ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ




শীতের আগমনী সময়ের ত্বক পরিচর্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ ১৪ বার পড়া হয়েছে

শীত আসছে। শীত মানেই প্রকৃতির শুষ্ক হয়ে ওঠা। প্রকৃতির এই শুষ্কতার পাশাপাশি এসময়ে চেহারাও হয়ে ওঠে শুষ্ক ও অনুজ্জ্বল। আর এই শুষ্ক ও অনুজ্জ্বল চেহারার জন্য এসময়ে দরকার বাড়তি কিছু যত্ন।
য় চাই বাড়তি যত্ন। শীতের রোদ উপভোগ্য হন কিন্তু ত্বককে সুন্দর তরতাজা আর উজ্জ্বল রাখতে হলে অতিরিক্ত সূর্যরশ্মি অর্থাৎ অতিবেগুনি রশ্মি এড়িয়ে চলতে হবে। তা না হলে ত্বক বুড়িয়ে যাবে।

শীতে ত্বকের যত্নের শুরুতে একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। বাজার থেকে বাদাম তেল বা এভাকাডো সমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার কিনুন। এগুলো ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। যতবার ত্বক শুষ্ক মনে হবে ততবার ব্যবহার করুন। গ্লিসারিন রং ও গন্ধহীন কার্বনের যৌগ যা শুষ্ক ত্বক আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। গোলাপ জল ও লেবুর রস গ্লিসারিনের সঙ্গে মিশিয়ে খুব ভালো ময়েশ্চারাইজার তৈরি করা যায়। গোলাপ জলে আছে ফেনিলেথানল যা প্রাকৃতিক অ্যাস্ট্রিনজান্ট হিসাবে কাজ করে এবং ত্বকের নানান রোগ দূর করতে সাহায্য করে। লেবুর রসে আছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান। এটা যখন গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের সঙ্গে মেশানো হয় তখন আরও বেশি কার্যকর হয়।

এই ময়েশ্চারাইজার বানাতে ২০ মি.লি. গোলাপ জল, ৫ ফোঁটা গ্লিসারিন ও একটি গোটা লেবুর রস নিন। এই তিন উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে শুষ্ক ত্বকে লাগান। মিশ্রণটি চাইলে রেফ্রিজারেইটরে এক মাস সংরক্ষণ করতে পারেন।ত্বক খুব বেশি শুষ্ক হলে এবং এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে চাইলে, সঙ্গে একটা ভিটামিন ই ক্যাপসুল যোগ করুন। চাইলে এই মিশ্রণ সেটিং স্প্রে হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। ময়েশ্চারাইজার একটা স্প্রে বোতলে রাখুন। মেইকআপ শেষে তা স্প্রেয়ের মতো ব্যবহার করুন।

সানস্ক্রিন ব্যবহার শীত আসছে বলে ভাববেন না যে সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজনীতা কমে গেছে। শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার ৩০ মিনিট আগে এসপিএফ ১৫-৩০ সম্পন্ন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

ত্বকের আর্দ্রতা বজায় মাঝে মাঝে মুখে পানির ঝাপটা দিন। সহজে ত্বক শুষ্ক হবে না। অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন গোসলের সময় আরাম অনুভব হলেও অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে মুখ, মাথা ধোয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, অতিরিক্ত গরম পানি মুখের ত্বকের ফলিকলগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলে যা ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। গোসলের সময় পানিতে কয়েক ফোঁটা জোজোবা বা বাদাম তেল দিয়ে নিলে তা ত্বককে আর্দ্র এবং মসৃণ করতে সহায়তা করে।

ঠোঁট কথনো ভেজানো উচিত নয়। কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট কখনোই ফেটে যাবে না। মেকআপ করার সময়: মেকআপ করার সময় লিক্যুইড ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না। শীতকালে ক্রিম ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন।

শীতকালে কখনোই ভেজা চুলে বাইরে বের হওয়া উচিত নয়। এতে করে চুলের আর্দ্রতা নষ্ট হয় এবং চুল ভেঙে যায়। হ্যাট পরুন চুল এবং মাথার তালুর আর্দ্রতা ধরে রাখতে হ্যাট পরুন। তবে হ্যাটটি যাতে বেশি টাইট না হয় সে দিকে খেয়াল রাখবেন। গোসলের পর এবং প্রতিবার মুখ ধোয়ার পর ভেজা অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার বা লোশন ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




