসেদ আলী-১, মাইনুল আহসান পান্না ও আফতাবুর রহমান; সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (কল্যাণ তহবিল) পারভেজ তৌফিক জাহেদী, হাবিবুর রহমান-৩, সানোয়ার কবির খান ঈশা ও জানে আলম; সাবেক হিসাব সম্পাদক শামসুল হক, মুন্সি আবুল কালাম আজাদ ও আবদুর রাজ্জাক সরকার; সাবেক অডিট সম্পাদক আবদুল মতিন চৌধুরী রুমি, আদিব ইমাম ডালিম ও মাহবুবুর রহমান রুমন।

বারের সাধারণ সম্পাদক জানান, সাধারণ সভায় এসব সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তাদের কল্যাণ তহবিলের সদস্যপদ বাতিল করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তারা এখন শুধু সহযোগী সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। তবে এদের মধ্যে থেকেও জমসেদ আলী-১, মাইনুল আহসান পান্না ও আফতাবুর রহমানকে তিন বছরের জন্য এবং শামসুল হক, আবদুল মতিন চৌধুরী রুমি, আবদুর রাজ্জাক সরকার, মাহবুবুর রহমান রুমন, মুন্সি আবুল কালাম আজাদ ও আদিব ইমাম ডালিমকে ছয় মাসের জন্য বরখাস্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ তারা সহযোগী সদস্য হিসেবেও গণ্য হবেন না।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, বরখাস্তকালীন সময়ে এসব আইনজীবীরা সমিতির কোনো প্রকার সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না। আদালতে আইন পেশা পরিচালনা করতেও পারবেন না তারা। আর টাকা ফেরত দিতে এই ১৬ জনকে এক মাসের সময় বেধে দেয়া হয়।

এই সময়ের মধ্যে সমিতিতে টাকা ফেরত না দিলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। তবে টাকা ফেরত দিলে তারা তাদের বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সমিতিতে আবেদন করতে পারবেন।