ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ




কনস্টেবলের শ্বাসকষ্ট দেখে আতঙ্কে থানা ছাড়লেন অন্য পুলিশ সদস্যরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০ ৯৮ বার পড়া হয়েছে

hobiganj-rtvonline

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি, 

হবিগঞ্জে শায়েস্তাগঞ্জে এক কনস্টেবল শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) তাকে সদর আধুনিক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে থানায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা থানা ত্যাগ করে বেরিয়ে পড়েন।
অপরদিকে দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় যেন কাজ বন্ধ না থাকে সেজন্য থানার পুলিশকে দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। এক অংশ স্থানীয় শুভেচ্ছা কমিউনিটি সেন্টারে থানার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক জানান, থানার একজন কনস্টেবল শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। শ্বাসকষ্ট বেশি হওয়ায় তাকে সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি করোনা আক্রান্ত নন। সন্দেহজনক হিসেবে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তার রিপোর্ট পাওয়ার পর বুঝা যাবে।
তিনি বলেন, থানার কাজের সুবিধার্থে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যদি কেউ সংক্রমিত হন তা হলে যেন অন্য একটি অংশ থানার কাজ চালিয়ে রাখতে পারে সেজন্য থানা থেকে একটি অংশ ভাগ করে কমিউনিটি সেন্টারে আনা হয়েছে। তারা ২/৩ দিন ধরে দুভাগে বিভক্ত হয়ে কাজ করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




কনস্টেবলের শ্বাসকষ্ট দেখে আতঙ্কে থানা ছাড়লেন অন্য পুলিশ সদস্যরা

আপডেট সময় : ১২:০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি, 

হবিগঞ্জে শায়েস্তাগঞ্জে এক কনস্টেবল শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) তাকে সদর আধুনিক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে থানায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা থানা ত্যাগ করে বেরিয়ে পড়েন।
অপরদিকে দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় যেন কাজ বন্ধ না থাকে সেজন্য থানার পুলিশকে দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। এক অংশ স্থানীয় শুভেচ্ছা কমিউনিটি সেন্টারে থানার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক জানান, থানার একজন কনস্টেবল শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। শ্বাসকষ্ট বেশি হওয়ায় তাকে সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি করোনা আক্রান্ত নন। সন্দেহজনক হিসেবে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তার রিপোর্ট পাওয়ার পর বুঝা যাবে।
তিনি বলেন, থানার কাজের সুবিধার্থে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যদি কেউ সংক্রমিত হন তা হলে যেন অন্য একটি অংশ থানার কাজ চালিয়ে রাখতে পারে সেজন্য থানা থেকে একটি অংশ ভাগ করে কমিউনিটি সেন্টারে আনা হয়েছে। তারা ২/৩ দিন ধরে দুভাগে বিভক্ত হয়ে কাজ করছেন।