ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

পাখির জন্য এক পুলিশ কর্মকর্তার অনন্য ভালোবাসা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১ ৩১২ বার পড়া হয়েছে

কয়েক হাজার পাখিকে খাবার দিয়ে নজির সৃষ্টি করেছেন ট্রাফিক সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয়।

চুয়াডাঙ্গা শহরের মোড়ে মোড়ে প্রতিদিন পাখিদের খাবার দিচ্ছেন তিনি। খাবারের পাশাপাশি পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতে গাছে গাছে বেঁধে দিচ্ছের বাঁশের খুপড়ি-মাটির কলস।

কর্মস্থলে পৌঁছানোর আগে খাবারের ব্যাগ হাতে হাজির মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস। ব্যাগ থেকে চানাচুর, বিস্কুট, মুড়ি, চাল বের করতেই পাখিদের উল্লাস, হুড়োহুড়ি।

পাখিরা মনের আনন্দে খেতে থাকে খাবার। আরপুলিশ সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস তা দেখেই পান আত্মতৃপ্তি। করোনার শুরু থেকে পাখিদের সঙ্গে এমন মিতালী তার। খাবারের পাশাপাশি নিরাপদ আবাসস্থল তৈরিরও উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস জানান, ডিউটি করার সময় এক ঝাঁক পাখির কিচির মিচির আওয়াজ শুনতে পাই। পাশের একটি দোকান থেকে কিছু চানাচুর এবং মুড়ি কিনে এনে দেই, ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি এসে আমাকে ঘিড়ে ধরে খাবার খেতে থাকে। জীবের সেবা করতে পেরে আমি নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান ভাবছি।

পাখিদের প্রতি এমন ভালোবাসায় খুশি স্থানীয়রা। এ ধরনের কাজ অন্যদের জন্য অনুকরনীয় বলে মনে করেন পরিবেশবিদরা। পুলিশ সদস্যের এমন ভূমিকার প্রশংসা করছেন জেলা পুলিশ সুপার।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা যখন দেখি আইন শৃংখলা পরিস্থিতি ভাল আছে তার পাশা-পাশি এই কাজগুলো করে মানুষের একান্ত সানিধ্যে গিয়ে পুলিশ যে প্রকৃত বন্ধু সেটার প্রমান দিতে চাই।

পাখিদের রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়াও, নিজ নিজ জায়গা থেকে সবার ভূমিকা প্রয়োজন মনে করেন এই কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

পাখির জন্য এক পুলিশ কর্মকর্তার অনন্য ভালোবাসা

আপডেট সময় : ১০:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

কয়েক হাজার পাখিকে খাবার দিয়ে নজির সৃষ্টি করেছেন ট্রাফিক সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয়।

চুয়াডাঙ্গা শহরের মোড়ে মোড়ে প্রতিদিন পাখিদের খাবার দিচ্ছেন তিনি। খাবারের পাশাপাশি পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতে গাছে গাছে বেঁধে দিচ্ছের বাঁশের খুপড়ি-মাটির কলস।

কর্মস্থলে পৌঁছানোর আগে খাবারের ব্যাগ হাতে হাজির মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস। ব্যাগ থেকে চানাচুর, বিস্কুট, মুড়ি, চাল বের করতেই পাখিদের উল্লাস, হুড়োহুড়ি।

পাখিরা মনের আনন্দে খেতে থাকে খাবার। আরপুলিশ সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস তা দেখেই পান আত্মতৃপ্তি। করোনার শুরু থেকে পাখিদের সঙ্গে এমন মিতালী তার। খাবারের পাশাপাশি নিরাপদ আবাসস্থল তৈরিরও উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস জানান, ডিউটি করার সময় এক ঝাঁক পাখির কিচির মিচির আওয়াজ শুনতে পাই। পাশের একটি দোকান থেকে কিছু চানাচুর এবং মুড়ি কিনে এনে দেই, ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি এসে আমাকে ঘিড়ে ধরে খাবার খেতে থাকে। জীবের সেবা করতে পেরে আমি নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান ভাবছি।

পাখিদের প্রতি এমন ভালোবাসায় খুশি স্থানীয়রা। এ ধরনের কাজ অন্যদের জন্য অনুকরনীয় বলে মনে করেন পরিবেশবিদরা। পুলিশ সদস্যের এমন ভূমিকার প্রশংসা করছেন জেলা পুলিশ সুপার।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা যখন দেখি আইন শৃংখলা পরিস্থিতি ভাল আছে তার পাশা-পাশি এই কাজগুলো করে মানুষের একান্ত সানিধ্যে গিয়ে পুলিশ যে প্রকৃত বন্ধু সেটার প্রমান দিতে চাই।

পাখিদের রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়াও, নিজ নিজ জায়গা থেকে সবার ভূমিকা প্রয়োজন মনে করেন এই কর্মকর্তা।