ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কে আন্দোলনকারীরা পুলিশের উপর হামলা চালালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে Logo জবিতে আজীবন ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ Logo শাবিতে হল প্রশাসনকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে নোটিসে জোর পূর্বক সাইন আদায় Logo এবার সামনে আসছে ছাত্রলীগ কর্তৃক আন্দোলনকারীদের মারধরের আরো ঘটনা Logo আবাসিক হল ছাড়ছে শাবি শিক্ষার্থীরা Logo নিরাপত্তার স্বার্থে শাবি শিক্ষার্থীদের আইডিকার্ড সাথে রাখার আহবান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের Logo জনস্বাস্থ্যের প্রধান সাধুর যত অসাধু কর্ম: দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ! Logo বিআইডব্লিউটিএ বন্দর শাখা যুগ্ম পরিচালক আলমগীরের দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য  Logo রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটনকে হয়রানিমূলক মামলায় বএিমইউজরে নিন্দা ও প্রতিবাদ Logo শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখতে হবেঃ ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী




ব্যাপক পরিবর্তন আসছে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯ ১২৩ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ;

শিক্ষার্থীদের উৎপাদনমুখী ও কারিগরি সক্ষমতা বাড়াতে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে ভোকেশনাল পাঠ্যসূচি

ব্যাপক পরিবর্তন আসছে মাদ্রাসা শিক্ষা কারিকুলামে। ২০১২ সালে পরিবর্তন আনার দীর্ঘ সাত বছর পর এবার ফের পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগামী ২০২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন পাঠ-পরিক্রমা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হবে। এদিকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের উৎপাদনমুখী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তাদের মধ্যে কারিগরি সক্ষমতা তৈরিতে দেশের ১০০ মাদ্রাসায় ভোকেশনাল পাঠ্যসূচি অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম ছায়েফ উল্যা বলছেন, সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার্থীরা যে সিলেবাস পড়ছে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সেই একই সিলেবাসের সঙ্গে অতিরিক্ত চারটি ধর্মীয় বিষয় পড়তে হচ্ছে। এবার তারা কারিগরি ক্ষেত্রেও দক্ষতা অর্জন করবে। তিনি বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের আর হেয় করে দেখার বা অবহেলার সুযোগ নেই। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানান, মাদ্রাসা শিক্ষায় ধর্মীয় চারটি (কোরআন মাজিদ, আকাইদ ও ফিকাহ, হাদিস এবং আরবি) বিষয়ের কারিকুলামে মূলত পরিবর্তন আসছে। কারিকুলাম আপগ্রেডেশন বা শিক্ষাক্রমের মানোন্নয়নের জন্য ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি কর্মশালা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে শ্রেণি ও বিষয়ভিত্তিক কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন শেষে নীতিনির্ধারকদের বৈঠকে প্রস্তাবিত কারিকুলাম উপস্থাপন করা হবে। এর আগে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে বৈঠক করে এনসিসিসি এ কারিকুলাম চূড়ান্ত করবে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কারিকুলাম ঢেলে সাজানোর কাজ সম্পন্ন করবে জানা গেছে। সূত্র জানান, কোরআন মাজিদের বিভিন্ন সূরা একবারে নাজিল হয়নি, ধাপে ধাপে নাজিল হয়েছে। কোনো সূরা দীর্ঘ সময় নিয়ে নাজিল হয়েছে। এসব সূরা নির্দিষ্ট কোনো বয়সের জন্য নির্ধারিত নয়। তাই পুরো সূরা একটি শ্রেণির জন্য পাঠ্য করলে বিপাকে পড়বে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু কোনো কোনো শ্রেণিতে এমনটিই পাঠ্য রয়েছে বর্তমানে। তাই কারিকুলাম প্রণয়নের ক্ষেত্রে এ বিষয়টি পরিমার্জন বিবেচনার মধ্যে রাখা হবে। পরিমার্জিত কারিকুলাম সূরাভিত্তিক নয়, হবে বিষয়ভিত্তিক।

