ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকার সেচ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও বহাল পিডি নুরুল ইসলাম Logo দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগ ঘিরে ২৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পরিকল্পনা! Logo মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় Logo ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ Logo অভিযোগের পাহাড় পেরিয়েও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি Logo সওজে পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সিন্ডিকেটের দূর্নীতির সাম্রাজ্য Logo ঠিকাদারের মুখোশে ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে কোটি টাকা লুটের অভিযোগ Logo জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: সালাম

দেশের ১৫ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০ ১৮২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক; 

এছাড়া রাজধানীসহ নারায়ণগঞ্জ, মাদারীপুর ও গাইবান্ধা জেলাতে ‘ক্লাস্টার’ (একই এলাকায় কম দূরত্বে একাধিক আক্রান্ত) ব্যক্তি পাওয়ার তথ্য দিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

সোমবার নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানাতে অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসে তিনি এসব তথ্য জানান।

পরীক্ষার আওতা বাড়ার পর দেশে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে; একদিনে নতুন ৩৫ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২৩ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, তাতে দেশে কোভিড-১৯ এ মৃতের সংখা বেড়ে হয়েছে ১২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, “এখন পর্যন্ত ১২৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আমার কাছে ১২১ জনের তথ্য আছে। তার ১৫টি জেলার।”

আর আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত দেশে যে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে, তারা চার জেলার বাসিন্দা ছিলেন।

জেলার নাম; 

রোগীর সংখ্যা

মৃত

ঢাকা মহানগরী

৬৪

ঢাকার বিভিন্ন উপজেলা

নারায়ণগঞ্জ

২৩

মাদারীপুর

১১

চট্টগ্রাম

গাইবান্ধা

চুয়াডাঙ্গা

কুমিল্লা

কক্সবাজার

গাজীপুর

১০

জামালপুর

১১

মৌলভীবাজার

১২

নরসিংদী

১৩

রংপুর

১৪

শরীয়তপুর

১৫

সিলেট

মোট

১২১ জন

১২ জন

আবুল কালাম আজাদ বলেন, “বাংলাদেশের ১৫টি জেলায় কেইস পেয়েছি। ক্লাস্টার আমরা বলব, যেখানে একাধিক ব্যক্তি আছেন এবং এক জায়গার মধ্যে সীমাবদ্ধ আছেন, সে জায়গাটা। এ ধরনের ব্যবস্থা (ক্লাস্টার) হতে পারে ঢাকা মহানগরী, নারায়ণগঞ্জ, মাদারীপুর, গাইবান্ধায়।”

নজর নারায়ণগঞ্জে

গত রোববার নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীও গোটা সিটি করপোরেশন এলাকা ও সদর উপজেলা লকডাউন করতে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে চিঠি দিয়েছেন।

আইভী তার সিটিতে কারফিউ জারির দাবির পর কড়া অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। এ পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে রোববার রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনে কক্ষে জরুরি সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নারায়ণগঞ্জের দুই বাসিন্দা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এখন নারায়ণগঞ্জের দিকে বিশেষ নজর রাখছে।

আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সোমবার ব্রিফিংয়ে বলেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় যাদের সংক্রমণ আমরা নিশ্চিৎ করতে পেরেছি তাদের ১২ জন নারায়ণগঞ্জের। নারায়ণগঞ্জে ক্লাস্টার হিসেবে চিহ্নিত করেছি, সেখানে বেশ কিছু কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে ওখান থেকে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে। পরবর্তীতে রয়েছে মাদারীপুরের এলাকা।”

নারায়ণগঞ্জের দুই রোগীই হাসপাতালে আসার কিছুক্ষণ পর মারা যান বলে জানান ফ্লোরা।

তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জের যে দুজন মারা গিয়েছেন, সাথে সাথেই তাদের কন্টাক্ট ট্রেসিং শুরু করেছে আইইডিসিআর। এ পর্যন্ত তাদের কন্টাক্টে যতজন পাওয়া গিয়েছে তাদের সবাইকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, “পুরো নারায়ণগঞ্জকে হটস্পট হিসেবে আইডেন্টিফাই করে সেখানে কোয়ারেন্টিন কার্যক্রমকে আরও বেশি শক্তিশালী করার জন্য আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। ওখানে প্রশাসন আমাদের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত রয়েছেন। রোগী যখন চিহ্নিত হয় তখন থেকেই আমরা কোয়ারেন্টিন কার্যক্রম শুরু করি। রোগী জীবিত না মৃত সেটা কিন্তু বিবেচনার বিষয় নয়। কারণ কোয়ারেন্টিন করা হয় যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে।”

