ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

সখীপুরে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষককে বহিষ্কার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯ ২২৪ বার পড়া হয়েছে

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি;
টাঙ্গাইলের সখীপুরে মিজানুর রহমান নামের এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ওই বিদ্যালয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের তোপের মুখে অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। মিজানুর রহমান উপজেলার লাঙ্গুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

জানাযায়, গত ১৭ এপ্রিল শিক্ষক মিজানুর রহমান ওই বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। পরে ওই ছাত্রী বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও তার অভিভাবকের কাছে জানান। বিষয়টি নিষ্পত্তিতে গড়িমসি শুরু হলে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে মঙ্গলবার বিকেলে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের এক জরুরি সভায় অভিযুক্ত শিক্ষক মিজানুর রহমানকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। বুধবার সকালে পুণরায় ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করলে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা তাকে বের করে দেয়।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুল হক শিকদার বলেন, এঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিদ্যালয়র পরিচালনা পরিষদের জরুরি সভায় তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মিজানুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মফিজুল ইসলাম বলেন- বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাদের সিদ্ধান্তের কথা আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সখীপুরে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষককে বহিষ্কার

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি;
টাঙ্গাইলের সখীপুরে মিজানুর রহমান নামের এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ওই বিদ্যালয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের তোপের মুখে অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। মিজানুর রহমান উপজেলার লাঙ্গুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

জানাযায়, গত ১৭ এপ্রিল শিক্ষক মিজানুর রহমান ওই বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। পরে ওই ছাত্রী বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও তার অভিভাবকের কাছে জানান। বিষয়টি নিষ্পত্তিতে গড়িমসি শুরু হলে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে মঙ্গলবার বিকেলে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের এক জরুরি সভায় অভিযুক্ত শিক্ষক মিজানুর রহমানকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। বুধবার সকালে পুণরায় ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করলে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা তাকে বের করে দেয়।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুল হক শিকদার বলেন, এঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিদ্যালয়র পরিচালনা পরিষদের জরুরি সভায় তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মিজানুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মফিজুল ইসলাম বলেন- বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাদের সিদ্ধান্তের কথা আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।