ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জবিতে আজীবন ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ Logo শাবিতে হল প্রশাসনকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে নোটিসে জোর পূর্বক সাইন আদায় Logo এবার সামনে আসছে ছাত্রলীগ কর্তৃক আন্দোলনকারীদের মারধরের আরো ঘটনা Logo আবাসিক হল ছাড়ছে শাবি শিক্ষার্থীরা Logo নিরাপত্তার স্বার্থে শাবি শিক্ষার্থীদের আইডিকার্ড সাথে রাখার আহবান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের Logo জনস্বাস্থ্যের প্রধান সাধুর যত অসাধু কর্ম: দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ! Logo বিআইডব্লিউটিএ বন্দর শাখা যুগ্ম পরিচালক আলমগীরের দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য  Logo রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটনকে হয়রানিমূলক মামলায় বএিমইউজরে নিন্দা ও প্রতিবাদ Logo শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখতে হবেঃ ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী Logo ‘কানামাছি শিশুসাহিত্য পুরস্কার ২০২৪’ পেলেন লেখক




জয়পুরহাটে হেরোইন রাখায় একজনের যাবজ্জীবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯ ১১৮ বার পড়া হয়েছে

প্রতিনিধি, জয়পুরহাট;
জয়পুরহাটে এক কেজি হেরোইন উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় আদালত একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে জয়পুরহাটের বিশেষ আদালত এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. গোলাম সারোয়ার এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন নওগাঁর ধামুইরহাট উপজেলার বাদালচান্দপুর গ্রামের আবদুল হামিদ (৪২)। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছিল। রায় ঘোষণার পর তাঁকে পুলিশ পাহারায় জয়পুরহাট কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৮ জানুয়ারি নওগাঁর ধামুইরহাট থেকে ঢাকাগামী সালমা এন্টারপ্রাইজ বাসে জয়পুরহাট- খনজনপুর সড়কে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ের সামনে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তল্লাশি চালায় র‌্যাব। বাসে একটি নীল রঙের ব্যাগে রাখা চারটি পলিথিনে মোড়ানো এক কেজি হেরোইন উদ্ধার করে জয়পুরহাট র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৫-এর সদস্যরা। এ ঘটনায় বাসযাত্রী আবদুল হামিদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। আবদুল হামিদকে আসামি করে জয়পুরহাট র‌্যাব-৫-এর নায়েক সুবেদার অলিয়ার রহমান বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করেন। জয়পুরহাট সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে ২০১৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি আসামি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ্র নাথ মণ্ডল বলেন, বিচারক রায় ঘোষণার সময় বলেছেন যে বয়স ও হাজতবাস বিবেচনায় নিয়ে আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




জয়পুরহাটে হেরোইন রাখায় একজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৫:৩০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯

প্রতিনিধি, জয়পুরহাট;
জয়পুরহাটে এক কেজি হেরোইন উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় আদালত একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে জয়পুরহাটের বিশেষ আদালত এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. গোলাম সারোয়ার এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন নওগাঁর ধামুইরহাট উপজেলার বাদালচান্দপুর গ্রামের আবদুল হামিদ (৪২)। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছিল। রায় ঘোষণার পর তাঁকে পুলিশ পাহারায় জয়পুরহাট কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৮ জানুয়ারি নওগাঁর ধামুইরহাট থেকে ঢাকাগামী সালমা এন্টারপ্রাইজ বাসে জয়পুরহাট- খনজনপুর সড়কে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ের সামনে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তল্লাশি চালায় র‌্যাব। বাসে একটি নীল রঙের ব্যাগে রাখা চারটি পলিথিনে মোড়ানো এক কেজি হেরোইন উদ্ধার করে জয়পুরহাট র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৫-এর সদস্যরা। এ ঘটনায় বাসযাত্রী আবদুল হামিদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। আবদুল হামিদকে আসামি করে জয়পুরহাট র‌্যাব-৫-এর নায়েক সুবেদার অলিয়ার রহমান বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করেন। জয়পুরহাট সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে ২০১৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি আসামি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ্র নাথ মণ্ডল বলেন, বিচারক রায় ঘোষণার সময় বলেছেন যে বয়স ও হাজতবাস বিবেচনায় নিয়ে আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছে।