ঢাকা ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

এক বছরে গণপরিবহনে ৫৯ নারী ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ২০৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন রিপোর্ট; 

২০১৯ সালে সারাদেশের গণপরিবহনে ৫৯জন নারী ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে এসব ঘটনা সংগঠিত হয় বলে উঠে এসেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক প্রতিবেদনে।
গত এক বছরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংগঠনটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সড়কপথে ৪৪টি, রেলপথে চারটি ও নৌপথে চারটি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১৬টি ধর্ষণ, ১২টি গণধর্ষণ, নয়টি ধর্ষণের চেষ্টা ও ১৫টি যৌন হয়রানি।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে ৪৪টি ঘটনায় মামলা হয়েছে ও ৯৩ জন আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
এছাড়াও গণপরিবহনে যাতায়াতকালে নারীরা অসম্মানজনক আচরণ, নিপীড়ন, হেনস্তা, যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, শুধুমাত্র পরিবহন শ্রমিক, চালক বা তার সহকারীর কাছ থেকেই নয় কখনো কখনো পুরুষ সহযাত্রীও হয়রানি করে থাকেন।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘গত এক বছরে গণমাধ্যমে যেসব তথ্য এসেছে এই প্রতিবেদনে কেবল সেগুলোই উঠে এসেছে। তবে আমি মনে করি, প্রকৃতপক্ষে ঘটনার ভয়াবহতা অনেক বেশি। রক্ষণশীল সমাজ হিসেবে বাংলাদেশের নারীদের লোকলজ্জা, সামাজিক মর্যাদা, মামলার পর হয়রানি ও বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে অসংখ্য ঘটনা চাপা পড়ে যাচ্ছে।’
গণপরিবহনে নারী নির্যাতন বন্ধে কিছু সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যান সমিতি। সেগুলো হলো:
* গণপরিবহনে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা।
* চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারের আলাদা আলাদা নেমপ্লেটসহ পোষাক বাধ্যতামূলক করা।
* চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারের নিয়োগপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি নিয়ে ডাটাবেইজ তৈরি করা।
* গাড়ির ভেতরে নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের হটলাইন নম্বর, ফোন নম্বর ও গাড়ির নম্বর প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা।
* গণপরিবহনের সংখ্যা বাড়ানো।
* বাস মিনিবাসে নারীর জন্য সংরক্ষিত আসন দরজার আশপাশে রাখা।
* গণপরিবহনে অস্বচ্ছ ও বিজ্ঞাপনে মোড়ানো কাঁচের ব্যবহার বন্ধ করা।
* গণপরিবহনে যৌন সহিংসতার মামলা, গ্রেফতার ও বিচার দ্রুত শেষ করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

এক বছরে গণপরিবহনে ৫৯ নারী ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন রিপোর্ট; 

২০১৯ সালে সারাদেশের গণপরিবহনে ৫৯জন নারী ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে এসব ঘটনা সংগঠিত হয় বলে উঠে এসেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক প্রতিবেদনে।
গত এক বছরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংগঠনটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সড়কপথে ৪৪টি, রেলপথে চারটি ও নৌপথে চারটি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১৬টি ধর্ষণ, ১২টি গণধর্ষণ, নয়টি ধর্ষণের চেষ্টা ও ১৫টি যৌন হয়রানি।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে ৪৪টি ঘটনায় মামলা হয়েছে ও ৯৩ জন আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
এছাড়াও গণপরিবহনে যাতায়াতকালে নারীরা অসম্মানজনক আচরণ, নিপীড়ন, হেনস্তা, যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, শুধুমাত্র পরিবহন শ্রমিক, চালক বা তার সহকারীর কাছ থেকেই নয় কখনো কখনো পুরুষ সহযাত্রীও হয়রানি করে থাকেন।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘গত এক বছরে গণমাধ্যমে যেসব তথ্য এসেছে এই প্রতিবেদনে কেবল সেগুলোই উঠে এসেছে। তবে আমি মনে করি, প্রকৃতপক্ষে ঘটনার ভয়াবহতা অনেক বেশি। রক্ষণশীল সমাজ হিসেবে বাংলাদেশের নারীদের লোকলজ্জা, সামাজিক মর্যাদা, মামলার পর হয়রানি ও বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে অসংখ্য ঘটনা চাপা পড়ে যাচ্ছে।’
গণপরিবহনে নারী নির্যাতন বন্ধে কিছু সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যান সমিতি। সেগুলো হলো:
* গণপরিবহনে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা।
* চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারের আলাদা আলাদা নেমপ্লেটসহ পোষাক বাধ্যতামূলক করা।
* চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারের নিয়োগপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি নিয়ে ডাটাবেইজ তৈরি করা।
* গাড়ির ভেতরে নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের হটলাইন নম্বর, ফোন নম্বর ও গাড়ির নম্বর প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা।
* গণপরিবহনের সংখ্যা বাড়ানো।
* বাস মিনিবাসে নারীর জন্য সংরক্ষিত আসন দরজার আশপাশে রাখা।
* গণপরিবহনে অস্বচ্ছ ও বিজ্ঞাপনে মোড়ানো কাঁচের ব্যবহার বন্ধ করা।
* গণপরিবহনে যৌন সহিংসতার মামলা, গ্রেফতার ও বিচার দ্রুত শেষ করা।