ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লঞ্চ থেকে মেঘনায় লাফ দেওয়া যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার, প্রশংসায় নৌ পুলিশের তৎপরতা Logo স্থানীয় কৃষকদের থেকে ভাড়ায় জমি নিয়ে সাইন বোর্ড: প্লট বানিজ্যের নামে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী কর্তৃপক্ষ’র প্রতারণা Logo “নৌ-খাতের সিমুলেটর বাণিজ্যের লুটেরা সিন্ডিকেট সাব্বির মাদানি” Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ত্রাসের রাজত্ব! নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও দূর্নীতির অভিযোগ Logo ‘শিশু হাসপাতালে উপ-পরিচালক নেছার উদ্দীন সিন্ডিকেটের দুর্নীতি ও লুটপাট’ Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি Logo মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা: রাজধানীর বিএনপিতে কোন পথে যাচ্ছে নেতৃত্ব? Logo অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি Logo পথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি Logo সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

ঝরো ইনিংস খেলে ফিরলেন মুশফিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯ ২৬২ বার পড়া হয়েছে

SOUTHAMPTON, ENGLAND - JUNE 24: Mushfiqur Rahim of Bangladesh plays a shot during the Group Stage match of the ICC Cricket World Cup 2019 between Bangladesh and Afghanistan at The Ageas Bowl on June 24, 2019 in Southampton, England. (Photo by Christopher Lee-IDI/IDI via Getty Images)

স্পোর্টস ডেস্ক; 
দলীয় ৫৮ রানে সৌম্য-তামিমকে হারিয়ে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে দলকে টেনে তোলেন মুশফিকুর রহিম। নেমেই লংকান বোলারদের পাল্টা তোপ দাগাতে থাকেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। যোগ্য সমর্থন পান অপর ব্যাটসম্যানের কাছ থেকেও। তাতে চাপ কাটিয়ে ওঠেন টাইগাররা।

এক পর্যায়ে মুশফিক-মিঠুনের জুটি জমাট বেঁধে ওঠে। তাতে ছোটে সফরকারীরা। পথিমধ্যে ফিফটি তুলে নেন মুশি। তবে এরপর আর স্থায়ী হতে পারেননি তিনি। ৪৬ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় কাঁটায় ৫০ রান করে ওয়ানিন্দুর শিকার হন নির্ভরতার প্রতীক। এ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৩ উইকেটে ১৪৩ রান করেছে বাংলাদেশ। মিঠুন ৩৪ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

মূল সিরিজ মাঠে গড়ানোর আগে শ্রীলংকা বোর্ড প্রেসিডেন্ট একাদশের বিপক্ষে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ। লংকানদের দেয়া ২৮৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুভসূচনা করেন টাইগাররা। ভালো শুরুর পর হঠাৎ সাজঘরে ফেরেন সৌম্য। লাহিরু কুমারার বলে আমিলা অপোন্সোকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। দলীয় ৪৫ রানে ফেরার আগে করেন ১৩। সেই রেশ না কাটতেই কাটা পড়েন ড্যাশিং ওপেনার। সেই লাহিরুর বলে কাসুন রাজিথাকে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। প্যাভিলিয়নের পথ ধরার আগে করেন ৬ চারে ৩৭ রান।

এর আগে বল হাতে প্রস্তুতির শুরুটাও দুর্দান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বড় সংগ্রহ গড়ে শ্রীলংকা। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮২ রান করে তারা। সোমবার কলম্বোর পি সারা ওভালে টস জিতে আগে ব্যাটিং বেছে নেন লংকানরা। ফলে প্রথমে ফিল্ডিং করতে নামে বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই অধিনায়ক নিরোশান ডিকভেলাকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন রুবেল হোসেন।

