ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo স্বল্প বেতনে এলজিইডি গাড়িচালকের সম্পদের অট্টালিকা Logo পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে পরিচালক মীর সাজেদুর রহমানকে ঘিরে প্রশাসনিক অনিয়মের বিতর্ক Logo সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকার সেচ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও বহাল পিডি নুরুল ইসলাম Logo দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগ ঘিরে ২৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পরিকল্পনা! Logo মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় Logo ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ Logo অভিযোগের পাহাড় পেরিয়েও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি Logo সওজে পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সিন্ডিকেটের দূর্নীতির সাম্রাজ্য Logo ঠিকাদারের মুখোশে ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে কোটি টাকা লুটের অভিযোগ

সরকারি কর্তা ও আমলাদের দুর্নীতি না ছাপার অঙ্গীকার দৈনিক অন্য দিগন্তের!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২০ ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট;

সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক অন্যদিগন্ত এক দুর্নীতিগ্রস্থ সচিবের অনুসন্ধানী সংবাদ তুলে ধরায় ওই সচিব ক্ষমতার দাপট দেখিয়েছেন বিভিন্ন দপ্তর থেকে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে। তাই দৈনিক অন্যদিগন্ত আর কখনোই কোনো দুর্নীতিগ্রস্থ অপরাধী আমলাদের দুর্নীতির সংবাদ পরিবেশন করবেন না বলে নিজে নিজে হলফনামা লিপিবদ্ধ করেন যা তারা দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমকে প্রেরণ করেন।

দৈনিক অন্যদিগন্ত‘র সম্পাদক ও প্রকাশক অঙ্গীকারনামা মোহাম্মদ মাসুদের স্বপ্রণোদিত অঙ্গীকারনামা টি সকালের সংবাদ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:_

আমরা নিম্ন সাক্ষরকারীগণ বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত, ডিএফপি তালিকাভুক্ত দৈনিক অন্যদিগন্ত পত্রিকা পরিবারের সদস্য। আমরা সরল বিশ্বাসে কারো কোনো চাপ বা প্ররোচনা ছাড়াই এইমর্মে অঙ্গিকার করছি যে, স্ব স্ব পদে দায়িত্ব পালনকালে আমরা আর কখনো অনুসন্ধানী তথ্য নির্ভর কোন প্রতিবেদন তৈরি করবো না এবং তা আমাদের পত্রিকায় প্রকাশ করবো না। সব ধরনের তথ্য-উপাত্ত, ছবি, ভিডিও, পর্যাপ্ত সাক্ষী-প্রমান থাকলেও আমরা সেসব প্রকাশ ও প্রচার করা থেকে বিরত থাকবো। তা যতই জনস্বার্থ বিষয়ক হোক, যতই দেশের কল্যাণকর হোক।
সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞ্যানে আমরা আরো অঙ্গিকার করছি যে, ভুল-ভ্রান্তি, অসতর্কতায় কখনো সরকারের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করে ফেললেও কোনভাবেই আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিপক্ষে একটি শব্দও রচনা করবো না। সরকারি স্কুলের নাইটগার্ড-পিয়ন থেকে মন্ত্রনালয়ের সচিব পর্যন্ত যে কেউ সংক্ষুব্ধ হন, বিরক্ত বোধ করেন কিংবা তাদের পরিবার পরিজন সামান্যতম অস্বস্তিবোধ করেন-এ ধরনের সকল কর্মকান্ড পরিহার করা আমাদের অত্যাবশ্যকীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে মেনে চলবো।
সুপ্রিয় পাঠক সমাজের নিকট সনির্বন্ধ অনুরোধ, আপনাদের প্রিয় পত্রিকা দৈনিক অন্যদিগন্ত‘র অস্তিত্বটুকু রক্ষায় এবং পত্রিকাটির সঙ্গে সম্পৃক্ত সাংবাদিকদের প্রাণ বাঁচাতে আমাদের এ অঙ্গিকার পালনে সাহায্য করুন।
মন্ত্রনালয়ের একজন সচিব যে এত বেশি পাওয়ারফুল তা আমাদের ধারণা ছিল না। এ ধারণা ছিল না বলেই আমরা পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের বিরাট ক্ষমতাধর সচিব কবির বিন আনোয়ারের বিরুদ্ধে ‘গাঁজায় আসক্ত এক সচিবের কান্ড’ শিরোনামে তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের দু:সাহস করেছিলাম। এরপর পাঠকদের চাহিদা আর তাগিদে উচ্ছ¡সিত হয়ে ‘সেই সচিবকে ঘিরে তোলপাড়,’ ‘সচিব প্রসঙ্গে অন্যদিগন্তর চ্যালেঞ্জ’ ‘বাধ্যতামূলক ছুটিতেই সচিবকে বিদায়?’ শিরোনামে একের পর এক প্রতিবেদন ছাপাতেই প্রচন্ড ঝাঁকুনি টের পেলাম। সরাসরি হত্যা হুমকির মুখে পড়েন অন্যদিগন্তর সাংবাদিকরা। একদিকে পত্রিকার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে আয়োজন করা হয় প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনের, অন্যদিকে কয়েক লাখ টাকায় ভাড়া করা হয় জিসান গ্রুপের চিহ্নিত কিলারদের। একইসাথে ডিএফপিতে আট্কে দেয়া হয় অন্যদিগন্ত’র সার্কুলেশন সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি। অদৃশ্য ইশারায় বন্ধ হয়ে যায় পত্রিকার বিজ্ঞাপন রেট বৃদ্ধির প্রক্রিয়া। এদিকে ঢাকা জেলা প্রশাসন দফায় দফায় অন্যদিগন্ত’র ফাইল তলব, প্রকাশককে ডেকে নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা হয়রানির কর্মকান্ডও চলতে থাকে। আরেকটি সন্ত্রাসী গ্রুপ কে লেলিয়ে দেওয়া হয় ছাপাখানা এলাকায়। আমাদের রিপোর্টার্স টিমের সব সদস্যের ইমেইল, ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করে সব ডাটা মুছে ফেলা হয়েছে। অন্যদিগন্ত নিরবচ্ছিন্ন প্রকাশনার ক্ষেত্রে একটার পর একটা বাধা সৃষ্টি আর উপুর্যপরী হুমকিতে আমরা এখন পুরোপুরি বিপর্যস্ত।
সত্যি সত্যিই আমরা ভয় পেয়েছি, সচিব মহোদয়ের লম্বা হাতের সীমাহীন প্রতাপে আমরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা আবারো শপথ করছি : “কখনো বলবো না দেশে সংবাদপত্রের কন্ঠরোধ করা হয়, কখনো লিখবো না প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা অনিয়ম-দুর্নীতি করেন, চাকরিবিধি লংঘন করেন।”
তবুও টিকে থাকুক দৈনিক অন্যদিগন্ত, পত্রিকাটিতে সম্পৃক্তরা বেকার না হোক।
সম্পাদক
দৈনিক অন্যদিগন্ত।
০১৫১১৯৬৩২৯৪