শীতের আগমনী সময়ের ত্বক পরিচর্যা

আপডেট সময় : ১২:৩৩:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮

শীত আসছে। শীত মানেই প্রকৃতির শুষ্ক হয়ে ওঠা। প্রকৃতির এই শুষ্কতার পাশাপাশি এসময়ে চেহারাও হয়ে ওঠে শুষ্ক ও অনুজ্জ্বল। আর এই শুষ্ক ও অনুজ্জ্বল চেহারার জন্য এসময়ে দরকার বাড়তি কিছু যত্ন।
য় চাই বাড়তি যত্ন। শীতের রোদ উপভোগ্য হন কিন্তু ত্বককে সুন্দর তরতাজা আর উজ্জ্বল রাখতে হলে অতিরিক্ত সূর্যরশ্মি অর্থাৎ অতিবেগুনি রশ্মি এড়িয়ে চলতে হবে। তা না হলে ত্বক বুড়িয়ে যাবে।

শীতে ত্বকের যত্নের শুরুতে একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। বাজার থেকে বাদাম তেল বা এভাকাডো সমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার কিনুন। এগুলো ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। যতবার ত্বক শুষ্ক মনে হবে ততবার ব্যবহার করুন। গ্লিসারিন রং ও গন্ধহীন কার্বনের যৌগ যা শুষ্ক ত্বক আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। গোলাপ জল ও লেবুর রস গ্লিসারিনের সঙ্গে মিশিয়ে খুব ভালো ময়েশ্চারাইজার তৈরি করা যায়। গোলাপ জলে আছে ফেনিলেথানল যা প্রাকৃতিক অ্যাস্ট্রিনজান্ট হিসাবে কাজ করে এবং ত্বকের নানান রোগ দূর করতে সাহায্য করে। লেবুর রসে আছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান। এটা যখন গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের সঙ্গে মেশানো হয় তখন আরও বেশি কার্যকর হয়।

এই ময়েশ্চারাইজার বানাতে ২০ মি.লি. গোলাপ জল, ৫ ফোঁটা গ্লিসারিন ও একটি গোটা লেবুর রস নিন। এই তিন উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে শুষ্ক ত্বকে লাগান। মিশ্রণটি চাইলে রেফ্রিজারেইটরে এক মাস সংরক্ষণ করতে পারেন।ত্বক খুব বেশি শুষ্ক হলে এবং এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে চাইলে, সঙ্গে একটা ভিটামিন ই ক্যাপসুল যোগ করুন। চাইলে এই মিশ্রণ সেটিং স্প্রে হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। ময়েশ্চারাইজার একটা স্প্রে বোতলে রাখুন। মেইকআপ শেষে তা স্প্রেয়ের মতো ব্যবহার করুন।

সানস্ক্রিন ব্যবহার শীত আসছে বলে ভাববেন না যে সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজনীতা কমে গেছে। শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার ৩০ মিনিট আগে এসপিএফ ১৫-৩০ সম্পন্ন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

ত্বকের আর্দ্রতা বজায় মাঝে মাঝে মুখে পানির ঝাপটা দিন। সহজে ত্বক শুষ্ক হবে না। অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন গোসলের সময় আরাম অনুভব হলেও অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে মুখ, মাথা ধোয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, অতিরিক্ত গরম পানি মুখের ত্বকের ফলিকলগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলে যা ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। গোসলের সময় পানিতে কয়েক ফোঁটা জোজোবা বা বাদাম তেল দিয়ে নিলে তা ত্বককে আর্দ্র এবং মসৃণ করতে সহায়তা করে।

ঠোঁট কথনো ভেজানো উচিত নয়। কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট কখনোই ফেটে যাবে না। মেকআপ করার সময়: মেকআপ করার সময় লিক্যুইড ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না। শীতকালে ক্রিম ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন।

শীতকালে কখনোই ভেজা চুলে বাইরে বের হওয়া উচিত নয়। এতে করে চুলের আর্দ্রতা নষ্ট হয় এবং চুল ভেঙে যায়। হ্যাট পরুন চুল এবং মাথার তালুর আর্দ্রতা ধরে রাখতে হ্যাট পরুন। তবে হ্যাটটি যাতে বেশি টাইট না হয় সে দিকে খেয়াল রাখবেন। গোসলের পর এবং প্রতিবার মুখ ধোয়ার পর ভেজা অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার বা লোশন ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।