দ্বিতীয় উইকেটে প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আভাস দেন দানুশকা গুনাথিলাকা ও ওশাদা ফার্নান্দো। তবে বাদ সাধেন এ পেসার। মোসাদ্দেক হোসেনের ক্যাচ বানিয়ে ওশাদাকে প্যাভিলিয়নে পাঠান রুবেল। খানিক পরই ইতিবাচক শুরু করা গুনাথিলাকাকে বিদায় করে দেন তাসকিন আহমেদ। সেই মোসাদ্দেকেরই তালুবন্দি করেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৫ চারে ২৬ রান করেন গুনাথিলাকা। মাত্র ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েন স্বাগতিকরা।

সেখান থেকে দলকে কক্ষে ফেরানোর লক্ষ্যে জুটি বাঁধেন ভানুকা রাজাপাকশে ও শেহান জয়সুরিয়া। তাদের ৮২ রানের জোটে বড় সংগ্রহের ভিত পায় শ্রীলংকা। তবে এ দুজন ফিরতেই আবার পথ হারায় দলটি। দলীয় ১১৪ রানে রাজাপাকশেকে সাব্বির রহমানের তালুবন্দি করেন সৌম্য। ফেরার আগে ৪ চারে ৩২ রান করেন তিনি। পরক্ষণেই লংকান শিবিরে ছোবল মারেন মোস্তাফিজুর রহমান। অ্যাঞ্জেলো পেরেরাকে আউট করেন তিনি।

পরে পথের কাঁটা হয়ে থাকা জয়সুরিয়াকে ফিরিয়ে দেন সৌম্য। ততক্ষণে ৫ চারে ৫৬ রান করে ফেলেন তিনি। দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে শ্রীলংকা। সেখান থেকে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন দাসুন শানাকা ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ৪৯ রানের জুটি গড়ে মাঝের ধাক্কা সামাল দেন তারা। দলীয় ১৯৫ রানে ব্যক্তিগত ৩২ রান করে হাসারাঙ্গা ফিরলেও বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যান লংকানরা। পরে রানের গতি বাড়িয়ে চলেন শানাকা। শেষদিকে তার ঝড়ে এলোমেলো হয়ে যায় বাংলাদেশের বোলিং লাইনআপ।

যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন জোগান আকিলা ধনাঞ্জয়া। অবশ্য বেশি রান করতে পারেননি তিনি। তামিমের ম্যাজিক্যাল থ্রোতে রানআউট হয়ে ফেরেন তিনি। তবে শানাকা তাণ্ডব চলতেই থাকে। ব্যাটকে তলোয়ার বানিয়ে লাল-সবুজ জার্সিধারী বোলারদের কচুকাটা করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮২ রান করে শ্রীলংকা। ৬৩ বলে ৬টি করে চার-ছক্কায় ৮৬ রানের হার না মানা টর্নেডো ইনিংস খেলেন শানাকা। নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে তাকে সঙ্গ দেয়া অপোন্সো ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ঝরো ইনিংস খেলে ফিরলেন মুশফিক

আপডেট সময় : ০৫:১৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯

স্পোর্টস ডেস্ক; 
দলীয় ৫৮ রানে সৌম্য-তামিমকে হারিয়ে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে দলকে টেনে তোলেন মুশফিকুর রহিম। নেমেই লংকান বোলারদের পাল্টা তোপ দাগাতে থাকেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। যোগ্য সমর্থন পান অপর ব্যাটসম্যানের কাছ থেকেও। তাতে চাপ কাটিয়ে ওঠেন টাইগাররা।

এক পর্যায়ে মুশফিক-মিঠুনের জুটি জমাট বেঁধে ওঠে। তাতে ছোটে সফরকারীরা। পথিমধ্যে ফিফটি তুলে নেন মুশি। তবে এরপর আর স্থায়ী হতে পারেননি তিনি। ৪৬ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় কাঁটায় ৫০ রান করে ওয়ানিন্দুর শিকার হন নির্ভরতার প্রতীক। এ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৩ উইকেটে ১৪৩ রান করেছে বাংলাদেশ। মিঠুন ৩৪ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

