ঢাকা ০৩:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

পুলিশের তিন মামলায় আসামি সাড়ে ৬ হাজার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মার্চ ২০২১ ৩১০ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি;

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হোসেন রেজা জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বাদী হয় দু’টি মামলা দায়ের করেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও ২নং পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনায় দু’টি মামলায় অজ্ঞাত চার-পাঁচ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।

এছাড়াও সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোসলেহ উদ্দিন বাদী হয়ে আরও একটি মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলায় আটক ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত প্রায় দেড় হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফর ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় শুক্রবার (২৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে জেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসা ও ভাদুঘর সিরাজুল উলুম মাদরাসার ছাত্ররা। তারা জেলা সদরের ভাদুঘর এলাকার কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে।

এরপর বিকেল ৪টায় বিক্ষুব্ধরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ। পরে তারা বিকেল ৫টায় রেলওয়ে স্টেশন ফাঁড়িতে হামলা চালান। এ ঘটনায় সাত ঘণ্টা ঢাকা-সিলেট রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে।

এছাড়াও এসময় তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, সিভিল সার্জনের কার্যালয় এবং জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।

এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের ২নং ফাঁড়ির পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) নূরে আলমসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। এদের মধ্যে নূরে আলমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

পুলিশের তিন মামলায় আসামি সাড়ে ৬ হাজার

আপডেট সময় : ০৮:২৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মার্চ ২০২১

জেলা প্রতিনিধি;

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হোসেন রেজা জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বাদী হয় দু’টি মামলা দায়ের করেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও ২নং পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনায় দু’টি মামলায় অজ্ঞাত চার-পাঁচ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।

এছাড়াও সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোসলেহ উদ্দিন বাদী হয়ে আরও একটি মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলায় আটক ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত প্রায় দেড় হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফর ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় শুক্রবার (২৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে জেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসা ও ভাদুঘর সিরাজুল উলুম মাদরাসার ছাত্ররা। তারা জেলা সদরের ভাদুঘর এলাকার কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে।

এরপর বিকেল ৪টায় বিক্ষুব্ধরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ। পরে তারা বিকেল ৫টায় রেলওয়ে স্টেশন ফাঁড়িতে হামলা চালান। এ ঘটনায় সাত ঘণ্টা ঢাকা-সিলেট রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে।

এছাড়াও এসময় তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, সিভিল সার্জনের কার্যালয় এবং জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।

এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের ২নং ফাঁড়ির পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) নূরে আলমসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। এদের মধ্যে নূরে আলমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়।