ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মঙ্গল শোভাযাত্রা – তাসফিয়া ফারহানা ঐশী Logo সাস্টিয়ান ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর ইফতার মাহফিল সম্পন্ন Logo কুবির চট্টগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ইফতার ও পূর্নমিলনী Logo অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদের মায়ের মৃত্যুতে শাবির মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্ত চিন্তা চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ পরিষদের শোক প্রকাশ Logo শাবির অধ্যাপক জহীর উদ্দিনের মায়ের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক প্রকাশ Logo বিশ কোটিতে গণপূর্তের প্রধান হওয়ার মিশনে ‘ছাত্রদল ক্যাডার প্রকৌশলী’! Logo দূর্নীতির রাক্ষস ফায়ার সার্ভিসের এডি আনোয়ার! Logo ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি হওয়া শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামোর সংস্কার শুরু Logo বুয়েটে নিয়মতান্ত্রিক ছাত্র রাজনীতির দাবিতে শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের মানববন্ধন Logo কুবি উপাচার্যের বক্তব্যের প্রমাণ দিতে শিক্ষক সমিতির সাত দিনের আল্টিমেটাম




পাখির জন্য এক পুলিশ কর্মকর্তার অনন্য ভালোবাসা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১ ১৩০ বার পড়া হয়েছে

কয়েক হাজার পাখিকে খাবার দিয়ে নজির সৃষ্টি করেছেন ট্রাফিক সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয়।

চুয়াডাঙ্গা শহরের মোড়ে মোড়ে প্রতিদিন পাখিদের খাবার দিচ্ছেন তিনি। খাবারের পাশাপাশি পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতে গাছে গাছে বেঁধে দিচ্ছের বাঁশের খুপড়ি-মাটির কলস।

কর্মস্থলে পৌঁছানোর আগে খাবারের ব্যাগ হাতে হাজির মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস। ব্যাগ থেকে চানাচুর, বিস্কুট, মুড়ি, চাল বের করতেই পাখিদের উল্লাস, হুড়োহুড়ি।

পাখিরা মনের আনন্দে খেতে থাকে খাবার। আরপুলিশ সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস তা দেখেই পান আত্মতৃপ্তি। করোনার শুরু থেকে পাখিদের সঙ্গে এমন মিতালী তার। খাবারের পাশাপাশি নিরাপদ আবাসস্থল তৈরিরও উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস জানান, ডিউটি করার সময় এক ঝাঁক পাখির কিচির মিচির আওয়াজ শুনতে পাই। পাশের একটি দোকান থেকে কিছু চানাচুর এবং মুড়ি কিনে এনে দেই, ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি এসে আমাকে ঘিড়ে ধরে খাবার খেতে থাকে। জীবের সেবা করতে পেরে আমি নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান ভাবছি।

পাখিদের প্রতি এমন ভালোবাসায় খুশি স্থানীয়রা। এ ধরনের কাজ অন্যদের জন্য অনুকরনীয় বলে মনে করেন পরিবেশবিদরা। পুলিশ সদস্যের এমন ভূমিকার প্রশংসা করছেন জেলা পুলিশ সুপার।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা যখন দেখি আইন শৃংখলা পরিস্থিতি ভাল আছে তার পাশা-পাশি এই কাজগুলো করে মানুষের একান্ত সানিধ্যে গিয়ে পুলিশ যে প্রকৃত বন্ধু সেটার প্রমান দিতে চাই।

পাখিদের রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়াও, নিজ নিজ জায়গা থেকে সবার ভূমিকা প্রয়োজন মনে করেন এই কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




পাখির জন্য এক পুলিশ কর্মকর্তার অনন্য ভালোবাসা

আপডেট সময় : ১০:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

কয়েক হাজার পাখিকে খাবার দিয়ে নজির সৃষ্টি করেছেন ট্রাফিক সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয়।

চুয়াডাঙ্গা শহরের মোড়ে মোড়ে প্রতিদিন পাখিদের খাবার দিচ্ছেন তিনি। খাবারের পাশাপাশি পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতে গাছে গাছে বেঁধে দিচ্ছের বাঁশের খুপড়ি-মাটির কলস।

কর্মস্থলে পৌঁছানোর আগে খাবারের ব্যাগ হাতে হাজির মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস। ব্যাগ থেকে চানাচুর, বিস্কুট, মুড়ি, চাল বের করতেই পাখিদের উল্লাস, হুড়োহুড়ি।

পাখিরা মনের আনন্দে খেতে থাকে খাবার। আরপুলিশ সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস তা দেখেই পান আত্মতৃপ্তি। করোনার শুরু থেকে পাখিদের সঙ্গে এমন মিতালী তার। খাবারের পাশাপাশি নিরাপদ আবাসস্থল তৈরিরও উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস জানান, ডিউটি করার সময় এক ঝাঁক পাখির কিচির মিচির আওয়াজ শুনতে পাই। পাশের একটি দোকান থেকে কিছু চানাচুর এবং মুড়ি কিনে এনে দেই, ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি এসে আমাকে ঘিড়ে ধরে খাবার খেতে থাকে। জীবের সেবা করতে পেরে আমি নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান ভাবছি।

পাখিদের প্রতি এমন ভালোবাসায় খুশি স্থানীয়রা। এ ধরনের কাজ অন্যদের জন্য অনুকরনীয় বলে মনে করেন পরিবেশবিদরা। পুলিশ সদস্যের এমন ভূমিকার প্রশংসা করছেন জেলা পুলিশ সুপার।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা যখন দেখি আইন শৃংখলা পরিস্থিতি ভাল আছে তার পাশা-পাশি এই কাজগুলো করে মানুষের একান্ত সানিধ্যে গিয়ে পুলিশ যে প্রকৃত বন্ধু সেটার প্রমান দিতে চাই।

পাখিদের রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়াও, নিজ নিজ জায়গা থেকে সবার ভূমিকা প্রয়োজন মনে করেন এই কর্মকর্তা।