ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




তিন শতাধিক ছেলেকে বলপূর্বক যৌন সম্পর্কে বাধ্য !

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ ১৫ বার পড়া হয়েছে

তিন শতাধিক ছেলেকে বলপূর্বক যৌন সম্পর্কে জড়াতে বাধ্য করার দায়ে ২৬ বছরের এক যুবককে অভিযুক্ত করেছে নরওয়ের পুলিশ। কর্তৃপক্ষ বলছে, স্ক্যান্ডিনেভিয়ার এই দেশটির ইতিহাসে যৌন নির্যাতনের সবচেয়ে বড় ঘটনা এটি।
স্থানীয় গণমাধ্যমে অভিযুক্ত যুবককে ফুটবল রেফারি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, বিভিন্ন ইন্টারনেট ফোরাম ও স্ন্যাপচ্যাট নামের ম্যাসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করে এই টিনএজারদের টার্গেট করা হতো। নিজেকে মেয়ে হিসেবে পরিচয় দিতেন অভিযুক্ত যুবক। নিজের নগ্ন ছবি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছেলেদের কাছ থেকে নিতেন হস্তমৈথুনের ভিডিও।
একবার ভিডিও পেয়ে গেলে তা দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা হতো ভিকটিমদের, বাধ্য করা হতো নতুন নতুন ভিডিও পাঠাতে। পুলিশ অভিযুক্তের কম্পিউটারে ১৬ হাজারের বেশি ভিডিও পেয়েছে।
১৩ থেকে ১৬ বছর বয়সী তিন শতাধিক ছেলেকে ২০১১ সাল থেকে এভাবে নির্যাতন করে এসেছেন তিনি। নির্যাতনের শিকারদের কারো কারো কাছ থেকে ধর্ষণের অভিযোগও পেয়েছে পুলিশ। নরওয়ে ছাড়াও ডেনমার্ক ও সুইডেনের টিনএজাররাও রয়েছেন নির্যাতিতের তালিকায়।
রাষ্ট্রীয় আইনজীবী গুরো হ্যানসন বুল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘নরওয়ের ইতিহাসে যৌন নির্যাতনের সবচেয়ে বড় ঘটনা এটি। আমরা এই ঘটনাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।’
অভিযুক্ত ঘটনা ‘স্বীকার করে নিয়েছেন’ বলে নরওয়ের এনআরকে টিভি চ্যানেলকে জানিয়েছেন তার আইনজীবী গানহিল্ড লায়রাম। ২০১৬ সাল থেকে অভিযুক্ত যুবককে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




error: Content is protected !!

তিন শতাধিক ছেলেকে বলপূর্বক যৌন সম্পর্কে বাধ্য !

আপডেট সময় : ১০:৪০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮

তিন শতাধিক ছেলেকে বলপূর্বক যৌন সম্পর্কে জড়াতে বাধ্য করার দায়ে ২৬ বছরের এক যুবককে অভিযুক্ত করেছে নরওয়ের পুলিশ। কর্তৃপক্ষ বলছে, স্ক্যান্ডিনেভিয়ার এই দেশটির ইতিহাসে যৌন নির্যাতনের সবচেয়ে বড় ঘটনা এটি।
স্থানীয় গণমাধ্যমে অভিযুক্ত যুবককে ফুটবল রেফারি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, বিভিন্ন ইন্টারনেট ফোরাম ও স্ন্যাপচ্যাট নামের ম্যাসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করে এই টিনএজারদের টার্গেট করা হতো। নিজেকে মেয়ে হিসেবে পরিচয় দিতেন অভিযুক্ত যুবক। নিজের নগ্ন ছবি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছেলেদের কাছ থেকে নিতেন হস্তমৈথুনের ভিডিও।
একবার ভিডিও পেয়ে গেলে তা দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা হতো ভিকটিমদের, বাধ্য করা হতো নতুন নতুন ভিডিও পাঠাতে। পুলিশ অভিযুক্তের কম্পিউটারে ১৬ হাজারের বেশি ভিডিও পেয়েছে।
১৩ থেকে ১৬ বছর বয়সী তিন শতাধিক ছেলেকে ২০১১ সাল থেকে এভাবে নির্যাতন করে এসেছেন তিনি। নির্যাতনের শিকারদের কারো কারো কাছ থেকে ধর্ষণের অভিযোগও পেয়েছে পুলিশ। নরওয়ে ছাড়াও ডেনমার্ক ও সুইডেনের টিনএজাররাও রয়েছেন নির্যাতিতের তালিকায়।
রাষ্ট্রীয় আইনজীবী গুরো হ্যানসন বুল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘নরওয়ের ইতিহাসে যৌন নির্যাতনের সবচেয়ে বড় ঘটনা এটি। আমরা এই ঘটনাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।’
অভিযুক্ত ঘটনা ‘স্বীকার করে নিয়েছেন’ বলে নরওয়ের এনআরকে টিভি চ্যানেলকে জানিয়েছেন তার আইনজীবী গানহিল্ড লায়রাম। ২০১৬ সাল থেকে অভিযুক্ত যুবককে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।