মূল সিরিজ মাঠে গড়ানোর আগে শ্রীলংকা বোর্ড প্রেসিডেন্ট একাদশের বিপক্ষে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ। লংকানদের দেয়া ২৮৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুভসূচনা করেন টাইগাররা। ভালো শুরুর পর হঠাৎ সাজঘরে ফেরেন সৌম্য। লাহিরু কুমারার বলে আমিলা অপোন্সোকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। দলীয় ৪৫ রানে ফেরার আগে করেন ১৩। সেই রেশ না কাটতেই কাটা পড়েন ড্যাশিং ওপেনার। সেই লাহিরুর বলে কাসুন রাজিথাকে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। প্যাভিলিয়নের পথ ধরার আগে করেন ৬ চারে ৩৭ রান।

এর আগে বল হাতে প্রস্তুতির শুরুটাও দুর্দান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বড় সংগ্রহ গড়ে শ্রীলংকা। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮২ রান করে তারা। সোমবার কলম্বোর পি সারা ওভালে টস জিতে আগে ব্যাটিং বেছে নেন লংকানরা। ফলে প্রথমে ফিল্ডিং করতে নামে বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই অধিনায়ক নিরোশান ডিকভেলাকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন রুবেল হোসেন।

দ্বিতীয় উইকেটে প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আভাস দেন দানুশকা গুনাথিলাকা ও ওশাদা ফার্নান্দো। তবে বাদ সাধেন এ পেসার। মোসাদ্দেক হোসেনের ক্যাচ বানিয়ে ওশাদাকে প্যাভিলিয়নে পাঠান রুবেল। খানিক পরই ইতিবাচক শুরু করা গুনাথিলাকাকে বিদায় করে দেন তাসকিন আহমেদ। সেই মোসাদ্দেকেরই তালুবন্দি করেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৫ চারে ২৬ রান করেন গুনাথিলাকা। মাত্র ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েন স্বাগতিকরা।

সেখান থেকে দলকে কক্ষে ফেরানোর লক্ষ্যে জুটি বাঁধেন ভানুকা রাজাপাকশে ও শেহান জয়সুরিয়া। তাদের ৮২ রানের জোটে বড় সংগ্রহের ভিত পায় শ্রীলংকা। তবে এ দুজন ফিরতেই আবার পথ হারায় দলটি। দলীয় ১১৪ রানে রাজাপাকশেকে সাব্বির রহমানের তালুবন্দি করেন সৌম্য। ফেরার আগে ৪ চারে ৩২ রান করেন তিনি। পরক্ষণেই লংকান শিবিরে ছোবল মারেন মোস্তাফিজুর রহমান। অ্যাঞ্জেলো পেরেরাকে আউট করেন তিনি।

পরে পথের কাঁটা হয়ে থাকা জয়সুরিয়াকে ফিরিয়ে দেন সৌম্য। ততক্ষণে ৫ চারে ৫৬ রান করে ফেলেন তিনি। দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে শ্রীলংকা। সেখান থেকে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন দাসুন শানাকা ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ৪৯ রানের জুটি গড়ে মাঝের ধাক্কা সামাল দেন তারা। দলীয় ১৯৫ রানে ব্যক্তিগত ৩২ রান করে হাসারাঙ্গা ফিরলেও বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যান লংকানরা। পরে রানের গতি বাড়িয়ে চলেন শানাকা। শেষদিকে তার ঝড়ে এলোমেলো হয়ে যায় বাংলাদেশের বোলিং লাইনআপ।

যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন জোগান আকিলা ধনাঞ্জয়া। অবশ্য বেশি রান করতে পারেননি তিনি। তামিমের ম্যাজিক্যাল থ্রোতে রানআউট হয়ে ফেরেন তিনি। তবে শানাকা তাণ্ডব চলতেই থাকে। ব্যাটকে তলোয়ার বানিয়ে লাল-সবুজ জার্সিধারী বোলারদের কচুকাটা করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮২ রান করে শ্রীলংকা। ৬৩ বলে ৬টি করে চার-ছক্কায় ৮৬ রানের হার না মানা টর্নেডো ইনিংস খেলেন শানাকা। নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে তাকে সঙ্গ দেয়া অপোন্সো ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন।