ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রকল্প বণ্টনে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে গণপূর্ত সচিব নজরুলকে নিয়ে বিতর্কের ঝড়! Logo শিক্ষা প্রকৌশলে দুর্নীতির অভিযোগ: কোটি টাকার চুক্তিতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহজাহান আলী Logo কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে সীমাহীন ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ Logo বটিয়াঘাটায় বিএনপি প্রার্থীর উঠান বৈঠক: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তার আশ্বাস Logo গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার কবির ও ক্যাশিয়ার এনামুল হকের বিরুদ্ধে কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ|| পর্ব – Logo বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অর্থ অপব্যবহার: এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি ইস্যুতে হাইকোর্টে যাচ্ছে আইনজীদের সংগঠন  Logo বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের জ্যেষ্ঠ নেতার পদোন্নতি সহ পিআরএল: রয়েছে শত কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ! Logo দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ এর জন্মদিন আজ Logo উন্নয়নের নামে লুটপাট: ডিএসসিসি এডিবি প্রকল্পে ‘১২ টেবিল’ ভাগাভাগি হয় ঘুষের টাকা  Logo বাংলাদেশ ভারত কোস্টগার্ডের তত্ত্বাবধানে ১৫১ জেলের মুক্তিতে বন্দি বিনিময়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস

দুর্নীতির দায় নিয়ে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: বিএনপি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৪:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১৫ বার পড়া হয়েছে

দুর্নীতির দায় নিয়ে সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটি। শনিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষমতাসীনদের গ্রেফতারের কয়েকটি ঘটনায় ‘সরকারের স্বর’ নেমে গেছে। আগে জোর গলায় কথা বলত, এখন তারা নিজেরাই ধরা পড়েছে। তাদের লোকেরাই সব ধরিয়ে দিচ্ছে।

বৈঠকে রংপুর-৩ উপনির্বাচন, খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনের অংশ হিসেবে ২৪ সেপ্টেম্বর সিলেট, ২৬ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ ও ২৯ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।

মির্জা ফখরুল সরকারের উদ্দেশে বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছেন। এ কারে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে, নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করে জনগণকে রেহাই দিন। জনগণকে স্বস্তি দিন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, গোটা দেশে ক্যাসিনো-জুয়া নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ঢাকার বাইরেও জুয়া খেলা চলছে। এ সরকারের আমলে এটা প্রচণ্ড রকম বেড়ে গেছে। এর প্রধান কারণ কোথাও তাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। ২৯ ডিসেম্বর যাদের ব্যবহার করে সরকার ক্ষমতায় এসেছে তাদের বলার কিছু নেই, তাদের নিয়ন্ত্রণই করতে পারছে না। এ কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি।

তিনি বলেন, নিজের দল, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সবকিছু সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। এ সরকার সচেতনভাবে দেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। ব্যর্থ রাষ্ট্রের কারণেই রাষ্ট্রের অন্য স্তম্ভগুলো ব্যর্থ হচ্ছে, ভেঙে পড়ছে, কাজ করছে না। চারদিকে শুধু দুর্নীতি, দুর্নীতি আর দুর্নীতি। এভাবে একটা রাষ্ট্র চলতে পারে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। তিনি শুকিয়ে গেছেন এবং তিনি এখন নিজে নিজে খেতে পারছেন না, তাকে খাইয়ে দিতে হচ্ছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেওয়া হোক। কিন্তু সরকার কোনো কথাই শুনছে না। উদ্দেশ্যটা হচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে তাকে দূরে রাখা এবং একই সঙ্গে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া। উচ্চ আদালতের অবকাশকালীন ছুটির পর খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া আবার শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।

বৈঠকে মহাসচিব ছাড়াও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

দুর্নীতির দায় নিয়ে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: বিএনপি

আপডেট সময় : ১১:১৪:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

দুর্নীতির দায় নিয়ে সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটি। শনিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষমতাসীনদের গ্রেফতারের কয়েকটি ঘটনায় ‘সরকারের স্বর’ নেমে গেছে। আগে জোর গলায় কথা বলত, এখন তারা নিজেরাই ধরা পড়েছে। তাদের লোকেরাই সব ধরিয়ে দিচ্ছে।

বৈঠকে রংপুর-৩ উপনির্বাচন, খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনের অংশ হিসেবে ২৪ সেপ্টেম্বর সিলেট, ২৬ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ ও ২৯ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।

মির্জা ফখরুল সরকারের উদ্দেশে বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছেন। এ কারে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে, নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করে জনগণকে রেহাই দিন। জনগণকে স্বস্তি দিন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, গোটা দেশে ক্যাসিনো-জুয়া নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ঢাকার বাইরেও জুয়া খেলা চলছে। এ সরকারের আমলে এটা প্রচণ্ড রকম বেড়ে গেছে। এর প্রধান কারণ কোথাও তাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। ২৯ ডিসেম্বর যাদের ব্যবহার করে সরকার ক্ষমতায় এসেছে তাদের বলার কিছু নেই, তাদের নিয়ন্ত্রণই করতে পারছে না। এ কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি।

তিনি বলেন, নিজের দল, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সবকিছু সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। এ সরকার সচেতনভাবে দেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। ব্যর্থ রাষ্ট্রের কারণেই রাষ্ট্রের অন্য স্তম্ভগুলো ব্যর্থ হচ্ছে, ভেঙে পড়ছে, কাজ করছে না। চারদিকে শুধু দুর্নীতি, দুর্নীতি আর দুর্নীতি। এভাবে একটা রাষ্ট্র চলতে পারে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। তিনি শুকিয়ে গেছেন এবং তিনি এখন নিজে নিজে খেতে পারছেন না, তাকে খাইয়ে দিতে হচ্ছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেওয়া হোক। কিন্তু সরকার কোনো কথাই শুনছে না। উদ্দেশ্যটা হচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে তাকে দূরে রাখা এবং একই সঙ্গে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া। উচ্চ আদালতের অবকাশকালীন ছুটির পর খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া আবার শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।

বৈঠকে মহাসচিব ছাড়াও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।