ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

তরুণ উদ্যোক্তা ফাহিম সালেহ হত্যাকাণ্ডে সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২০ ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ উদ্যোক্তা ফাহিম সালেহ হত্যার ঘটনায় তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী টাইরিস ডেভেন হাসপিলকে (২১) গ্রেফতার করেছে নিউইয়র্ক পুলিশ। অর্থ-আত্মসাতের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিক ধারণা করছে পুলিশের তদন্তকারী দল। খবর নিউইয়র্ক টাইমস।
বিজ্ঞাপন

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২১ বছর বয়েসি টাইরিস ডেভেন হাসপিল তরুণ উদ্যোক্তা ফাহিম সালেহর ব্যক্তিগত সহকারী থাকাকালীন কয়েক লাখ ডলার আত্মসাৎ করেন। ফাহিম সালেহ বিষয়টি জানার পরেও টাইরিসের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ না করে কিস্তিতে টাকা পরিশোধের এক সমঝোতা করেন। পুলিশ ধারণা করছে আত্মসাৎ করা টাকা ফিরিয়ে না দিতেই হত্যা করা হয়েছে ফাহিম সালেহকে।

প্রসঙ্গত, সৌদি আরবে জন্ম নেওয়ার পর নিউইয়র্কে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ মিলিয়নার ফাহিম সালেহ গত বছর থেকে ম্যানহাটনের একটি অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস শুরু করেন। সেখানেই তাকে হত্যা করা হয়। রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তিনি।
বিজ্ঞাপন

বুধবার (১৫ জুলাই) ম্যানহাটনে নিজ অ্যাপার্টমেন্টে ৩৩ বছর বয়েসি ফাহিম সালেহের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের ধারণা, এর একদিন আগেই তাকে খুন করে তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী। তদন্তকারী পুলিশের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মূলত একদিন আগেই ফাহিম সালেহর নিজ অ্যাপার্টমেন্টে তাকে খুন করে হাসপিল। তবে পরদিন হত্যাকাণ্ডের কোনো চিহ্ন না রাখতে ফাহিম সালেহর মরদেহ কেটে টুকরো টুকরো করে ব্যাগে ভরে সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা ছিলো ঘাতকের। কিন্তু মরদেহ কাটার সময় ফাহিম সালেহর বোন অ্যাপার্টমেন্টে চলে আসায় পালিয়ে যায় হত্যাকারী।

এর আগে নিউইয়র্ক পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, হত্যাকারী ফাহিমের মরদেহ টুকরো টুকরো করে ব্যাগে ভর্তি করে। এক ফাঁকে ধুয়ে মুছে রক্ত পরিষ্কার করে। ঘটনাস্থলে তেমন রক্তের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কেউ আসছে বা দরজায় বেল দিচ্ছে, এমন ঘটনার পর খুনি সাততলা অ্যাপার্টমেন্টের পেছনের সিঁড়ি দিয়ে নেমে যায়। এ জন্য তাকে স্পেয়ার চাবি ব্যবহার করতে হয়েছে। ফলে এ ধরনের ‘এক্সিট পরিকল্পনা’ আগে থেকেই নেওয়া ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

অ্যাপার্টমেন্টের আশেপাশের সিসি ক্যামেরা দেখে ফাহিম সালেহর হত্যাকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পায় পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ফাহিম সালেহকে অনুসরণ করে লিফটে উঠে ঘাতক। সে সময় তার পরনে ছিলো কালো স্যুট, কালো শার্ট ও কালো টাই ও কালো মুখোশ। হাতে ছিলো একটি ব্যাগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

তরুণ উদ্যোক্তা ফাহিম সালেহ হত্যাকাণ্ডে সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৯:৩৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ উদ্যোক্তা ফাহিম সালেহ হত্যার ঘটনায় তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী টাইরিস ডেভেন হাসপিলকে (২১) গ্রেফতার করেছে নিউইয়র্ক পুলিশ। অর্থ-আত্মসাতের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিক ধারণা করছে পুলিশের তদন্তকারী দল। খবর নিউইয়র্ক টাইমস।
বিজ্ঞাপন

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২১ বছর বয়েসি টাইরিস ডেভেন হাসপিল তরুণ উদ্যোক্তা ফাহিম সালেহর ব্যক্তিগত সহকারী থাকাকালীন কয়েক লাখ ডলার আত্মসাৎ করেন। ফাহিম সালেহ বিষয়টি জানার পরেও টাইরিসের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ না করে কিস্তিতে টাকা পরিশোধের এক সমঝোতা করেন। পুলিশ ধারণা করছে আত্মসাৎ করা টাকা ফিরিয়ে না দিতেই হত্যা করা হয়েছে ফাহিম সালেহকে।

প্রসঙ্গত, সৌদি আরবে জন্ম নেওয়ার পর নিউইয়র্কে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ মিলিয়নার ফাহিম সালেহ গত বছর থেকে ম্যানহাটনের একটি অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস শুরু করেন। সেখানেই তাকে হত্যা করা হয়। রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তিনি।
বিজ্ঞাপন

বুধবার (১৫ জুলাই) ম্যানহাটনে নিজ অ্যাপার্টমেন্টে ৩৩ বছর বয়েসি ফাহিম সালেহের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের ধারণা, এর একদিন আগেই তাকে খুন করে তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী। তদন্তকারী পুলিশের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মূলত একদিন আগেই ফাহিম সালেহর নিজ অ্যাপার্টমেন্টে তাকে খুন করে হাসপিল। তবে পরদিন হত্যাকাণ্ডের কোনো চিহ্ন না রাখতে ফাহিম সালেহর মরদেহ কেটে টুকরো টুকরো করে ব্যাগে ভরে সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা ছিলো ঘাতকের। কিন্তু মরদেহ কাটার সময় ফাহিম সালেহর বোন অ্যাপার্টমেন্টে চলে আসায় পালিয়ে যায় হত্যাকারী।

এর আগে নিউইয়র্ক পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, হত্যাকারী ফাহিমের মরদেহ টুকরো টুকরো করে ব্যাগে ভর্তি করে। এক ফাঁকে ধুয়ে মুছে রক্ত পরিষ্কার করে। ঘটনাস্থলে তেমন রক্তের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কেউ আসছে বা দরজায় বেল দিচ্ছে, এমন ঘটনার পর খুনি সাততলা অ্যাপার্টমেন্টের পেছনের সিঁড়ি দিয়ে নেমে যায়। এ জন্য তাকে স্পেয়ার চাবি ব্যবহার করতে হয়েছে। ফলে এ ধরনের ‘এক্সিট পরিকল্পনা’ আগে থেকেই নেওয়া ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

অ্যাপার্টমেন্টের আশেপাশের সিসি ক্যামেরা দেখে ফাহিম সালেহর হত্যাকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পায় পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ফাহিম সালেহকে অনুসরণ করে লিফটে উঠে ঘাতক। সে সময় তার পরনে ছিলো কালো স্যুট, কালো শার্ট ও কালো টাই ও কালো মুখোশ। হাতে ছিলো একটি ব্যাগ।