ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




লকডাউনের মধ্যে শরিয়তপুরের হাটগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০ ৮৯ বার পড়া হয়েছে

লকডাউনের মধ্যে শরিয়তপুরের হাটগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

শরীয়তপুর প্রতিনিধি; 

শরীয়তপুর জেলা লকডাউন ঘোষণা করা হলেও সখিপুরের সাপ্তাহিক হাটে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বালার বাজারে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য দিনের মতোই সাপ্তাহিক এই হাটে ধুমছে চলছে কেনা-বেচা। হাটে রয়েছে প্রচুর মানুষের সমাগম।

বালা হাটে আসা কৃষক নিজাম বলনে, ‘আমরা কৃষক, চাষাবাদ করে খাই। আমি জমিতে পেঁয়াজ-রসুন লাগিয়েছি। এগুলো হাটে বিক্রি না করলে আমি কী খেয়ে বাঁচবো। তাই হাটে এসেছি।’

জসিম নামে হাটে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘আমাদের ঘরে তো ফ্রিজ নেই, যে স্টক করে রেখে দিবো। আমাদের প্রতিদিন বাজার করে খেতে হয়। ক্ষিদে তো করোনাভাইরাস বোঝেনা।’

গ্রামের গরীব কৃষক জনগণ এখনো বোঝেনা করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা। সেই সঙ্গে জীবন ও জীবিকার তাগিদে সাপ্তাহিক হাটে আসতে বাধ্য হচ্ছেন গ্রামের সাধারণ মানুষ। এমনটাই জানালেন সাপ্তাহিক হাটে আসা অধিকাংশ লোকজন।

যোগাযোগ করা হলে ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তানভীর আল নাসীফ বলেন, ‘সকালে শুনেছি ইউপি চেয়ারম্যান চৌকিদার দিয়ে মাইকিং-টাইকিং করছে। আমি মন্ত্রী মহোদয়ের প্রটোকলে এসেছি। আমি এখনি লোক পাঠাচ্ছি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




লকডাউনের মধ্যে শরিয়তপুরের হাটগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০

শরীয়তপুর প্রতিনিধি; 

শরীয়তপুর জেলা লকডাউন ঘোষণা করা হলেও সখিপুরের সাপ্তাহিক হাটে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বালার বাজারে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য দিনের মতোই সাপ্তাহিক এই হাটে ধুমছে চলছে কেনা-বেচা। হাটে রয়েছে প্রচুর মানুষের সমাগম।

বালা হাটে আসা কৃষক নিজাম বলনে, ‘আমরা কৃষক, চাষাবাদ করে খাই। আমি জমিতে পেঁয়াজ-রসুন লাগিয়েছি। এগুলো হাটে বিক্রি না করলে আমি কী খেয়ে বাঁচবো। তাই হাটে এসেছি।’

জসিম নামে হাটে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘আমাদের ঘরে তো ফ্রিজ নেই, যে স্টক করে রেখে দিবো। আমাদের প্রতিদিন বাজার করে খেতে হয়। ক্ষিদে তো করোনাভাইরাস বোঝেনা।’

গ্রামের গরীব কৃষক জনগণ এখনো বোঝেনা করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা। সেই সঙ্গে জীবন ও জীবিকার তাগিদে সাপ্তাহিক হাটে আসতে বাধ্য হচ্ছেন গ্রামের সাধারণ মানুষ। এমনটাই জানালেন সাপ্তাহিক হাটে আসা অধিকাংশ লোকজন।

যোগাযোগ করা হলে ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তানভীর আল নাসীফ বলেন, ‘সকালে শুনেছি ইউপি চেয়ারম্যান চৌকিদার দিয়ে মাইকিং-টাইকিং করছে। আমি মন্ত্রী মহোদয়ের প্রটোকলে এসেছি। আমি এখনি লোক পাঠাচ্ছি।’