ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা Logo জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নথি জালিয়াতি: ৫ জনকে শোকজ ও মামলা Logo সওজে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদের ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ ও অবৈধ সম্পদ: পূর্বাচলে কয়েক কোটি টাকার প্লট Logo শহীদ জিয়ার মাজারে জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কমিটির শ্রদ্ধা Logo এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে জিয়া শিশু কিশোর মেলা: বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ Logo কবি আকাশমণির রোমান্টিক লেখা “ক্লান্তরা সুখ হয়ে ওঠে” Logo লালপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার Logo মোহনা টিভি দখলের অপচেষ্টা: মিরপুরে উত্তেজনা, থানায় জিডি Logo বন বিভাগে পদোন্নতি জট ও কর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ: আদালতের হস্তক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা Logo জেল থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশলী জুয়েল রানা

জয়পুরহাটে হেরোইন রাখায় একজনের যাবজ্জীবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯ ২৬১ বার পড়া হয়েছে

প্রতিনিধি, জয়পুরহাট;
জয়পুরহাটে এক কেজি হেরোইন উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় আদালত একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে জয়পুরহাটের বিশেষ আদালত এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. গোলাম সারোয়ার এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন নওগাঁর ধামুইরহাট উপজেলার বাদালচান্দপুর গ্রামের আবদুল হামিদ (৪২)। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছিল। রায় ঘোষণার পর তাঁকে পুলিশ পাহারায় জয়পুরহাট কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৮ জানুয়ারি নওগাঁর ধামুইরহাট থেকে ঢাকাগামী সালমা এন্টারপ্রাইজ বাসে জয়পুরহাট- খনজনপুর সড়কে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ের সামনে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তল্লাশি চালায় র‌্যাব। বাসে একটি নীল রঙের ব্যাগে রাখা চারটি পলিথিনে মোড়ানো এক কেজি হেরোইন উদ্ধার করে জয়পুরহাট র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৫-এর সদস্যরা। এ ঘটনায় বাসযাত্রী আবদুল হামিদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। আবদুল হামিদকে আসামি করে জয়পুরহাট র‌্যাব-৫-এর নায়েক সুবেদার অলিয়ার রহমান বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করেন। জয়পুরহাট সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে ২০১৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি আসামি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ্র নাথ মণ্ডল বলেন, বিচারক রায় ঘোষণার সময় বলেছেন যে বয়স ও হাজতবাস বিবেচনায় নিয়ে আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

জয়পুরহাটে হেরোইন রাখায় একজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৫:৩০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯

প্রতিনিধি, জয়পুরহাট;
জয়পুরহাটে এক কেজি হেরোইন উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় আদালত একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে জয়পুরহাটের বিশেষ আদালত এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. গোলাম সারোয়ার এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন নওগাঁর ধামুইরহাট উপজেলার বাদালচান্দপুর গ্রামের আবদুল হামিদ (৪২)। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছিল। রায় ঘোষণার পর তাঁকে পুলিশ পাহারায় জয়পুরহাট কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৮ জানুয়ারি নওগাঁর ধামুইরহাট থেকে ঢাকাগামী সালমা এন্টারপ্রাইজ বাসে জয়পুরহাট- খনজনপুর সড়কে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ের সামনে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তল্লাশি চালায় র‌্যাব। বাসে একটি নীল রঙের ব্যাগে রাখা চারটি পলিথিনে মোড়ানো এক কেজি হেরোইন উদ্ধার করে জয়পুরহাট র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৫-এর সদস্যরা। এ ঘটনায় বাসযাত্রী আবদুল হামিদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। আবদুল হামিদকে আসামি করে জয়পুরহাট র‌্যাব-৫-এর নায়েক সুবেদার অলিয়ার রহমান বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করেন। জয়পুরহাট সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে ২০১৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি আসামি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ্র নাথ মণ্ডল বলেন, বিচারক রায় ঘোষণার সময় বলেছেন যে বয়স ও হাজতবাস বিবেচনায় নিয়ে আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছে।