ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

কবি আকাশমণির একগুচ্ছ কবিতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫ ৩৯০ বার পড়া হয়েছে

প্রতিটি অপেক্ষার ভোর হয় -আকাশমণি

দিনের ব্যস্ততা পেছনে ফেলে রাতের অপেক্ষা
রাত যত গভীর হয় অপেক্ষা ততই মধুর হয়ে ওঠে
তোমার কন্ঠ শোনার অপেক্ষা,মনের আঙিনায়
আলতা পরা সর্পিল পায়ের শব্দ শোনার অপেক্ষা।
প্রতিটি অপেক্ষার ভোর হয়
ক্লান্ত চোখে দিনের ব্যস্ততায় হারায়
তবুও অপেক্ষার সুখ বেঁচে থাকার প্রেরণা জোগায়।
তুমিও হয় তো বা কারোর জন্য অপেক্ষা করো
যেখানে আমার কোনো অস্তিত্ব নেই
সে-ও বোধহয় অন্য কারো অপেক্ষায় প্রহর গুনে
যেমন তোমার জন্য আমার নিগুঢ় অপেক্ষা
তুমি কি আমার মতো অপেক্ষাতে সুখ খুঁজো
না কি অপেক্ষার যন্ত্রণায় জ্বলেপুড়ে মরো…?

ইন্দুর বান্দর দিয়ে রাজ্য চলে না -আকাশমণি

ঘুমান্ত বাঘের পাশে
ইন্দুর বান্দরগুলো তিড়িংবিড়িং ফালপারে
যেন রাজ্যটা তাদের দখলে, তাদের কথাতেই চলে।
নির্বোধ প্রাণ ধৈর্যের বাঁধভেঙে সাহসের বুকচিরে
রাজ্যের বিশ্বস্ত তারকাঁটা উড়িয়ে দিতে চায়।

ক্ষমতার মোহে আসক্ত শুয়োরগুলো বোঝে না
রাজা ঘুম ভেঙে হুংকার দিলে কি হতে পারে…
অতন্দ্র বিশ্বস্ত তারকাঁটা একটু ভাতঘুম দিলে
ফালপারা ইন্দুর বান্দর নিমেষে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

নীরবতা,দূর্বলভাবা ছাগলের ছাগলামি গায়ে না মেখে
শান্তির সুবাতাস বয়ে দিতে চায় প্রতিটি ঘরে
ছাগলগুলো বোঝে না
ইন্দুর বান্দর দিয়ে রাজ্য চলে না…

শান্তি প্রিয় প্রতিটি নিরীহ প্রাণ চায়
সকলের সম্মতিতে একজন নির্বাচিত রাজা
যার সুশাসনে রাজ্যের প্রতিটি প্রাণ শান্তিতে নিরাপদে থাকবে।

প্রজাপতি উড়বে, টুনটুনি মনের আনন্দে লাঁফাবে
মনের সুখে গান ধরবে কোকিল
সুর আর ফুলের সুরভিতে মোহিত হয়ে
আপন কর্মে ব্যস্ত থাকবে রাজ্যের প্রতিটি প্রাণ।

আঁকছে পৈশাচিক ছক -আকাশমণি

মানুষ ভোট তৃষ্ণায় তৃষিত হয়ে আছে
মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিতে
জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার
থাকবে জনগণের পাশে সুখে-দুঃখে।
যাদের হেরে যাওয়ার ভয় মনে
তারা ভোট চায় না,ভোটের পক্ষেও না।
আঁকছে বসে পৈশাচিক ছক
সাথে নিয়ে ধর্মীয় বক…
ক্ষমতার মোহে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত
দেশ ধ্বংস হোক, মানুষ মরে যাক
কিছুতেই যায় আসে না তাদের
এরা মসনদ প্রেমে এতোটাই আসক্ত।

ভোট হোক সুষ্ঠু নির্দলীয় নিরপেক্ষ।

মাথায় আছে কিছু…-আকাশমণি

৫ যখন ভাবে ও ই সবকিছু
৩০-৩৫ মিটমিটিয়ে হাসে
ভাবে মাথায় আছে কিছু…
বাকি ৩০ নিয়ে সবার টানাটানি
৩০ বলে সুযোগ দিয়ে দেখ
আমরা কাকে মানি…
৫ ক্ষমতা পেয়ে নীজেকে ভাবে হনু
৩০/৩৫ ঘুরে দাঁড়ালে
পালানোর পথ পাবে না মনু…

চাটুকার -আকাশমণি

চাটুকারিতা তেল মেরে
এর কথা ওকে বলে
নীজেকে ভাবে নেতা।
আপন মনে সুখ খোঁজে
সম্পর্ক করে তিতা।
ফিসফিস কান কথায়
বাঁধাই তারা গোল
সুযোগ বুঝে স্বীয় স্বার্থে
পাল্টে ফেলে বোল।
নেতারাও তাদের স্বার্থে
চাটুকার রাখে পুষে
মনে মনে তিন বেলায়
চড় মারে কষে।

Loading

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

কবি আকাশমণির একগুচ্ছ কবিতা

আপডেট সময় : ০৫:০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

প্রতিটি অপেক্ষার ভোর হয় -আকাশমণি

দিনের ব্যস্ততা পেছনে ফেলে রাতের অপেক্ষা
রাত যত গভীর হয় অপেক্ষা ততই মধুর হয়ে ওঠে
তোমার কন্ঠ শোনার অপেক্ষা,মনের আঙিনায়
আলতা পরা সর্পিল পায়ের শব্দ শোনার অপেক্ষা।
প্রতিটি অপেক্ষার ভোর হয়
ক্লান্ত চোখে দিনের ব্যস্ততায় হারায়
তবুও অপেক্ষার সুখ বেঁচে থাকার প্রেরণা জোগায়।
তুমিও হয় তো বা কারোর জন্য অপেক্ষা করো
যেখানে আমার কোনো অস্তিত্ব নেই
সে-ও বোধহয় অন্য কারো অপেক্ষায় প্রহর গুনে
যেমন তোমার জন্য আমার নিগুঢ় অপেক্ষা
তুমি কি আমার মতো অপেক্ষাতে সুখ খুঁজো
না কি অপেক্ষার যন্ত্রণায় জ্বলেপুড়ে মরো…?

ইন্দুর বান্দর দিয়ে রাজ্য চলে না -আকাশমণি

ঘুমান্ত বাঘের পাশে
ইন্দুর বান্দরগুলো তিড়িংবিড়িং ফালপারে
যেন রাজ্যটা তাদের দখলে, তাদের কথাতেই চলে।
নির্বোধ প্রাণ ধৈর্যের বাঁধভেঙে সাহসের বুকচিরে
রাজ্যের বিশ্বস্ত তারকাঁটা উড়িয়ে দিতে চায়।

ক্ষমতার মোহে আসক্ত শুয়োরগুলো বোঝে না
রাজা ঘুম ভেঙে হুংকার দিলে কি হতে পারে…
অতন্দ্র বিশ্বস্ত তারকাঁটা একটু ভাতঘুম দিলে
ফালপারা ইন্দুর বান্দর নিমেষে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

নীরবতা,দূর্বলভাবা ছাগলের ছাগলামি গায়ে না মেখে
শান্তির সুবাতাস বয়ে দিতে চায় প্রতিটি ঘরে
ছাগলগুলো বোঝে না
ইন্দুর বান্দর দিয়ে রাজ্য চলে না…

শান্তি প্রিয় প্রতিটি নিরীহ প্রাণ চায়
সকলের সম্মতিতে একজন নির্বাচিত রাজা
যার সুশাসনে রাজ্যের প্রতিটি প্রাণ শান্তিতে নিরাপদে থাকবে।

প্রজাপতি উড়বে, টুনটুনি মনের আনন্দে লাঁফাবে
মনের সুখে গান ধরবে কোকিল
সুর আর ফুলের সুরভিতে মোহিত হয়ে
আপন কর্মে ব্যস্ত থাকবে রাজ্যের প্রতিটি প্রাণ।

আঁকছে পৈশাচিক ছক -আকাশমণি

মানুষ ভোট তৃষ্ণায় তৃষিত হয়ে আছে
মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিতে
জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার
থাকবে জনগণের পাশে সুখে-দুঃখে।
যাদের হেরে যাওয়ার ভয় মনে
তারা ভোট চায় না,ভোটের পক্ষেও না।
আঁকছে বসে পৈশাচিক ছক
সাথে নিয়ে ধর্মীয় বক…
ক্ষমতার মোহে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত
দেশ ধ্বংস হোক, মানুষ মরে যাক
কিছুতেই যায় আসে না তাদের
এরা মসনদ প্রেমে এতোটাই আসক্ত।

ভোট হোক সুষ্ঠু নির্দলীয় নিরপেক্ষ।

মাথায় আছে কিছু…-আকাশমণি

৫ যখন ভাবে ও ই সবকিছু
৩০-৩৫ মিটমিটিয়ে হাসে
ভাবে মাথায় আছে কিছু…
বাকি ৩০ নিয়ে সবার টানাটানি
৩০ বলে সুযোগ দিয়ে দেখ
আমরা কাকে মানি…
৫ ক্ষমতা পেয়ে নীজেকে ভাবে হনু
৩০/৩৫ ঘুরে দাঁড়ালে
পালানোর পথ পাবে না মনু…

চাটুকার -আকাশমণি

চাটুকারিতা তেল মেরে
এর কথা ওকে বলে
নীজেকে ভাবে নেতা।
আপন মনে সুখ খোঁজে
সম্পর্ক করে তিতা।
ফিসফিস কান কথায়
বাঁধাই তারা গোল
সুযোগ বুঝে স্বীয় স্বার্থে
পাল্টে ফেলে বোল।
নেতারাও তাদের স্বার্থে
চাটুকার রাখে পুষে
মনে মনে তিন বেলায়
চড় মারে কষে।

Loading