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, এ পর্যন্ত সারা দেশ থেকে চার হাজার ১১ জন ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এ নমুনার সবগুলোই পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ১২৩ জনের গত ২৪ ঘণ্টায় সে ৩৫ জন আক্রান্ত রোগীর কন্টাক্ট ট্রেসিং চলছে।

“এদের কারও কন্টাক্ট ট্রেসিং কমপ্লিট হয়ে যায়নি। যারা মিসিং কন্টাক্ট তাদের নাম তালিকাভুক্ত থাকে। ১২৩ জনের মধ্যে বিভিন্ন রকমের কন্টাক্টের সংখ্যা রয়েছে। কন্টাক্ট ট্রেসিং প্রক্রিয়াটি কিন্তু খুব সহজ নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা সমস্ত কন্টাক্টকে ট্রেস করতে পারি।

“কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে যেটা হয়….. কেউ যদি গণমাধ্যমের… চলাফেরা করে থাকেন সেই মুহূর্তে অথবা এমন কোনো অনুষ্ঠানে গেছেন যেখানে বড় সমাবেশ ছিল… সেক্ষেত্রে কিছু মিসিং কন্টাক্ট থাকে। আমাদের হিসাবের মধ্যে মিসিং কন্টাক্ট কতজন সেটাও আমরা তালিকাভুক্ত করে সে এলাকাটিও কনটেইনমেন্টের মধ্যে নিয়ে আসি।”

ক্লাস্টার এলাকার বিষয়ে ফ্লোরা বলেন, “যদি কোথাও একই জায়গায় কম দূরত্বের মধ্যে একাধিক রোগী থাকে তখনই আমরা সেটাকে ক্লাস্টার হিসেবে আইডেন্টিফাই করে ইনভেস্টিগেশন করে থাকি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

দেশের ১৫ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস

আপডেট সময় : ১০:৫৭:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক; 

এছাড়া রাজধানীসহ নারায়ণগঞ্জ, মাদারীপুর ও গাইবান্ধা জেলাতে ‘ক্লাস্টার’ (একই এলাকায় কম দূরত্বে একাধিক আক্রান্ত) ব্যক্তি পাওয়ার তথ্য দিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

সোমবার নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানাতে অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসে তিনি এসব তথ্য জানান।

পরীক্ষার আওতা বাড়ার পর দেশে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে; একদিনে নতুন ৩৫ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২৩ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, তাতে দেশে কোভিড-১৯ এ মৃতের সংখা বেড়ে হয়েছে ১২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, “এখন পর্যন্ত ১২৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আমার কাছে ১২১ জনের তথ্য আছে। তার ১৫টি জেলার।”

আর আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত দেশে যে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে, তারা চার জেলার বাসিন্দা ছিলেন।

জেলার নাম; 

রোগীর সংখ্যা

মৃত

ঢাকা মহানগরী

৬৪

ঢাকার বিভিন্ন উপজেলা

নারায়ণগঞ্জ

২৩

মাদারীপুর

১১

চট্টগ্রাম

গাইবান্ধা

চুয়াডাঙ্গা

কুমিল্লা

কক্সবাজার

গাজীপুর

১০

জামালপুর

১১

মৌলভীবাজার

১২

নরসিংদী

১৩

রংপুর

১৪

শরীয়তপুর

১৫

সিলেট

মোট

১২১ জন

১২ জন

আবুল কালাম আজাদ বলেন, “বাংলাদেশের ১৫টি জেলায় কেইস পেয়েছি। ক্লাস্টার আমরা বলব, যেখানে একাধিক ব্যক্তি আছেন এবং এক জায়গার মধ্যে সীমাবদ্ধ আছেন, সে জায়গাটা। এ ধরনের ব্যবস্থা (ক্লাস্টার) হতে পারে ঢাকা মহানগরী, নারায়ণগঞ্জ, মাদারীপুর, গাইবান্ধায়।”

