শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বদলি ও পদায়ন বাণিজ্য ‘দখলে গুরুত্বপূর্ণ পদ!
- আপডেট সময় : ০৪:৪২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৫২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইডি)-এর প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবং অর্থ ও প্রশাসনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় করা বদলি ও পদায়ন এখন বড় প্রশ্নের মুখে। সংশ্লিষ্ট মহলের অভিযোগ, এসব পদে বসতে হয়েছে প্রভাব খাটিয়ে এবং মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে।
সূত্রের দাবি, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পদের বিপরীতে লাখ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৫ আগষ্টের পরবর্তি সময়ে জামায়াতের সংশ্লিষ্ঠ রাজনৈতিক বলয়ের ছত্রছায়ায় থেকে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠী এসব পদ দখলে নিয়েছে বলেও দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। মোটা অংকের টাকার বিনিময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জামাতপন্থী প্রভাবশালী নেতাদের মাধ্যমে চলতি দায়িত্বের নামে দখল নেওয়া হয়েছ। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে কিন্তু এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়নি, তাই দপ্তরের অধিকাংশ কর্মকর্তাদের ভেতরে চাপা ক্ষোভ স্পষ্ট।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে অন্তর্ভুক্তিকালীন সরকারের সময়ে এনসিপি ও জামাতপন্থী অসংখ্য নেতাদের অবাধ যাতায়াত ছিল। অভিযোগ রয়েছে ওইসব দলের নেতাদের ইচ্ছায় এসব কর্মকর্তারা সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন।
ইইডি দেশের শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের বড় বাজেটের প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। শত শত কোটি টাকার প্রকল্প তদারকির দায়িত্ব যাদের হাতে, সেই গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো যদি প্রভাব ও লেনদেনের মাধ্যমে বণ্টন হয়, তবে প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জনস্বার্থ কোথায় দাঁড়ায়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
সম্প্রতি এসব দুর্নীতিবাজ ও অনিয়মের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের বিষয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হলেও কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বরং ঐ সমস্ত কর্মকর্তারা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর প্রভাবশালী সাংবাদিকদের মাধ্যমে এসব সংবাদ বন্ধ করার চেষ্টা করেছেন বলে একাধিক সাংবাদিক দাবি করেছেন।
অতীতেও ইইডির বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম, টেন্ডার কারসাজি এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু কার্যকর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না থাকায় একই চক্র আবারও সক্রিয় হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা জরুরি বলে মনে করছেন প্রশাসনিক বিশ্লেষকরা।
সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট ব্যাখ্যা ও স্বাধীন তদন্ত দাবি করেছেন দপ্তরের ভেতরের একাধিক কর্মকর্তা। তাদের মতে, যদি অভিযোগ ভিত্তিহীন হয়, তবে সেটিও প্রকাশ্যে পরিষ্কার হওয়া উচিত। আর যদি সত্য হয়, তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।
দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তারা জানান, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর সময়ে এসব বিষয়গুলো শক্তভাবে দেখা হবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন তারা।
আরও বিস্তারিত নিয়ে আগামী পর্বে থাকছে বিস্তারিত…


