উক্ত আলোচনা অঙ্গীকারনামার প্রসঙ্গে দৈনিক অন্যদিগন্ত এর সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ বলেন উক্ত দুর্নীতিগ্রস্ত সচিবের সমস্ত তথ্য-উপাত্ত আমাদের নিকট ছিল সচিব তার পেশিশক্তি প্রয়োগ করে আমাদের কাছ থেকে ধ্বংস করে দেয় । এবং তার ক্ষমতা প্রয়োগ করেন বিভিন্ন দপ্তর থেকে চাপ দেওয়া হয়। তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি এসব গণমাধ্যমকে স্বাধীন ঘোষণা করে থাকেন তাহলে কিভাবে এসব অপরাধের পাহাড়ে দাঁড়ানো আমলা গান গণমাধ্যমের উপর পেশী শক্তি প্রয়োগ করতে পারে?

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সরকারি কর্তা ও আমলাদের দুর্নীতি না ছাপার অঙ্গীকার দৈনিক অন্য দিগন্তের!

আপডেট সময় : ১১:৫৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট;

সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক অন্যদিগন্ত এক দুর্নীতিগ্রস্থ সচিবের অনুসন্ধানী সংবাদ তুলে ধরায় ওই সচিব ক্ষমতার দাপট দেখিয়েছেন বিভিন্ন দপ্তর থেকে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে। তাই দৈনিক অন্যদিগন্ত আর কখনোই কোনো দুর্নীতিগ্রস্থ অপরাধী আমলাদের দুর্নীতির সংবাদ পরিবেশন করবেন না বলে নিজে নিজে হলফনামা লিপিবদ্ধ করেন যা তারা দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমকে প্রেরণ করেন।

দৈনিক অন্যদিগন্ত‘র সম্পাদক ও প্রকাশক অঙ্গীকারনামা মোহাম্মদ মাসুদের স্বপ্রণোদিত অঙ্গীকারনামা টি সকালের সংবাদ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:_