সূত্র আরও জানান, নতুন কারিকুলামে কনটেন্ট বা বিষয় তৈরিতেও বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হয় পাঠ্যবইয়ে এমন কিছু যেন না থাকে, জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ বা এমন কোনো আলোচনার সূত্র, জিহাদের অপব্যাখ্যা যেন না থাকে সে বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে তরুণ সমাজের অবদান, নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ, যৌন হয়রানি বন্ধ, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ সৃষ্টির বিষয়গুলোতে জোর দেওয়া হবে। এ ছাড়া তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে প্রয়োজনীয় পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ সূত্র জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ১০০ মাদ্রাসায় নতুন সংযোজন করা হচ্ছে ভোকেশনাল কোর্স। একই শিক্ষাবর্ষে মাদ্রাসায় ভোকেশনাল চালুর পাশাপাশি ৫২২টি বেসরকারি স্কুল, ১৮টি সরকারি স্কুলেও তা চালু করা হবে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ, ল্যাবসহ যাবতীয় সহায়তা দেবে সরকার। মোট ১০টি ট্রেডের মধ্য থেকে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ২টি ট্রেডে পাঠদান করতে পারবে। ২০২১ সাল থেকে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রকৌশল নামে সব স্কুল ও মাদ্রাসায় নতুন এক বিষয় বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এসব বিষয়ের কারিকুলাম ইতিমধ্যে ঠিক করা হয়েছে। বর্তমানে কনটেন্ট রাইটিংয়ের কাজ চলছে। সাধারণ শিক্ষা ধারায় প্রকৌশল শিক্ষা প্রবর্তন করতে এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর বলেন, স্কুল-কলেজের পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিতদের উৎপাদনমুখী ব্যবস্থায় নিয়ে আসতে সরকার নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। মাদ্রাসা শিক্ষায় এখন কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন হচ্ছে। এর ফলে তরুণ-তরুণীরা ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞানার্জনের ফলে আদর্শ নাগরিক ও দক্ষ জনসম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম ছায়েফ উল্যা বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিতরা বঞ্চিত হলে দেশে সুষম উন্নয়ন সম্ভব হবে না। স্কুল-কলেজের বিভিন্ন পাঠ্যবই ছাড়াও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা ধর্মীয় চারটি বই বেশি পড়ছে। তারা মেধার স্বাক্ষর রাখছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায়ও বরাবরই প্রথম স্থান অধিকার করছে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা। প্রকৃতপক্ষে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের থেকে পিছিয়ে নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ব্যাপক পরিবর্তন আসছে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায়

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯

সকালের সংবাদ;

শিক্ষার্থীদের উৎপাদনমুখী ও কারিগরি সক্ষমতা বাড়াতে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে ভোকেশনাল পাঠ্যসূচি

ব্যাপক পরিবর্তন আসছে মাদ্রাসা শিক্ষা কারিকুলামে। ২০১২ সালে পরিবর্তন আনার দীর্ঘ সাত বছর পর এবার ফের পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগামী ২০২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন পাঠ-পরিক্রমা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হবে। এদিকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের উৎপাদনমুখী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তাদের মধ্যে কারিগরি সক্ষমতা তৈরিতে দেশের ১০০ মাদ্রাসায় ভোকেশনাল পাঠ্যসূচি অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম ছায়েফ উল্যা বলছেন, সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার্থীরা যে সিলেবাস পড়ছে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সেই একই সিলেবাসের সঙ্গে অতিরিক্ত চারটি ধর্মীয় বিষয় পড়তে হচ্ছে। এবার তারা কারিগরি ক্ষেত্রেও দক্ষতা অর্জন করবে। তিনি বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের আর হেয় করে দেখার বা অবহেলার সুযোগ নেই। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানান, মাদ্রাসা শিক্ষায় ধর্মীয় চারটি (কোরআন মাজিদ, আকাইদ ও ফিকাহ, হাদিস এবং আরবি) বিষয়ের কারিকুলামে মূলত পরিবর্তন আসছে। কারিকুলাম আপগ্রেডেশন বা শিক্ষাক্রমের মানোন্নয়নের জন্য ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি কর্মশালা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে শ্রেণি ও বিষয়ভিত্তিক কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন শেষে নীতিনির্ধারকদের বৈঠকে প্রস্তাবিত কারিকুলাম উপস্থাপন করা হবে। এর আগে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে বৈঠক করে এনসিসিসি এ কারিকুলাম চূড়ান্ত করবে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কারিকুলাম ঢেলে সাজানোর কাজ সম্পন্ন করবে জানা গেছে। সূত্র জানান, কোরআন মাজিদের বিভিন্ন সূরা একবারে নাজিল হয়নি, ধাপে ধাপে নাজিল হয়েছে। কোনো সূরা দীর্ঘ সময় নিয়ে নাজিল হয়েছে। এসব সূরা নির্দিষ্ট কোনো বয়সের জন্য নির্ধারিত নয়। তাই পুরো সূরা একটি শ্রেণির জন্য পাঠ্য করলে বিপাকে পড়বে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু কোনো কোনো শ্রেণিতে এমনটিই পাঠ্য রয়েছে বর্তমানে। তাই কারিকুলাম প্রণয়নের ক্ষেত্রে এ বিষয়টি পরিমার্জন বিবেচনার মধ্যে রাখা হবে। পরিমার্জিত কারিকুলাম সূরাভিত্তিক নয়, হবে বিষয়ভিত্তিক।

সূত্র আরও জানান, নতুন কারিকুলামে কনটেন্ট বা বিষয় তৈরিতেও বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হয় পাঠ্যবইয়ে এমন কিছু যেন না থাকে, জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ বা এমন কোনো আলোচনার সূত্র, জিহাদের অপব্যাখ্যা যেন না থাকে সে বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে তরুণ সমাজের অবদান, নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ, যৌন হয়রানি বন্ধ, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ সৃষ্টির বিষয়গুলোতে জোর দেওয়া হবে। এ ছাড়া তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে প্রয়োজনীয় পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ সূত্র জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ১০০ মাদ্রাসায় নতুন সংযোজন করা হচ্ছে ভোকেশনাল কোর্স। একই শিক্ষাবর্ষে মাদ্রাসায় ভোকেশনাল চালুর পাশাপাশি ৫২২টি বেসরকারি স্কুল, ১৮টি সরকারি স্কুলেও তা চালু করা হবে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ, ল্যাবসহ যাবতীয় সহায়তা দেবে সরকার। মোট ১০টি ট্রেডের মধ্য থেকে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ২টি ট্রেডে পাঠদান করতে পারবে। ২০২১ সাল থেকে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রকৌশল নামে সব স্কুল ও মাদ্রাসায় নতুন এক বিষয় বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এসব বিষয়ের কারিকুলাম ইতিমধ্যে ঠিক করা হয়েছে। বর্তমানে কনটেন্ট রাইটিংয়ের কাজ চলছে। সাধারণ শিক্ষা ধারায় প্রকৌশল শিক্ষা প্রবর্তন করতে এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর বলেন, স্কুল-কলেজের পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিতদের উৎপাদনমুখী ব্যবস্থায় নিয়ে আসতে সরকার নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। মাদ্রাসা শিক্ষায় এখন কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন হচ্ছে। এর ফলে তরুণ-তরুণীরা ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞানার্জনের ফলে আদর্শ নাগরিক ও দক্ষ জনসম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম ছায়েফ উল্যা বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিতরা বঞ্চিত হলে দেশে সুষম উন্নয়ন সম্ভব হবে না। স্কুল-কলেজের বিভিন্ন পাঠ্যবই ছাড়াও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা ধর্মীয় চারটি বই বেশি পড়ছে। তারা মেধার স্বাক্ষর রাখছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায়ও বরাবরই প্রথম স্থান অধিকার করছে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা। প্রকৃতপক্ষে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের থেকে পিছিয়ে নেই।