ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রূপালী ব্যাংকের ডিজিএম কর্তৃক সহকর্মী নারীকে যৌন হয়রানি: ধামাচাপা দিতে মরিয়া তদন্ত কমিটি Logo প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা হাতিয়ে বহাল তবিয়তে মাদারীপুরের দুই সহকারী সমাজসেবা অফিসারl Logo যমুনা লাইফের গ্রাহক প্রতারণায় ‘জড়িতরা’ কে কোথায় Logo ঢাকাস্থ ভোলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আহসান কামরুল, সম্পাদক জিয়াউর রহমান Logo টাটা মটরস বাংলাদেশে উদ্বোধন করলো টাটা যোদ্ধা Logo আশা শিক্ষা কর্মসূচী কর্তৃক অভিভাবক মতবিনিময় সভা Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত Logo শাবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ Logo সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিনুরের সীমাহীন সম্পদ ও অনিয়ম -পর্ব-০১ Logo তামাক সেবনের আলাদা কক্ষ বানালেন গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী: রয়েছে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ!




এক বছরে গণপরিবহনে ৫৯ নারী ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ৬৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন রিপোর্ট; 

২০১৯ সালে সারাদেশের গণপরিবহনে ৫৯জন নারী ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে এসব ঘটনা সংগঠিত হয় বলে উঠে এসেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক প্রতিবেদনে।
গত এক বছরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংগঠনটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সড়কপথে ৪৪টি, রেলপথে চারটি ও নৌপথে চারটি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১৬টি ধর্ষণ, ১২টি গণধর্ষণ, নয়টি ধর্ষণের চেষ্টা ও ১৫টি যৌন হয়রানি।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে ৪৪টি ঘটনায় মামলা হয়েছে ও ৯৩ জন আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
এছাড়াও গণপরিবহনে যাতায়াতকালে নারীরা অসম্মানজনক আচরণ, নিপীড়ন, হেনস্তা, যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, শুধুমাত্র পরিবহন শ্রমিক, চালক বা তার সহকারীর কাছ থেকেই নয় কখনো কখনো পুরুষ সহযাত্রীও হয়রানি করে থাকেন।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘গত এক বছরে গণমাধ্যমে যেসব তথ্য এসেছে এই প্রতিবেদনে কেবল সেগুলোই উঠে এসেছে। তবে আমি মনে করি, প্রকৃতপক্ষে ঘটনার ভয়াবহতা অনেক বেশি। রক্ষণশীল সমাজ হিসেবে বাংলাদেশের নারীদের লোকলজ্জা, সামাজিক মর্যাদা, মামলার পর হয়রানি ও বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে অসংখ্য ঘটনা চাপা পড়ে যাচ্ছে।’
গণপরিবহনে নারী নির্যাতন বন্ধে কিছু সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যান সমিতি। সেগুলো হলো:
* গণপরিবহনে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা।
* চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারের আলাদা আলাদা নেমপ্লেটসহ পোষাক বাধ্যতামূলক করা।
* চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারের নিয়োগপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি নিয়ে ডাটাবেইজ তৈরি করা।
* গাড়ির ভেতরে নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের হটলাইন নম্বর, ফোন নম্বর ও গাড়ির নম্বর প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা।
* গণপরিবহনের সংখ্যা বাড়ানো।
* বাস মিনিবাসে নারীর জন্য সংরক্ষিত আসন দরজার আশপাশে রাখা।
* গণপরিবহনে অস্বচ্ছ ও বিজ্ঞাপনে মোড়ানো কাঁচের ব্যবহার বন্ধ করা।
* গণপরিবহনে যৌন সহিংসতার মামলা, গ্রেফতার ও বিচার দ্রুত শেষ করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




এক বছরে গণপরিবহনে ৫৯ নারী ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন রিপোর্ট; 

২০১৯ সালে সারাদেশের গণপরিবহনে ৫৯জন নারী ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে এসব ঘটনা সংগঠিত হয় বলে উঠে এসেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক প্রতিবেদনে।
গত এক বছরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংগঠনটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সড়কপথে ৪৪টি, রেলপথে চারটি ও নৌপথে চারটি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১৬টি ধর্ষণ, ১২টি গণধর্ষণ, নয়টি ধর্ষণের চেষ্টা ও ১৫টি যৌন হয়রানি।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে ৪৪টি ঘটনায় মামলা হয়েছে ও ৯৩ জন আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
এছাড়াও গণপরিবহনে যাতায়াতকালে নারীরা অসম্মানজনক আচরণ, নিপীড়ন, হেনস্তা, যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, শুধুমাত্র পরিবহন শ্রমিক, চালক বা তার সহকারীর কাছ থেকেই নয় কখনো কখনো পুরুষ সহযাত্রীও হয়রানি করে থাকেন।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘গত এক বছরে গণমাধ্যমে যেসব তথ্য এসেছে এই প্রতিবেদনে কেবল সেগুলোই উঠে এসেছে। তবে আমি মনে করি, প্রকৃতপক্ষে ঘটনার ভয়াবহতা অনেক বেশি। রক্ষণশীল সমাজ হিসেবে বাংলাদেশের নারীদের লোকলজ্জা, সামাজিক মর্যাদা, মামলার পর হয়রানি ও বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে অসংখ্য ঘটনা চাপা পড়ে যাচ্ছে।’
গণপরিবহনে নারী নির্যাতন বন্ধে কিছু সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যান সমিতি। সেগুলো হলো:
* গণপরিবহনে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা।
* চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারের আলাদা আলাদা নেমপ্লেটসহ পোষাক বাধ্যতামূলক করা।
* চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারের নিয়োগপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি নিয়ে ডাটাবেইজ তৈরি করা।
* গাড়ির ভেতরে নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের হটলাইন নম্বর, ফোন নম্বর ও গাড়ির নম্বর প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা।
* গণপরিবহনের সংখ্যা বাড়ানো।
* বাস মিনিবাসে নারীর জন্য সংরক্ষিত আসন দরজার আশপাশে রাখা।
* গণপরিবহনে অস্বচ্ছ ও বিজ্ঞাপনে মোড়ানো কাঁচের ব্যবহার বন্ধ করা।
* গণপরিবহনে যৌন সহিংসতার মামলা, গ্রেফতার ও বিচার দ্রুত শেষ করা।