ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হালান্ডের জোড়া গোলে পোর্তোকে হারিয়ে সিটির শুভসূচনা Logo বাঁধনের ওপর হামলায় ফুঁসছে শোবিজ Logo হুথিদের কাছ থেকে দুই এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিল ইয়েমেনি বাহিনী Logo বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ Logo হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার Logo ঠিকাদারদের কাছে যিনি “মিস্টার ফাইভ পার্সেন্ট” গণপূর্তের আবুল খায়েরের দুর্নীতির আমলনামা Logo তেজগাঁওয়ের বিটিসিএলে যুবক হত্যাকাণ্ডে অঙ্গীভুত আনসার সদস্য জড়িত থাকার খবর ভিত্তিহীন Logo রাষ্ট্রপতির স‌ঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাৎ Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যেসব সহযোগিতার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী

সয়াবিন তেলের দাম বাড়লো কেন, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক বাজারদর ও দেশীয় উৎপাদন-প্রক্রিয়াকরণ ব্যয় বিবেচনায় নিয়েই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করা হয় বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মহাখালীতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, সয়াবিন তেল পুরোপুরি আমদানি-নির্ভর পণ্য হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামার সরাসরি প্রভাব পড়ে দেশের বাজারে। আমদানিকৃত তেলের দাম নির্ধারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত হিসাব পদ্ধতি রয়েছে। এতে এফওবি মূল্যের সঙ্গে জাহাজ ভাড়া, খালাস ব্যয়, বিমা, পরিশোধন ব্যয়, পরিবহন ও অপচয়জনিত খরচ যুক্ত করে চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করা হয়।

তিনি বলেন, আমদানিকারকরা দীর্ঘদিন লোকসানে থাকলে বাজারে সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে। তাই সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ব্যবসায়ীদের লোকসান থেকে সুরক্ষা দিতে বাজারে একটি যৌক্তিক ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন।

বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৭৮ লাখ পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য দেওয়া হচ্ছে। দুই ঈদে খোলা ট্রাকে পণ্য বিক্রির পাশাপাশি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়মিত ওএমএস কার্যক্রমও চলছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে আমদানিকারকদের ঋণপত্র খোলা ও আমদানির সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়মিত তদারক করা হচ্ছে।

চিনির বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপের কাছে পর্যাপ্ত অপরিশোধিত চিনি রয়েছে। ইউটিলিটি-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সাময়িক উৎপাদন ব্যাহত হলেও দ্রুত সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১১ বছর তাদের বেতন সমন্বয় করা হয়নি। মূল্যস্ফীতির বর্তমান বাস্তবতায় বেতন সমন্বয় একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। তবে নতুন বেতন কাঠামো একবারে নয়, আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। ফলে বাজারে আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা নেই।

সুগন্ধি চাল রপ্তানি প্রসঙ্গে তিনি জানান, অনুমোদনের বিপরীতে এ পর্যন্ত মাত্র আড়াই হাজার টন চাল রপ্তানি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে যারা চাল রপ্তানি করতে পারেননি, তাদের অনুমোদন উল্লেখযোগ্য হারে বাতিল বা কমানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সয়াবিন তেলের দাম বাড়লো কেন, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক বাজারদর ও দেশীয় উৎপাদন-প্রক্রিয়াকরণ ব্যয় বিবেচনায় নিয়েই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করা হয় বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মহাখালীতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, সয়াবিন তেল পুরোপুরি আমদানি-নির্ভর পণ্য হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামার সরাসরি প্রভাব পড়ে দেশের বাজারে। আমদানিকৃত তেলের দাম নির্ধারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত হিসাব পদ্ধতি রয়েছে। এতে এফওবি মূল্যের সঙ্গে জাহাজ ভাড়া, খালাস ব্যয়, বিমা, পরিশোধন ব্যয়, পরিবহন ও অপচয়জনিত খরচ যুক্ত করে চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করা হয়।

তিনি বলেন, আমদানিকারকরা দীর্ঘদিন লোকসানে থাকলে বাজারে সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে। তাই সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ব্যবসায়ীদের লোকসান থেকে সুরক্ষা দিতে বাজারে একটি যৌক্তিক ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন।

বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৭৮ লাখ পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য দেওয়া হচ্ছে। দুই ঈদে খোলা ট্রাকে পণ্য বিক্রির পাশাপাশি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়মিত ওএমএস কার্যক্রমও চলছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে আমদানিকারকদের ঋণপত্র খোলা ও আমদানির সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়মিত তদারক করা হচ্ছে।

চিনির বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপের কাছে পর্যাপ্ত অপরিশোধিত চিনি রয়েছে। ইউটিলিটি-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সাময়িক উৎপাদন ব্যাহত হলেও দ্রুত সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১১ বছর তাদের বেতন সমন্বয় করা হয়নি। মূল্যস্ফীতির বর্তমান বাস্তবতায় বেতন সমন্বয় একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। তবে নতুন বেতন কাঠামো একবারে নয়, আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। ফলে বাজারে আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা নেই।

সুগন্ধি চাল রপ্তানি প্রসঙ্গে তিনি জানান, অনুমোদনের বিপরীতে এ পর্যন্ত মাত্র আড়াই হাজার টন চাল রপ্তানি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে যারা চাল রপ্তানি করতে পারেননি, তাদের অনুমোদন উল্লেখযোগ্য হারে বাতিল বা কমানো হবে।