ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

পাখির জন্য এক পুলিশ কর্মকর্তার অনন্য ভালোবাসা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১ ২৯৯ বার পড়া হয়েছে

কয়েক হাজার পাখিকে খাবার দিয়ে নজির সৃষ্টি করেছেন ট্রাফিক সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয়।

চুয়াডাঙ্গা শহরের মোড়ে মোড়ে প্রতিদিন পাখিদের খাবার দিচ্ছেন তিনি। খাবারের পাশাপাশি পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতে গাছে গাছে বেঁধে দিচ্ছের বাঁশের খুপড়ি-মাটির কলস।

কর্মস্থলে পৌঁছানোর আগে খাবারের ব্যাগ হাতে হাজির মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস। ব্যাগ থেকে চানাচুর, বিস্কুট, মুড়ি, চাল বের করতেই পাখিদের উল্লাস, হুড়োহুড়ি।

পাখিরা মনের আনন্দে খেতে থাকে খাবার। আরপুলিশ সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস তা দেখেই পান আত্মতৃপ্তি। করোনার শুরু থেকে পাখিদের সঙ্গে এমন মিতালী তার। খাবারের পাশাপাশি নিরাপদ আবাসস্থল তৈরিরও উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস জানান, ডিউটি করার সময় এক ঝাঁক পাখির কিচির মিচির আওয়াজ শুনতে পাই। পাশের একটি দোকান থেকে কিছু চানাচুর এবং মুড়ি কিনে এনে দেই, ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি এসে আমাকে ঘিড়ে ধরে খাবার খেতে থাকে। জীবের সেবা করতে পেরে আমি নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান ভাবছি।

পাখিদের প্রতি এমন ভালোবাসায় খুশি স্থানীয়রা। এ ধরনের কাজ অন্যদের জন্য অনুকরনীয় বলে মনে করেন পরিবেশবিদরা। পুলিশ সদস্যের এমন ভূমিকার প্রশংসা করছেন জেলা পুলিশ সুপার।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা যখন দেখি আইন শৃংখলা পরিস্থিতি ভাল আছে তার পাশা-পাশি এই কাজগুলো করে মানুষের একান্ত সানিধ্যে গিয়ে পুলিশ যে প্রকৃত বন্ধু সেটার প্রমান দিতে চাই।

পাখিদের রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়াও, নিজ নিজ জায়গা থেকে সবার ভূমিকা প্রয়োজন মনে করেন এই কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

পাখির জন্য এক পুলিশ কর্মকর্তার অনন্য ভালোবাসা

আপডেট সময় : ১০:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

কয়েক হাজার পাখিকে খাবার দিয়ে নজির সৃষ্টি করেছেন ট্রাফিক সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয়।

চুয়াডাঙ্গা শহরের মোড়ে মোড়ে প্রতিদিন পাখিদের খাবার দিচ্ছেন তিনি। খাবারের পাশাপাশি পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতে গাছে গাছে বেঁধে দিচ্ছের বাঁশের খুপড়ি-মাটির কলস।

কর্মস্থলে পৌঁছানোর আগে খাবারের ব্যাগ হাতে হাজির মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস। ব্যাগ থেকে চানাচুর, বিস্কুট, মুড়ি, চাল বের করতেই পাখিদের উল্লাস, হুড়োহুড়ি।

পাখিরা মনের আনন্দে খেতে থাকে খাবার। আরপুলিশ সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস তা দেখেই পান আত্মতৃপ্তি। করোনার শুরু থেকে পাখিদের সঙ্গে এমন মিতালী তার। খাবারের পাশাপাশি নিরাপদ আবাসস্থল তৈরিরও উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস জানান, ডিউটি করার সময় এক ঝাঁক পাখির কিচির মিচির আওয়াজ শুনতে পাই। পাশের একটি দোকান থেকে কিছু চানাচুর এবং মুড়ি কিনে এনে দেই, ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি এসে আমাকে ঘিড়ে ধরে খাবার খেতে থাকে। জীবের সেবা করতে পেরে আমি নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান ভাবছি।

পাখিদের প্রতি এমন ভালোবাসায় খুশি স্থানীয়রা। এ ধরনের কাজ অন্যদের জন্য অনুকরনীয় বলে মনে করেন পরিবেশবিদরা। পুলিশ সদস্যের এমন ভূমিকার প্রশংসা করছেন জেলা পুলিশ সুপার।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা যখন দেখি আইন শৃংখলা পরিস্থিতি ভাল আছে তার পাশা-পাশি এই কাজগুলো করে মানুষের একান্ত সানিধ্যে গিয়ে পুলিশ যে প্রকৃত বন্ধু সেটার প্রমান দিতে চাই।

পাখিদের রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়াও, নিজ নিজ জায়গা থেকে সবার ভূমিকা প্রয়োজন মনে করেন এই কর্মকর্তা।