আমরা নিম্ন সাক্ষরকারীগণ বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত, ডিএফপি তালিকাভুক্ত দৈনিক অন্যদিগন্ত পত্রিকা পরিবারের সদস্য। আমরা সরল বিশ্বাসে কারো কোনো চাপ বা প্ররোচনা ছাড়াই এইমর্মে অঙ্গিকার করছি যে, স্ব স্ব পদে দায়িত্ব পালনকালে আমরা আর কখনো অনুসন্ধানী তথ্য নির্ভর কোন প্রতিবেদন তৈরি করবো না এবং তা আমাদের পত্রিকায় প্রকাশ করবো না। সব ধরনের তথ্য-উপাত্ত, ছবি, ভিডিও, পর্যাপ্ত সাক্ষী-প্রমান থাকলেও আমরা সেসব প্রকাশ ও প্রচার করা থেকে বিরত থাকবো। তা যতই জনস্বার্থ বিষয়ক হোক, যতই দেশের কল্যাণকর হোক।
সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞ্যানে আমরা আরো অঙ্গিকার করছি যে, ভুল-ভ্রান্তি, অসতর্কতায় কখনো সরকারের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করে ফেললেও কোনভাবেই আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিপক্ষে একটি শব্দও রচনা করবো না। সরকারি স্কুলের নাইটগার্ড-পিয়ন থেকে মন্ত্রনালয়ের সচিব পর্যন্ত যে কেউ সংক্ষুব্ধ হন, বিরক্ত বোধ করেন কিংবা তাদের পরিবার পরিজন সামান্যতম অস্বস্তিবোধ করেন-এ ধরনের সকল কর্মকান্ড পরিহার করা আমাদের অত্যাবশ্যকীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে মেনে চলবো।
সুপ্রিয় পাঠক সমাজের নিকট সনির্বন্ধ অনুরোধ, আপনাদের প্রিয় পত্রিকা দৈনিক অন্যদিগন্ত‘র অস্তিত্বটুকু রক্ষায় এবং পত্রিকাটির সঙ্গে সম্পৃক্ত সাংবাদিকদের প্রাণ বাঁচাতে আমাদের এ অঙ্গিকার পালনে সাহায্য করুন।
মন্ত্রনালয়ের একজন সচিব যে এত বেশি পাওয়ারফুল তা আমাদের ধারণা ছিল না। এ ধারণা ছিল না বলেই আমরা পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের বিরাট ক্ষমতাধর সচিব কবির বিন আনোয়ারের বিরুদ্ধে ‘গাঁজায় আসক্ত এক সচিবের কান্ড’ শিরোনামে তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের দু:সাহস করেছিলাম। এরপর পাঠকদের চাহিদা আর তাগিদে উচ্ছ¡সিত হয়ে ‘সেই সচিবকে ঘিরে তোলপাড়,’ ‘সচিব প্রসঙ্গে অন্যদিগন্তর চ্যালেঞ্জ’ ‘বাধ্যতামূলক ছুটিতেই সচিবকে বিদায়?’ শিরোনামে একের পর এক প্রতিবেদন ছাপাতেই প্রচন্ড ঝাঁকুনি টের পেলাম। সরাসরি হত্যা হুমকির মুখে পড়েন অন্যদিগন্তর সাংবাদিকরা। একদিকে পত্রিকার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে আয়োজন করা হয় প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনের, অন্যদিকে কয়েক লাখ টাকায় ভাড়া করা হয় জিসান গ্রুপের চিহ্নিত কিলারদের। একইসাথে ডিএফপিতে আট্কে দেয়া হয় অন্যদিগন্ত’র সার্কুলেশন সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি। অদৃশ্য ইশারায় বন্ধ হয়ে যায় পত্রিকার বিজ্ঞাপন রেট বৃদ্ধির প্রক্রিয়া। এদিকে ঢাকা জেলা প্রশাসন দফায় দফায় অন্যদিগন্ত’র ফাইল তলব, প্রকাশককে ডেকে নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা হয়রানির কর্মকান্ডও চলতে থাকে। আরেকটি সন্ত্রাসী গ্রুপ কে লেলিয়ে দেওয়া হয় ছাপাখানা এলাকায়। আমাদের রিপোর্টার্স টিমের সব সদস্যের ইমেইল, ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করে সব ডাটা মুছে ফেলা হয়েছে। অন্যদিগন্ত নিরবচ্ছিন্ন প্রকাশনার ক্ষেত্রে একটার পর একটা বাধা সৃষ্টি আর উপুর্যপরী হুমকিতে আমরা এখন পুরোপুরি বিপর্যস্ত।
সত্যি সত্যিই আমরা ভয় পেয়েছি, সচিব মহোদয়ের লম্বা হাতের সীমাহীন প্রতাপে আমরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা আবারো শপথ করছি : “কখনো বলবো না দেশে সংবাদপত্রের কন্ঠরোধ করা হয়, কখনো লিখবো না প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা অনিয়ম-দুর্নীতি করেন, চাকরিবিধি লংঘন করেন।”
তবুও টিকে থাকুক দৈনিক অন্যদিগন্ত, পত্রিকাটিতে সম্পৃক্তরা বেকার না হোক।
সম্পাদক
দৈনিক অন্যদিগন্ত।
০১৫১১৯৬৩২৯৪

উক্ত আলোচনা অঙ্গীকারনামার প্রসঙ্গে দৈনিক অন্যদিগন্ত এর সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ বলেন উক্ত দুর্নীতিগ্রস্ত সচিবের সমস্ত তথ্য-উপাত্ত আমাদের নিকট ছিল সচিব তার পেশিশক্তি প্রয়োগ করে আমাদের কাছ থেকে ধ্বংস করে দেয় । এবং তার ক্ষমতা প্রয়োগ করেন বিভিন্ন দপ্তর থেকে চাপ দেওয়া হয়। তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি এসব গণমাধ্যমকে স্বাধীন ঘোষণা করে থাকেন তাহলে কিভাবে এসব অপরাধের পাহাড়ে দাঁড়ানো আমলা গান গণমাধ্যমের উপর পেশী শক্তি প্রয়োগ করতে পারে?