ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

চাপ সামলাতে পারলেই চ্যাম্পিয়ন!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০১৯ ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ সংবাদদাতা লর্ডস, লন্ডন থেকে;
স্বাগতিক দলের সুবিধা-অসুবিধা দুই’ই আছে। নিজ মাঠে চেনা জানা পরিবেশ আর দর্শক সমর্থনপুষ্ট হয়ে খেলায় একটা বাড়তি সুবিধা থাকে অবশ্যই। আবার ঘরে মাঠে দর্শক, সমর্থক-ভক্তদের প্রত্যাশার চাপ, পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের প্রত্যাশাটাও বাড়তি চাপ হিসেবে কাজ করে।

এ কারণেই নিউজিল্যান্ড কোচ গ্যারি স্টিডের মনে হয় না শুধু ইংলিশদের ওপরই চাপ থাকবে। তার ধারণা দু’দলই সমান চাপে থাকবে। যারা এই চাপ কাটিয়ে স্বাভাবিক ও ভাল পারফরম্যান্স করতে পারবে, তারাই জিতবে।

১৪ জুলাই লর্ডসের ফাইনালে কারা বেশি চাপে থাকবে, সেটা কি স্বাগাতিক ইংল্যান্ড? এমন প্রশ্ন করা হলে নিউজিল্যান্ড কোচ বলেন, ‘আসলে এটা হচ্ছে বিশ্বকাপ ফাইনাল। দু’দলের জন্যই সমান চাপ। এখন কোন দল কতটা মনোবল, আস্থা আর আত্মবিশ্বাসের সাথে সে চাপ কাটিয়ে ভাল পারফরম করে সেটাই দেখার বিষয়।’

দু’দলের কেউই এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। এটাও একটা অন্যরকম চাপ। এমনটা মনে করে কিউই কোচ বলে ওঠেন, ‘দুই দলের কেউই এখনো বিশ্বকাপ জিতেনি। এবার বিশ্ব এক নতুন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে পাবে। কাজেই বিশ্বকাপ জয়ের অনুভুতি কি, তা দু’ দলেরই অজানা। তবে দু’দলই কিন্তু এর আগে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছে।’

দু’দলের ওপর সমান চাপের কথা বলেও একটা পর্যায়ে গিয়ে গ্যারি স্টিড বলে ওঠেন, ‘দেখেছি ভারত আর ইংল্যান্ডকে সম্ভাব্য বিজয়ী ভাবা হয়েছে বেশি। কি জানি মনে হয়, সেটাও ওই দু’দলের জন্য বাড়তি চাপ হিসেবে কাজ করে থাকতে পারে।’

বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও চার বছর আগে নিউজিল্যান্ড ফাইনাল খেলেছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। সেই দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার আছেন এবারের দলেও। আজ প্রচার মাধ্যমের সাথে কথোপকোথনে সে প্রসঙ্গ টেনে নিউজিল্যান্ড কোচ বলে উঠলেন, ‘অমাদের দলের ৮ থেকে ৯ জনের আগের বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতা আছে।’

তবে ফাইনাল খেলার আগে তার উত্তাপ, উত্তেজনা পরিমাপ করা কঠিন বলে মনে হয় গ্যারির। ‘আপনি যতক্ষণ না ফাইনাল খেলবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত বোঝার উপায় নেই আসলে ফাইনালের চাপ কতটা ও কেমন?’

তবে ভারতের সাথে সেমির যুদ্ধে জয়ের পর তার দল বড়-সড় চাপ কাটিয়ে উঠেছে বলে মনে হয় স্টিডের। তিনি বলেন, ‘আমি এই ভেবে খানিক স্বস্তিতে যে, সেমিফাইনালে আমরা চাপ সামলে খেলতে পেরেছি এবং চাপ সহ্যও করেছি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

চাপ সামলাতে পারলেই চ্যাম্পিয়ন!

আপডেট সময় : ১২:৫৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০১৯

বিশেষ সংবাদদাতা লর্ডস, লন্ডন থেকে;
স্বাগতিক দলের সুবিধা-অসুবিধা দুই’ই আছে। নিজ মাঠে চেনা জানা পরিবেশ আর দর্শক সমর্থনপুষ্ট হয়ে খেলায় একটা বাড়তি সুবিধা থাকে অবশ্যই। আবার ঘরে মাঠে দর্শক, সমর্থক-ভক্তদের প্রত্যাশার চাপ, পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের প্রত্যাশাটাও বাড়তি চাপ হিসেবে কাজ করে।

এ কারণেই নিউজিল্যান্ড কোচ গ্যারি স্টিডের মনে হয় না শুধু ইংলিশদের ওপরই চাপ থাকবে। তার ধারণা দু’দলই সমান চাপে থাকবে। যারা এই চাপ কাটিয়ে স্বাভাবিক ও ভাল পারফরম্যান্স করতে পারবে, তারাই জিতবে।

১৪ জুলাই লর্ডসের ফাইনালে কারা বেশি চাপে থাকবে, সেটা কি স্বাগাতিক ইংল্যান্ড? এমন প্রশ্ন করা হলে নিউজিল্যান্ড কোচ বলেন, ‘আসলে এটা হচ্ছে বিশ্বকাপ ফাইনাল। দু’দলের জন্যই সমান চাপ। এখন কোন দল কতটা মনোবল, আস্থা আর আত্মবিশ্বাসের সাথে সে চাপ কাটিয়ে ভাল পারফরম করে সেটাই দেখার বিষয়।’

দু’দলের কেউই এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। এটাও একটা অন্যরকম চাপ। এমনটা মনে করে কিউই কোচ বলে ওঠেন, ‘দুই দলের কেউই এখনো বিশ্বকাপ জিতেনি। এবার বিশ্ব এক নতুন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে পাবে। কাজেই বিশ্বকাপ জয়ের অনুভুতি কি, তা দু’ দলেরই অজানা। তবে দু’দলই কিন্তু এর আগে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছে।’

দু’দলের ওপর সমান চাপের কথা বলেও একটা পর্যায়ে গিয়ে গ্যারি স্টিড বলে ওঠেন, ‘দেখেছি ভারত আর ইংল্যান্ডকে সম্ভাব্য বিজয়ী ভাবা হয়েছে বেশি। কি জানি মনে হয়, সেটাও ওই দু’দলের জন্য বাড়তি চাপ হিসেবে কাজ করে থাকতে পারে।’

বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও চার বছর আগে নিউজিল্যান্ড ফাইনাল খেলেছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। সেই দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার আছেন এবারের দলেও। আজ প্রচার মাধ্যমের সাথে কথোপকোথনে সে প্রসঙ্গ টেনে নিউজিল্যান্ড কোচ বলে উঠলেন, ‘অমাদের দলের ৮ থেকে ৯ জনের আগের বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতা আছে।’

তবে ফাইনাল খেলার আগে তার উত্তাপ, উত্তেজনা পরিমাপ করা কঠিন বলে মনে হয় গ্যারির। ‘আপনি যতক্ষণ না ফাইনাল খেলবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত বোঝার উপায় নেই আসলে ফাইনালের চাপ কতটা ও কেমন?’

তবে ভারতের সাথে সেমির যুদ্ধে জয়ের পর তার দল বড়-সড় চাপ কাটিয়ে উঠেছে বলে মনে হয় স্টিডের। তিনি বলেন, ‘আমি এই ভেবে খানিক স্বস্তিতে যে, সেমিফাইনালে আমরা চাপ সামলে খেলতে পেরেছি এবং চাপ সহ্যও করেছি।’