ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

এনবিআর সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে বন্ড কারসাজিতে শতকোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৮২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে বন্ড সুবিধার অপব্যবহার, বন্ধ কারখানার নামে আমদানি-সুবিধা নেওয়া এবং শতকোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির সুযোগ করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে বন্ড সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে লিখিত অভিযোগ করেছেন ফারুক হোসেন নামের এক ব্যক্তি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকা (দক্ষিণ)-এর সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার মাধ্যমে এনবিআরের পূর্ববর্তী নির্দেশনা বা আদেশ উপেক্ষা করে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মেসার্স ইউএজিএম বিডি লিমিটেডকে পিভিসি ফ্লেক্স আমদানির সুবিধা দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির BIN নম্বর ০০৪৭৪৮৫৯৪-০৩০৫ এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যের এইচএস কোড ৩৯২১.৯০.৯৯।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে কাস্টমস গোয়েন্দা দলের একটি প্রিভেন্টিভ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালিয়ে কোনো ধরনের উৎপাদন কার্যক্রম দেখতে পায়নি। প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ অবস্থায় ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় আনুমানিক ৯০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির একটি মামলা প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।

‘বেনামে পরিচালনার’ অভিযোগ
অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, তদন্তের সময় প্রতিষ্ঠানের এক প্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানটি এনবিআর সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনের বেনামে পরিচালিত হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাতের পর প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া থেমে যায় বলে অভিযোগকারীর দাবি।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস নিয়েও অভিযোগ
অভিযোগপত্রে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসকেন্দ্রিক বন্ড সুবিধায় পণ্য খালাসের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, মোয়াজ্জেম হোসেনের খালাতো ভাই হিসেবে পরিচয় দেওয়া মোজাম্মেল নামের এক ব্যক্তিকে বন্ড সুবিধায় পণ্য ছাড়করণের কাজে কন্ট্রাক্ট দেওয়া হতো।
অভিযোগকারীর দাবি, ওই ব্যক্তির প্রভাবেই এনবিআরের কর্মকর্তাদের পোস্টিং ও প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রভাবিত হতো—এমন কথাও সংশ্লিষ্ট মহলে প্রচলিত রয়েছে। একই অভিযোগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের প্রশাসন শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফের বিরুদ্ধেও পিভিসি ফ্লেক্সের চালান খালাসে ভূমিকা রাখার অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে তাকে মোয়াজ্জেম হোসেনের ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

চারটি বন্ড লাইসেন্স নিয়েও প্রশ্ন
অভিযোগকারী ফারুক হোসেনের দাবি, একই বিষয়ে এনবিআরের অভিযোগ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা (GRS)-এ অভিযোগ করা হলেও কার্যকর তদন্ত হয়নি। বরং অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা পরবর্তীতে গুরুত্বপূর্ণ বা সুবিধাজনক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, মোয়াজ্জেম হোসেন প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকার সময়ে বেনামে চারটি বন্ড লাইসেন্স নেওয়া হয় এবং এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্য খোলাবাজারে বিক্রির সুযোগ তৈরি করা হয়। এতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগকারীর দাবি।

তদন্তের দাবি
অভিযোগকারী প্রশ্ন তুলেছেন, এনবিআরের নির্দেশনা বা নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানি ও খালাসের সুযোগ পেল এবং বন্ধ একটি প্রতিষ্ঠানের নামে কীভাবে বন্ড সুবিধা কার্যকর ছিল। এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
দুদক ও এনবিআরের কাছে দেওয়া অভিযোগে ঘটনাগুলোর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বক্তব্য পাওয়া যায়নি
অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে এনবিআর সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। পরে তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে লিখিতভাবে বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার পক্ষ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
অভিযোগে উল্লিখিত অন্যান্য কর্মকর্তা ও ব্যক্তিদের বক্তব্যও নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

এনবিআর সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে বন্ড কারসাজিতে শতকোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৪৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে বন্ড সুবিধার অপব্যবহার, বন্ধ কারখানার নামে আমদানি-সুবিধা নেওয়া এবং শতকোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির সুযোগ করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে বন্ড সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে লিখিত অভিযোগ করেছেন ফারুক হোসেন নামের এক ব্যক্তি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকা (দক্ষিণ)-এর সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার মাধ্যমে এনবিআরের পূর্ববর্তী নির্দেশনা বা আদেশ উপেক্ষা করে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মেসার্স ইউএজিএম বিডি লিমিটেডকে পিভিসি ফ্লেক্স আমদানির সুবিধা দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির BIN নম্বর ০০৪৭৪৮৫৯৪-০৩০৫ এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যের এইচএস কোড ৩৯২১.৯০.৯৯।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে কাস্টমস গোয়েন্দা দলের একটি প্রিভেন্টিভ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালিয়ে কোনো ধরনের উৎপাদন কার্যক্রম দেখতে পায়নি। প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ অবস্থায় ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় আনুমানিক ৯০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির একটি মামলা প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।

‘বেনামে পরিচালনার’ অভিযোগ
অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, তদন্তের সময় প্রতিষ্ঠানের এক প্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানটি এনবিআর সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনের বেনামে পরিচালিত হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাতের পর প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া থেমে যায় বলে অভিযোগকারীর দাবি।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস নিয়েও অভিযোগ
অভিযোগপত্রে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসকেন্দ্রিক বন্ড সুবিধায় পণ্য খালাসের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, মোয়াজ্জেম হোসেনের খালাতো ভাই হিসেবে পরিচয় দেওয়া মোজাম্মেল নামের এক ব্যক্তিকে বন্ড সুবিধায় পণ্য ছাড়করণের কাজে কন্ট্রাক্ট দেওয়া হতো।
অভিযোগকারীর দাবি, ওই ব্যক্তির প্রভাবেই এনবিআরের কর্মকর্তাদের পোস্টিং ও প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রভাবিত হতো—এমন কথাও সংশ্লিষ্ট মহলে প্রচলিত রয়েছে। একই অভিযোগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের প্রশাসন শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফের বিরুদ্ধেও পিভিসি ফ্লেক্সের চালান খালাসে ভূমিকা রাখার অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে তাকে মোয়াজ্জেম হোসেনের ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

চারটি বন্ড লাইসেন্স নিয়েও প্রশ্ন
অভিযোগকারী ফারুক হোসেনের দাবি, একই বিষয়ে এনবিআরের অভিযোগ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা (GRS)-এ অভিযোগ করা হলেও কার্যকর তদন্ত হয়নি। বরং অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা পরবর্তীতে গুরুত্বপূর্ণ বা সুবিধাজনক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, মোয়াজ্জেম হোসেন প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকার সময়ে বেনামে চারটি বন্ড লাইসেন্স নেওয়া হয় এবং এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্য খোলাবাজারে বিক্রির সুযোগ তৈরি করা হয়। এতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগকারীর দাবি।

তদন্তের দাবি
অভিযোগকারী প্রশ্ন তুলেছেন, এনবিআরের নির্দেশনা বা নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানি ও খালাসের সুযোগ পেল এবং বন্ধ একটি প্রতিষ্ঠানের নামে কীভাবে বন্ড সুবিধা কার্যকর ছিল। এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
দুদক ও এনবিআরের কাছে দেওয়া অভিযোগে ঘটনাগুলোর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বক্তব্য পাওয়া যায়নি
অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে এনবিআর সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। পরে তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে লিখিতভাবে বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার পক্ষ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
অভিযোগে উল্লিখিত অন্যান্য কর্মকর্তা ও ব্যক্তিদের বক্তব্যও নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।