ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




দেশের বৃহত্তম উদ্ভিদ সংগ্রহশালা বশেমুরবিপ্রবি ক্যাম্পাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০১৯ ২২৪ বার পড়া হয়েছে

তারিফুল ইসলাম : মরুর ন্যায় ধু ধু বালু মাঠ আর একটা একাডেমিক ভবন ছাড়া দৃশ্যমান কিছুই ছিল না। ছিল না তেমন কোন সতেজ প্রাণের সঞ্চার। গ্রীষ্মের প্রখরতায় ঝাঁঝিয়ে থাকতো ক্যাম্পাসের নিস্পৃহ বালুময় ৫৫ একর।

শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(বশেমুরবিপ্রবি) এর পরিস্থিতি ছিলো এমন। তবে এ দৃশ্যের দ্রুত পরিবর্তন আসে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের একান্ত পরিশ্রম ও প্রচেষ্টায়।

কয়েক বছরের ব্যবধানেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই নিস্পৃহ রূপ বদলে গেছে, মরু খ্যাত ক্যাম্পাস এখন সবুজে ভরা। পরিবেশও শীতল।

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টি এখন দেশের সর্ববৃহৎ উদ্ভিদ সংগ্রহশালা।

২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারিতে ১ম মেয়াদে এবং চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দ্বিতীয় মেয়াদে পরবর্তী চার বছরের জন্য বশেমুরবিপ্রবি’র দ্বিতীয় ভিসি হিসেবে নিয়োগ পান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ডঃ খোন্দকার নাসিরউদ্দিন। যোগদানের প্রথমদিনে তিনি বলেছিলেন, এই মরুময় ক্যাম্পাসকে তিনি সবুজের ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলবেন। তিনি কঠোর পরিশ্রমের দ্বারা সেটা করেছেন।

 

তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস দেশের সর্ববৃহৎ উদ্ভিদ সংগ্রহশালায় পরিণত হয়েছে। ক্যাম্পাসে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল, ফল, ঔষধি ও বনজ বৃক্ষ। সবুজের কার্পেটে ঢাকা এ শিক্ষাঙ্গনের ক্যাম্পাস এখন অযুত বৃক্ষরাজীর মেলা। প্রান ভরে যায় এর নৈসর্গিক পরিবেশ দেখলেই।

বশেমুরবিপ্রবি আসন সংখ্যায় দেশের চতুর্থ বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়। ২০১১ সালে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টি বালু ভরাটকৃত ৫৫ একর জমির উপর মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে। যা এখন দেশের সর্ববৃহৎ উদ্ভিদ সংগ্রহশালা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




দেশের বৃহত্তম উদ্ভিদ সংগ্রহশালা বশেমুরবিপ্রবি ক্যাম্পাস

আপডেট সময় : ১১:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০১৯

তারিফুল ইসলাম : মরুর ন্যায় ধু ধু বালু মাঠ আর একটা একাডেমিক ভবন ছাড়া দৃশ্যমান কিছুই ছিল না। ছিল না তেমন কোন সতেজ প্রাণের সঞ্চার। গ্রীষ্মের প্রখরতায় ঝাঁঝিয়ে থাকতো ক্যাম্পাসের নিস্পৃহ বালুময় ৫৫ একর।

শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(বশেমুরবিপ্রবি) এর পরিস্থিতি ছিলো এমন। তবে এ দৃশ্যের দ্রুত পরিবর্তন আসে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের একান্ত পরিশ্রম ও প্রচেষ্টায়।

কয়েক বছরের ব্যবধানেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই নিস্পৃহ রূপ বদলে গেছে, মরু খ্যাত ক্যাম্পাস এখন সবুজে ভরা। পরিবেশও শীতল।

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টি এখন দেশের সর্ববৃহৎ উদ্ভিদ সংগ্রহশালা।

২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারিতে ১ম মেয়াদে এবং চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দ্বিতীয় মেয়াদে পরবর্তী চার বছরের জন্য বশেমুরবিপ্রবি’র দ্বিতীয় ভিসি হিসেবে নিয়োগ পান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ডঃ খোন্দকার নাসিরউদ্দিন। যোগদানের প্রথমদিনে তিনি বলেছিলেন, এই মরুময় ক্যাম্পাসকে তিনি সবুজের ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলবেন। তিনি কঠোর পরিশ্রমের দ্বারা সেটা করেছেন।

 

তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস দেশের সর্ববৃহৎ উদ্ভিদ সংগ্রহশালায় পরিণত হয়েছে। ক্যাম্পাসে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল, ফল, ঔষধি ও বনজ বৃক্ষ। সবুজের কার্পেটে ঢাকা এ শিক্ষাঙ্গনের ক্যাম্পাস এখন অযুত বৃক্ষরাজীর মেলা। প্রান ভরে যায় এর নৈসর্গিক পরিবেশ দেখলেই।

বশেমুরবিপ্রবি আসন সংখ্যায় দেশের চতুর্থ বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়। ২০১১ সালে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টি বালু ভরাটকৃত ৫৫ একর জমির উপর মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে। যা এখন দেশের সর্ববৃহৎ উদ্ভিদ সংগ্রহশালা।