নজর নারায়ণগঞ্জে

গত রোববার নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীও গোটা সিটি করপোরেশন এলাকা ও সদর উপজেলা লকডাউন করতে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে চিঠি দিয়েছেন।

আইভী তার সিটিতে কারফিউ জারির দাবির পর কড়া অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। এ পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে রোববার রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনে কক্ষে জরুরি সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নারায়ণগঞ্জের দুই বাসিন্দা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এখন নারায়ণগঞ্জের দিকে বিশেষ নজর রাখছে।

আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সোমবার ব্রিফিংয়ে বলেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় যাদের সংক্রমণ আমরা নিশ্চিৎ করতে পেরেছি তাদের ১২ জন নারায়ণগঞ্জের। নারায়ণগঞ্জে ক্লাস্টার হিসেবে চিহ্নিত করেছি, সেখানে বেশ কিছু কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে ওখান থেকে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে। পরবর্তীতে রয়েছে মাদারীপুরের এলাকা।”

নারায়ণগঞ্জের দুই রোগীই হাসপাতালে আসার কিছুক্ষণ পর মারা যান বলে জানান ফ্লোরা।

তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জের যে দুজন মারা গিয়েছেন, সাথে সাথেই তাদের কন্টাক্ট ট্রেসিং শুরু করেছে আইইডিসিআর। এ পর্যন্ত তাদের কন্টাক্টে যতজন পাওয়া গিয়েছে তাদের সবাইকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, “পুরো নারায়ণগঞ্জকে হটস্পট হিসেবে আইডেন্টিফাই করে সেখানে কোয়ারেন্টিন কার্যক্রমকে আরও বেশি শক্তিশালী করার জন্য আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। ওখানে প্রশাসন আমাদের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত রয়েছেন। রোগী যখন চিহ্নিত হয় তখন থেকেই আমরা কোয়ারেন্টিন কার্যক্রম শুরু করি। রোগী জীবিত না মৃত সেটা কিন্তু বিবেচনার বিষয় নয়। কারণ কোয়ারেন্টিন করা হয় যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে।”

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, এ পর্যন্ত সারা দেশ থেকে চার হাজার ১১ জন ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এ নমুনার সবগুলোই পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ১২৩ জনের গত ২৪ ঘণ্টায় সে ৩৫ জন আক্রান্ত রোগীর কন্টাক্ট ট্রেসিং চলছে।

“এদের কারও কন্টাক্ট ট্রেসিং কমপ্লিট হয়ে যায়নি। যারা মিসিং কন্টাক্ট তাদের নাম তালিকাভুক্ত থাকে। ১২৩ জনের মধ্যে বিভিন্ন রকমের কন্টাক্টের সংখ্যা রয়েছে। কন্টাক্ট ট্রেসিং প্রক্রিয়াটি কিন্তু খুব সহজ নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা সমস্ত কন্টাক্টকে ট্রেস করতে পারি।

“কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে যেটা হয়….. কেউ যদি গণমাধ্যমের… চলাফেরা করে থাকেন সেই মুহূর্তে অথবা এমন কোনো অনুষ্ঠানে গেছেন যেখানে বড় সমাবেশ ছিল… সেক্ষেত্রে কিছু মিসিং কন্টাক্ট থাকে। আমাদের হিসাবের মধ্যে মিসিং কন্টাক্ট কতজন সেটাও আমরা তালিকাভুক্ত করে সে এলাকাটিও কনটেইনমেন্টের মধ্যে নিয়ে আসি।”

ক্লাস্টার এলাকার বিষয়ে ফ্লোরা বলেন, “যদি কোথাও একই জায়গায় কম দূরত্বের মধ্যে একাধিক রোগী থাকে তখনই আমরা সেটাকে ক্লাস্টার হিসেবে আইডেন্টিফাই করে ইনভেস্টিগেশন করে থাকি।”